রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া কোনো নির্বাচন জনগণ মানবে না : অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ

শেখ নজরুল ইসলাম (তালা উপজেলা প্রতিনিধি) জুলাই সনদে আইনি ভিত্তি প্রদান, পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবিতে তালা উপজেলা জামায়াত ইসলামির আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশ সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্ল্যাহ একথা বলেন ।   ২৬ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বিকালে সাতক্ষীরা তালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল মাঠ হতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ […]

প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া কোনো নির্বাচন জনগণ মানবে না : অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:৫২

শেখ নজরুল ইসলাম (তালা উপজেলা প্রতিনিধি)

জুলাই সনদে আইনি ভিত্তি প্রদান, পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের দাবিতে তালা উপজেলা জামায়াত ইসলামির আয়োজনে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশ সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জত উল্ল্যাহ একথা বলেন ।  

২৬ সেপ্টেম্বর (শুক্রবার) বিকালে সাতক্ষীরা তালা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল মাঠ হতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে বিক্ষোভ মিছিল ও মিছিল পূর্ব সমাবেশ  অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ মিছিলের পূর্বে তালা বিদে হাই স্কুল পুরাতন মাঠ কয়েক লক্ষ নেতা কর্মীতে পূর্ণ হয়ে যায়।

উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলীর সঞ্চালনায় উপজেলা আমির মাওলানা মফিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশ প্রদান আতিথি হিসাবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা -১(তালা- কলারোয়া) আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য ও পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইজ্জত উল্লাহ।

তিনি বলেন জুলাই সনদে আইনি ভিত্তি প্রদান ,পি আর পদ্ধতিতে নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে আজকের এ সমাবেশ। তরুন প্রজন্মের প্রথম ভোট ‘ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে হোক’। জামায়াত দেশ শাসনের দায়িত্ব পেলে শুধু মুসলিম নয়, সকল ধর্মের মানুষ এমনকি নারীরাও সবচেয়ে মর্যাদাবান হবেন ইনশাআল্লাহ। এজন্য আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর ইসলামী প্রার্থীকে বিজয়ী করার আহবান জানান।

তিনি আরো বলেন,চব্বিশের জুলাই আমাদেরকে ফ্যাসিস্টমুক্ত বা দুর্নীতি-চাঁদাবাদমুক্ত দেশ গড়ার স্বপ্ন শেখাতে পারেনি, কিন্তু কিভাবে আগামীর একটি নতুন বাংলাদেশ গড়া যায় সেটি শিখিয়েছে। সুতরাং তরুণ প্রজন্ম আগামী নির্বাচনে অন্তত: পূর্বের ভুল আর করবে না, যাতে আবারো কোন ফ্যাসিবাদের জন্ম বাংলাদেশে হয়। তিনি একটি সাম্যের ও বেকারমুক্ত দেশ গড়ার জন্য নতুন ভোটারদের কাছে দাড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান। তিনি একটি সাম্যের ও বেকারমুক্ত দেশ গড়ার জন্য নতুন ভোটারদের কাছে দাড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

 বিশেষ অতিথির বক্তৃতায়, সাতক্ষীরা জেলা নায়েবে আমির ডাঃ মাহমুদুল হক, বলেন দেশেকে একটি মডেল হিসেবে দেখতে চাই। তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের দীর্ঘ ৫৪ বছরেও জামায়াতের বিরুদ্ধে হিন্দুসহ অন্য সম্প্রদায়ের লোকদের ওপর নির্যাতন, বাড়ি দখলের কোন প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি। কিন্তু আওয়ামীলীগ বিগত দেড় দশকে জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে নানা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায়, শ্রমিককল্যাণ ফেডারেশন সাতক্ষীরা জেলা সভাপতি অধ্যাপক সুজায়েত আলী। 

বক্তব্য রাখেন জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য তেতুলিয়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান প্রার্থী ডাঃ আফতাব হোসেন, তালা উপজেলা আমির মাওলানা মফিদুল ইসলাম, উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, ইসলামকাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক গোলাম ফারুক, মাও রেজাউল করিম, তালা ইউনিয়ন আমির মোঃ মুজিবুর রহমান,

খলিলনগর ইউনিয়ন আমির মাওলানা আকবর হোসেন,তেতুলিয়া ইউনিয়ন আমির মাওঃ আঃ হালিম, ,উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি আমিনুর রহমান, উপজেলা যুব জমাত সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রেন্টু,উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা কবিরুল ইসলাম, অফিস সেক্রেটারী জাহাঙ্গীর হোসাইন, 

হাফেজ শাহ আলম, ইসলামকাটির ইউনিয়ন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আব্দুল হাকিম। জালালপুর ইউনিয়ন মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যাপক খলিলুর রহমান। তালা ইউনিয়ন মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী এডভোকেট মশিউর রহমান। উপজেলা তথ্য ও মিডিয়া সভাপতি অধ্যাপক ইয়াসিন আলী, সেক্রেটার মাস্টার নাজমুল ইসলাম সহ আরো অনেকে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।