মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ঘাটাইলে সুপার ও সভাপতি মিলে গিলে খাচ্ছে বাইচাইল দাখিল মাদ্রাসা

 মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি   টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নানা অনিয়ম দূর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতায় ভরে গেছে বাইচাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা।মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির একের পর এক দুর্নীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম।টিনের চাল থেকে শুরু করে,জায়গা জমি,গাছপালা,সরকারি যাবতীয় অনুদানসহ সকল কিছু গিলে খাচ্ছে এই দুই ব্যক্তি।দৈনিক সকাল  এর অনুসন্ধানে দেখা যায় সুপার একক ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে […]

ঘাটাইলে সুপার ও সভাপতি মিলে গিলে খাচ্ছে বাইচাইল দাখিল মাদ্রাসা

ছবি সংগ্রহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ নভেম্বর ২০২৫, ২০:২৪

 মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি  

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নানা অনিয়ম দূর্নীতি স্বেচ্ছাচারিতায় ভরে গেছে বাইচাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা।মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির একের পর এক দুর্নীতির কারণে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রম।টিনের চাল থেকে শুরু করে,জায়গা জমি,গাছপালা,সরকারি যাবতীয় অনুদানসহ সকল কিছু গিলে খাচ্ছে এই দুই ব্যক্তি।দৈনিক সকাল  এর অনুসন্ধানে দেখা যায় সুপার একক ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে অর্থ আত্মসাৎ,

শিক্ষকদের জিম্মি করে রাখা , সরকারি বরাদ্দের হরিলুট, প্রতিষ্ঠানের টিউশন ফি ও অন্যান্য থেকে আয় তছরূপ এবং গোপনে কমিটি গঠন সহ গুরুতর অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।সরজমিনে গিয়ে জানা যায় উপজেলার ২ নং সদর ঘাটাইল ইউনিয়নের বাইচাইল ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা অনিয়ম-দূর্নীতিতে ভরপুর হয়ে উঠেছে।

প্রতিষ্ঠানের সুপার প্রতিদিন মাদরাসায় যায় শুধুই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করার জন্যে, স্বাক্ষর করেই সুপার প্রতিদিন বেলা ১১টা বাজতে না বাজতেই ঘাটাইল সদরে সভাপতি আসাদুজ্জামান শোভনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শোভন টেলিকমে চলে যায়।মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষকদের সাথে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।অভিযোগের সততা খুঁজতে  বারবার মাদরাসা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে সভাপতির সাথে দেখা না মিললেও অবশেষে দেখা মিলে ঘাটাইল সদরে সভাপতির ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শোভন টেলিকমে।

সাংবাদিকের উপস্থিতি বুঝে উঠতেই সুপার সেখান থেকে সটকে পড়েন। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর খোঁজতে খোঁজতে আবার দেখা মিলে পাশের চায়ের দোকানে,পরে সেখানে কথা হয় সুপার আজহারুল ইলামের সাথে।মাদ্রাসার এসব অনিয়মের ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমি কোন প্রকার দূর্নীতি করি নাই, টিউশন ফি’র টাকা আমি ভোগ করিনি।

প্রতিষ্ঠানটির যে সভাপতি রয়েছে তিনি তার দায়িত্ব বুঝতে না পাওয়ায় এসব অভিযোগ আসতে পারে বলে তিনি জানান।অত্র মাদ্রাসার দাতা সদস্য ও সভাপতির পিতা ইদ্রিস হোসেন বলেন, আমার ছেলে সভাপতি সে একটু কম বুঝে তাকে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করি।

অভিযোগ রয়েছে মাদ্রাসার সুপার ও দাতা সদস্য মিলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন, রাগান্বিত হয়ে শিক্ষকদের দেখান বৃদ্ধাঙ্গুলি।   মাদরাসার একাধিক শিক্ষক ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানায় মাদ্রাসার সুপার,সভাপতি ও তার বাবা কৌশলে একক আধিপত্য বিস্তার করে অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষকদের টিউশন ফি বানিজ্য, সরকারি বরাদ্দের অর্থ লুটপাট, এবং গোপনে কমিটি গঠনের অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে স্থানীয়দের ত্যাগ ও অর্থায়নে মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠা করা হলেও এখন কমিটিতে জায়গা হচ্ছেনা ত্যাগীদের। ইদ্রিস হোসেন শর্তসাপেক্ষে কিছু জমি মাদরাসায় দান করে ছিলেন।মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর জমির দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন তিনি মাদরাসার জমি ফেরত নেওয়ার বিভিন্ন অপকৌশলের অংশ হিসেবে মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রম যাতে চিরতরে বন্ধ করে দেয়া যায় সেই লক্ষ্য নিয়ে তার নিজের পুত্রকে মাদ্রাসার সভাপতি নিযুক্ত করে সুপারের সহযোগিতায় এসব লুটতরাজ করে যাচ্ছেন।

স্থানীয়রা জানায় ইদ্রিস আলী বর্তমানে চায় মাদরাসাটি বিলুপ্ত করে তার জমি বুঝে নিতে। অথচ মাদরাসাটি প্রতিষ্ঠায় অর্থ এবং শ্রম দিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা। এখন স্থানীয়দের বাদ দিয়েই মনগড়া কমিটি দিয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠান। পিতা পুত্রের যোগসাজসে প্রতিষ্ঠান সুপারের নানা অনিয়মে প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে বাঁধার সৃষ্টি হয়েছে।

আর এর প্রভাব গিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীদের উপর। এবতেদায়ী প্রথম শ্রেণি থেকে দাখিল ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত মাদরাসাটিতে আশেপাশের চার-পাঁচটি গ্রামের কমপক্ষে ৩০০ থেকে ৪০০শিক্ষার্থী লেখাপড়া করার সম্ভাবনা থাকলেও এখন নানা অনিয়ম-দূর্নীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

ফলে কোনরকম খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি।একসময়ে উপজেলার স্বনামধন্য এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির করুণ দশায় এবার ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সুশীল সমাজ। প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। মাদরাসাটির ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, কমিটির মিটিং সিদ্ধান্ত হয় এক রকম, রেজুলেশন খাতায় লেখা হয় সুপার ও সভাপতির স্বার্থে আরেক রকম।

কৌশলে ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের রেজুলেশন বহিতে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।কেউ স্বাক্ষর দিতে আপত্তি করলে সভাপতির পিতা ইদ্রিস হোসেন হুমকি দিয়ে বলেন আমি যা করবো তাই হবে। রেজুলেশনে তোমাদের মতো সদস্যেদের স্বাক্ষর না হলেও সমস্যা নাই। এভাবেই অভিভাবক সদস্যদের অপমান করে পিতা পুত্র ও সুপার মিলে গিলে খাচ্ছে মাদ্রাসাটি।২/৩ জন অভিভাবক

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।