শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুনামগঞ্জ-১ নির্বাচনী প্রচারণায় সরব বিএনপির একাধিক প্রার্থীর বিপরীতে জামাতের একক প্রার্থী

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো সুনামগঞ্জ-১ আসনেও রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠে সরব হয়ে উঠেছেন। বিভিন্ন কর্মসূচি, সামাজিক অনুষ্ঠান, এবং ফেসবুকসহ ডিজিটাল মাধ্যমে তৎপরতা বাড়িয়েছেন তারা। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক ব্যানার-ফেস্টুন ও কর্মী সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন মনোনয়ন […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ জুলাই ২০২৫, ১৭:২২

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো সুনামগঞ্জ-১ আসনেও রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠে সরব হয়ে উঠেছেন।

বিভিন্ন কর্মসূচি, সামাজিক অনুষ্ঠান, এবং ফেসবুকসহ ডিজিটাল মাধ্যমে তৎপরতা বাড়িয়েছেন তারা। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক ব্যানার-ফেস্টুন ও কর্মী সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের লন্ডন বৈঠকের পর নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে করে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে প্রচারণা আরও জোরদার হয়েছে।

সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার হাওর বেষ্টিত ও প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কেউ ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিচ্ছেন,

কেউ বাজারে-মাঠে গণসংযোগ চালাচ্ছেন, আবার কেউ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে থাকার চেষ্টা করছেন।

সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় আসন সুনামগঞ্জ-১। চারটি উপজেলা নিয়ে বিসৃত এই আসন। আয়তন ও ভোটের দিক থেকেও বিশাল। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৬৯০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৭০১ জন, পুরুষ ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জন।

বৃহৎ এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেতে বিএনপির সাত জনেরও বেশি মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে আছেন। যদিও দলীয়ভাবে প্রার্থী এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

এদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, তাহিরপুরের সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, তরুণদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় নেতা কামরুজ্জামান কামরুল।

জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, তাহিরপুরের সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হক। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, ধর্মপাশার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল মোতালেব খান।

এই আসনের তিনবারের সাবেক এমপি নজির হোসেনের স্ত্রী ও কৃষি ব্যাংকের অবসর প্রাপ্ত অফিসার সালমা নজির।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা, জামালগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দী লিটন। জামালগঞ্জ উপজেলা সাবেক ছাত্রদল নেতা ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা সোহেল আহমেদ। 

এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর দলীয় মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান তার নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয়ভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন৷ 

মাঠে নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। বিগত দিনে দলের জন্য যে ত্যাগ ও অবদান রেখেছি, আশা করি দল তা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবে।”

কামরুলের রাজনৈতিক প্রভাব নির্বাচনী আসনের প্রতিটি উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দৃশ্যমান। তাঁর রয়েছে বিপুল সংখ্যক সক্রিয় অনুসারী ও সমর্থক। ফলে তাঁর নেতৃত্বে আয়োজিত বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দলীয় নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

সম্প্রতি ধর্মপাশা উপজেলায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় কামরুলের নেতৃত্বে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। উক্ত সমাবেশে নজিরবিহীন জনসমাগম রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

আনিসুল হক বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে জেলা সদর ও সুনামগঞ্জ- ১ নির্বাচনী এলাকার চার উপজেলায় সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করেছি। তিনি বিশ্বাস করেন, তার কাজের মুল্যায়ন হিসেবে দল তাকে ধানের শীষ প্রতীক মনোনয়ন দিবেন।

দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় নিজ উপজেলা ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন আব্দুল মোতালিব খান। তবে একই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আরও একজন, যিনি হলেন মোতালিব খানের আপন ভাগ্নে ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। তিনিও মনোনয়ন পাওয়ার আশায় সম্প্রতি ধর্মপাশায় ও মধ্যনগরে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। তিনি বলেন, গত “১৫ বছর আওয়ামী দমন-পীড়ন মোকাবিলা করে মাঠে ছিলাম। এবার তরুণদের মূল্যায়ন করা হবে।” এ আশায় তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী।

সাবেক এমপি নজির হোসেনের সহধর্মীনি মনোনয়ন প্রত্যাশী সালমা নজিরও নির্বাচনী এলাকায় যাচ্ছেন। স্বামীর পরিচয়কে মাঠে ও কেন্দ্রে কাজে লাগাতে চাচ্ছেন তিনি। সালমা নজির বলেন, “দল ক্লিন ইমেজ ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে গুরুত্ব দেবে-এই বিশ্বাসেই আমি মাঠে নেমেছি।”

ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দী লিটন যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা। সম্প্রতি নির্বাচনী এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করছেন। তিনিও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।

সোহেল আহমেদ বলেন, আমি মনে করি আমার দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণদের মূল্যায়ন করবে। সে হিসেবে আমি দলীয় মনোনয়ন চাইবো।

এদিকে বিএনপির একাদিক প্রার্থীর বিপরীতে  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জেলা আমীর ও কেন্দ্রীয় কমিটির শূরা সদস্য উপাধ্যক্ষ মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান। তাহিরপুর উপজেলার বড়দল গ্রামের বাসিন্দা তোফায়েল খান জানান, “ভোটকেন্দ্র ও গ্রাম কমিটির কাজ ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।” তিনি মসজিদ-মাদ্রাসা ও গ্রামাঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে গণসংযোগ করে দলের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র পক্ষে ভোট চাইছেন।

“সূত্র মতে, বর্তমানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল তাদের নিজস্ব দলীয় পরিকল্পনা ও কৌশল বাস্তবায়নে মনোযোগ দিচ্ছেন।”

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।