নিজস্ব প্রতিনিধি;
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় সরকারি খাস জমিতে দোকান ভিটি পুনঃনির্মাণ করে সড়ক ও ফুটপাত দখল করায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে উপজেলার ২নং চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ ভূঞারহাট বাজার এলাকার চেয়ারম্যান ঘাট- সোনাপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সু্বর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ছেনমং রাখাইন।
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, সোনাপুর- চেয়ারম্যান ঘাট আঞ্চলিক মহাসড়কের চরমজিদ মৌজার ২১৪৯ দাগে সড়ক ও জনপথ এবং খালের অংশে ভূঞারহাট বাজার এলাকায় সরকারি খাস জমিতে দোকান ঘর নির্মাণ করে গাউছিয়া পরিবার ।
বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা প্রশাসনের। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ছেনমং রাখাইন এর নেতৃত্বে সড়কের পাশে সরকারি খাস জমিতে তিনটি দোকান ঘর উচ্ছেদ করা হয়। এতে সহযোগিতা করেন চরজব্বর থানা পুলিশের একটি টিম।
সুবর্ণচর উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ছেনমং রাখাইন বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আসে চরমজিদ ভূঞারহাট বাজারে উচ্ছেদকৃত সড়কের পাশে সরকারের খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে। সরকারি জমিতে স্থাপনা নির্মান করা সম্পুর্ন বেআইনি। পরে অভিযান চালিয়ে সড়ক ও খালের অংশের খাস জমিতে অবৈধভাবে নির্মিত টিনসেটের দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে । সরকারি জমি উদ্ধারে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, সুবর্ণচর উপজেলার সাবেক সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফুর রহমানের চৌকুস নেতৃত্বে সুবর্ণচরে সরকারি কোটি কোটি টাকার খাস জমি বেদখল হতে উদ্ধার করা হয়। সেই সময় চরমজিদ ভূঞারহাট বাজারে উক্ত দাগে ২০টি দোকান ভিটি উচ্ছেদ করে নোয়াখালী জেলা প্রশাসনের টিম। তবে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে এ দাগে এখনও আরো স্থায়ী স্থাপনা রয়েছে। কিন্তু সে সকল স্থাপনা উচ্ছেদে কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি। ঐ সকল স্থাপনার মালীকগণ প্রভাবশালী।
স্থানীয়দের মাঝে জনশ্রুতি ও গুঞ্জন উঠেছে আইন শুধু গরিবদের জন্য প্রয়োগ করা হয়, প্রভাবশালীদের জন্য প্রয়োগ করা হয় না।