বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

চাকরিজীবন শেষে হাতির পিঠে চড়ে বিদায় দিলেন প্রধান শিক্ষকে

‘তোমরা দেশে-বিদেশে যে যেখানেই থাকো না কেন, আমাকে ভালোবেসে যেভাবে সব সময় পাশে থেকেছো, আমি এই বিদ্যালয় থেকে চলে যাওয়ার পরেও তোমাদের বিদ্যালয়ের সুখে-দুখে পাশে থেকো।’

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২১:৫৫

ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট

শিক্ষকতায় ৩৯ বছরের চাকরিজীবনের ইতি টানেন চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএম খেলাল-ই রব্বানী। বিদ্যালয়কে জাতীয়করণসহ শিক্ষকতাই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করায় বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীসহ বিদ্যালয়ের সহকর্মীরা চোখের অশ্রু ঝরিয়ে তাকে দিয়েছেন রাজকীয় বিদায়। সনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে এগারোটায় উপজেলার চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

সরজমিনে দেখা যায়, প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে চকময়রাম সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় চত্বরে আব্দুল কুদ্দুস মন্ডলের সভাপতিত্বে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম খেলাল-ই রব্বানীসহ অবসরপ্রাপ্ত অন্যান্য শিক্ষকদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠ শেষে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ফুলের তোড়া দিয়ে সদ্য অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম খেলাল-ই রব্বানী এবং এর আগে অবসরপ্রাপ্ত শারীরিক শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক রেজাউল করিম, হিন্দু ধর্ম বিষয়ক শিক্ষক অসীম চন্দ্র কুন্ডু, অফিস সহকারি আব্দুস ছাত্তারসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দদেরকে স্বাগত জানানো হয়। এসময় প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দিতে গিয়ে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন।

এরপর বিকেলে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে চকময়রাম এলাকা থেকে আমাইতাড়া বাজার মোড় এবং নিমতলী বাজার হয়ে ধামইরহাট পূর্ব বাজার পর্যন্ত প্রধান শিক্ষককে হাতির পিঠে চড়ে ও কাঁধে করে বাড়ি পৌঁছে দেন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। এবং অন্যান্য শিক্ষকদের ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এসএম খেলাল-ই রব্বানী ১৯৮৭ সালে বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। পরে তিনি ২০০১ সালে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। গত ৬ সেপ্টেম্বর তার কর্মজীবন শেষ হয়।

বিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ৯৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী রবিউল হক বলেন, ‘এক সময় আমিও এই স্কুলের একজন শিক্ষার্থী ছিলাম। আমাদের সময় প্রিয় শিক্ষক ছিলেন এসএম খেলাল-ই রব্বানী স্যার। স্যারের বেতের বাড়ি খেয়ে ভালো শিক্ষার্থী হতে পেরেছিলাম বলেই আজ আমি ধামইরহাট কেজি স্কুলের একজন শিক্ষক হতে পেরেছি। স্যারের দীর্ঘায়ু কামনা করছি।’

অপর প্রাক্তন শিক্ষার্থী হারুন আল রশিদ, আশিফ ইলাহী, মমিনসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। এসময় একরকম আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এসএম খেলাল-ই রব্বানী বলেন, ‘অসম্ভব শক্ত উচু নিচু পথ এবং আবর্জনা পাড়ি দিতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। এর ফলে গ্রামের মধ্য থেকে একটি স্বপ্ন নিয়ে এই বিদ্যালয়কে জাতীয়করণ করতে পেরেছি। বিদ্যালয়ের সকল সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গুণীজনদের সার্বিক সহযোগিতায় তা সম্ভব হয়েছিল। আজ আমি তাদের কাছে চির ঋণী হয়ে রইলাম।’

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন,

‘তোমরা দেশে-বিদেশে যে যেখানেই থাকো না কেন, আমাকে ভালোবেসে যেভাবে সব সময় পাশে থেকেছো, আমি এই বিদ্যালয় থেকে চলে যাওয়ার পরেও তোমাদের বিদ্যালয়ের সুখে-দুখে পাশে থেকো।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার কাজল কুমার সরকার, মজিবুর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলমগীর কবির, দাতা সদস্য আব্দুল গণি মন্ডল, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য তাইমুর রহমান, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মচারীসহ বিভিন্ন ব্যাচের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা।

বিষয়ঃ

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।