ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মনস্তত্ত্ব ও মানসিক প্রবণতা বিবেচনায় কর্মসূচিগুলো তৈরি করা হয়েছে। এজন্যই আল্লাহর অনুগ্রহে ডাকসু, জাকসু, চাকসু ও রাকসু নির্বাচনে ইতিবাচক ফল এসেছে।
সোমবার (২০ অক্টোবর) ঝালকাঠির একটি কমিউনিটি সেন্টারে উপশাখার দায়িত্বশীলদের সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অর্জিত এই বিজয় তখনই অর্থবহ হবে, যখন শিক্ষার্থীদের দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব হবে।”
এর আগে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিবির সভাপতি বলেন, ইসলামী আদর্শ ও সংগঠনের বিরোধিতা নতুন কিছু নয়—এটা ইতিহাসের ধারাবাহিকতা। যারা সত্য, ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধেই সবসময় প্রতিরোধ গড়ে ওঠে।
তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী সরকারের সময় আমরা কথা বলার, বসার বা দাঁড়ানোর স্বাধীনতাও পাইনি।
দাড়ি-টুপি দেখলেই হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। এখন সেই সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলেও নতুন কিছু মহল একই পথে হাঁটছে—মসজিদে কোরআনের তালিমেও হামলা চালিয়ে আমাদের ভাইদের আহত করছে। আমাদের সংগ্রাম ইসলামী মূল্যবোধ ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠার জন্য।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবিরের সাবেক অফিস সম্পাদক ও বরিশাল বিএম কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক এজিএস এবং ঝালকাঠি-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শেখ নেয়ামুল করীম, কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক হারুণ অর রশিদ রাফি এবং সাবেক জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট বিএম আমিনুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি এনামুল হাসান এবং সঞ্চালনা করেন জেলা সেক্রেটারি মো. নুরুজ্জামান।