সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদরাসায় ধর্মীয় বই উপহার

মোঃ হাসনাইন আহমেদ, ভোলা: বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে দ্বীপজেলা ভোলার তা’লিমুল ইসলাম নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসায় হায়াতুস সাহাবা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় বই প্রদান করা হয়েছে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোলার বাপ্তা ইউনিয়নে অবস্থিত তা’লিমুল ইসলাম নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে বসুন্ধরা শুভসংঘের উপহার হিসেবে বিভিন্ন ধর্মীয় বই তুলে দেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সদস্যরা। […]

ভোলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদরাসায় ধর্মীয় বই উপহার

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:০৫

মোঃ হাসনাইন আহমেদ, ভোলা:

বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে দ্বীপজেলা ভোলার তা’লিমুল ইসলাম নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসায় হায়াতুস সাহাবা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় বই প্রদান করা হয়েছে।

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোলার বাপ্তা ইউনিয়নে অবস্থিত তা’লিমুল ইসলাম নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে বসুন্ধরা শুভসংঘের উপহার হিসেবে বিভিন্ন ধর্মীয় বই তুলে দেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সদস্যরা।

দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের পাঠদান ও স্থানীয় জনগণের মাসলা-মাসায়েল জানার জন্য মাদরাসায় কিছু ইসলামিক বই প্রয়োজন ছিল। মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখাকে অবগত করলে, বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে মাদরাসায় ইসলামিক বইয়ের ব্যবস্থা করে দেন।

বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে তা’লিমুল ইসলাম নুরানী ও হাফিজিয়া মাদরাসায় হায়াতুস সাহাবা, সীরাতে মুস্তফা, আল্লাহর মহব্বত, নবীজীর মহব্বত, তাবেঈদের ঈমানদীপ্ত জীবন, মুমিনের বার মাস, প্রিয় নবী (স.) এর ভালোবাসা বইগুলো উপহার হিসেবে প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন তা’লিমুল ইসলাম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক মাওলানা সালাউদ্দিন, শিক্ষক মোঃ ইউনুস, সমাজসেবক মোঃ এছাক মিয়া, বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভোলা সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ জিহাদ, ইভেন্ট বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মুন্না সহ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা।

তালিমুল ইসলাম নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক মাওলানা সালাউদ্দিন বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘকে ধন্যবাদ জানাই। এসব বই শিক্ষার্থীদের ইসলামিক জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের প্রতি কৃতজ্ঞতা।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম) বলেন, ‘নতুন প্রজন্মকে সঠিক ও সুন্দর পথে এগিয়ে নিতে বসুন্ধরা শুভসংঘ নিয়মিতভাবে শিক্ষা সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

এর ধারাবাহিকতায় আজ মাদরাসার শিক্ষার্থীদের জন্য মাদরাসা কর্তৃপক্ষের কাছে ইসলামিক বই তুলে দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা আদর্শবান নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠুক। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় শিক্ষামূলক ও মানবিক সেবায় পাশে থাকতে চায়।’

মোঃ শাফায়াত হোসেন (সিয়াম) আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য শুধু বই দেওয়া নয়; বরং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মূল্যবোধ, নৈতিকতা ও মানবিকতার চর্চাকে উৎসাহিত করা। দেশের সর্বত্র বসুন্ধরা শুভসংঘের কার্যক্রম চলমান।

আমরা শুধুমাত্র ভোলায় নয়, প্রত্যন্ত অঞ্চলেও মাদরাসা, স্কুল ও অনগ্রসর শিক্ষার্থীদের সহায়তায় কাজ করছি। ভবিষ্যতেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহায়তা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ভোলা সদর উপজেলা শাখার সভাপতি মোঃ জিহাদ বলেন, ‘শিক্ষা কেবল পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নৈতিক ও ধর্মীয় জ্ঞান তরুণ প্রজন্মকে সঠিক পথে পরিচালিত করে। বসুন্ধরা শুভসংঘের পক্ষ থেকে মাদরাসায় আজ যে বইগুলো দেওয়া হয়েছে, তা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে সহায়ক হবে।’

মাদরাসার শিক্ষার্থী মোঃ ইয়ামিন বলেন, ‘নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি এসব বই আমাদের ইসলামি জ্ঞান আরও সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবে।’

শান্ত, পরিমার্জিত পরিবেশে অনুষ্ঠিত বসুন্ধরা শুভসংঘের বই উপহার প্রদান কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে বেশ উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।