শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা, ১১ লক্ষ টাকা লুট

তথ্যচিত্রেঃ প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, তারাকান্দা উপজেলা, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।। দলিয়গুণ্ডামী, সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজী, জমি দখলসহ ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানা এরিয়াতে অভিযোগের সীমারেখার বৃত্ত দিন দিন ঊর্ধ্বগামী হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছেও অভিযোগের শেষ নেই। অপরাধ প্রবণতা, আভিজাত্য বিস্তার, পেশী শক্তির ব্যবহার, গুষ্টিগত দম্ভ, জুয়া খেলা, অনলাইন জুয়া খেলা, সন্ত্রাসী মনোভাব সৃষ্টিতে থানা এরিয়া এখন অন্যায় ও অরাজকতার সাম্রাজ্যে পরিণত […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ মে ২০২৫, ০১:৪৫

তথ্যচিত্রেঃ প্রভাষক জাহাঙ্গীর আলম, তারাকান্দা উপজেলা, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।।

দলিয়গুণ্ডামী, সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজী, জমি দখলসহ ময়মনসিংহের তারাকান্দা থানা এরিয়াতে অভিযোগের

সীমারেখার বৃত্ত দিন দিন ঊর্ধ্বগামী হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছেও অভিযোগের শেষ নেই।

অপরাধ প্রবণতা, আভিজাত্য বিস্তার, পেশী শক্তির ব্যবহার, গুষ্টিগত দম্ভ, জুয়া খেলা, অনলাইন জুয়া খেলা, সন্ত্রাসী মনোভাব সৃষ্টিতে থানা এরিয়া এখন অন্যায় ও অরাজকতার সাম্রাজ্যে পরিণত হয়েছে।

তারই ধারাবাহিকতায় কামারিয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের  মোঃ মোখলেছুর রহমান (৪৫) অভিযোগ দায়ের করেন যে, সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা ও তালাবদ্ধ ড্রয়ারে রক্ষিত মাছ বিক্রির নগদ ৬,৮৩,০০০ টাকা ও স্বর্নালংকারসহ মোট এগারো লক্ষ টাকার দাঙ্গাবাজীর অভিযোগ তুলেন।

মোঃ মোখলেছুর রহমানের পিতা- মৃত মকবুল সরকার, সাং- কৃষ্ণপুর, পোঃ কামারিয়া বাজার, কামারিয়া ইউপি, থানা- তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহ। জাতীয় পরিচয় এনআইডি নং-৬১১৮১৪৯৯৫৬৮১০।

তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তারাকান্দা ক্যাম্প ও তারাকান্দা থানায় বাদী হয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগে উল্লেখ করেন যে, বিবাদী-১। মোকসেদুল ইসলাম(৪০), ২। মোতালেব (৫০), উভয় পিতা- মৃত রুস্তম আলী, ৩। নুরুজ্জামান(৩৮), ৪। মোখলেছ(৩৫), ৫।

জহিরুল (২৫), সর্ব পিতা- আঃ হামিদ, ৬। হানিফ (৪৫), ৭। কাশেম (৫০), উভয় পিতা- মৃত ইউনুছ আলী, ৮। কামরুল (৩৫), পিতা- কছম উদ্দিন, ৯।

এনামুল হক (৪৮), পিতা- মৃত জামাল উদ্দিন, ১০। এবাদুল (২৫), পিতা- মোতালেব, সর্ব সাং- কৃষ্ণপুর, পোঃ কামারিয়া বাজার, কামারিয়া ইউপি, থানা- তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহগণ সহ অজ১৫/২০ জন।

বাদীপক্ষ জানা, বিবাদীরা গুণ্ডা, সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ, কলহপ্রিয়, পরধনলোভী ও অত্যান্ত খারাপ প্রকৃতির লোক।

গত ২৩ মে রোজ- শুক্রবার, রাত আনুমানিক ৯.৩০ ঘটিকার সময় উল্লেখিত সকল বিবাদীগণ সহ অজ্ঞাত নামা বিবাদীরা পূর্ব আক্রোশের জের ধরে রাম দা, শাবল, কুড়াল, বল্লম, শুলফি, লোহার রড,

বাঁশের লাঠি ইত্যাদি দেশীয় মারাত্বক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে- আইনীজনতাবদ্ধে একই উদ্দেশ্যে অনধিকবার আমার বসতবাড়ীতে প্রবেশ করে আমার নাম ধরে বিশ্রী অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও খুন জখমের উদ্দেশ্যে ডাকাডাকি করতে থাকে।

তখন আমি বিবাদীদেরকে গালাগালি করিতে নিষেধ করি, এমত অবস্থায় ১নং বিবাদীর হুকুমে অন্যান্য সকল বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা অস্ত্রশস্ত্র উঁচাইয়া খুন জখম করার জন্য উন্মাদ হয়ে উদ্যত হলে আমি ও আমার পরিবারের লোকজন বসতঘরের দক্ষীন পার্শ্বের রুমে আশ্রয় নিয়া আত্মরক্ষা করি।

এ সময় সকল বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা অস্ত্রশস্ত্র দিয়া আমার হাফবিল্ডিং বসতঘরের উত্তরপার্শ্বের কাঠের দরজা ভাঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা

ও দাঙ্গাবাজি করে আমার ২টি রুমে থাকা ১টি কাঠের খাট, ১টি আলনা, ১টি সুকেশ, ১টি আলমিরা, ৫টি প্লাষ্টিকের চেয়ার, ১টি টেবিল, বিভিন্ন জিনিসপত্র দাঙ্গাবাজি করে কোপাইয়া ভাংচুর করে। যার আনুমানিক মূল্য – ১,৫০,০০০/- (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকার ক্ষতিসাধন করে।

১নং বিবাদী সুকেশের ড্রয়ারের তালা ভাঙ্গে ড্রয়ারে রক্ষিত মাছ বিক্রির নগদ ৬,৮৩,০০০/- (ছয় লক্ষ তিরাশি হাজার) টাকা ও ২টি ৮+৮= ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইন, ৮ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের কানের দূল, ৬ আনা ওজনের ১ জোড়া স্বর্ণের হাতের বালা, মোট- ১ভরি ১৪ আনা ওজনের স্বর্নালংকার, মূল্য-৩,১৮,৭৫০/-(তিন লক্ষ আঠার হাজার সাতশত পঞ্চাশ) টাকা নিয়ে যায়।

এক পর্যায়ে সকল বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা অস্ত্রশস্ত্র দিয়া বসতঘরের বাহিরের উঠানে থাকা একটি নীল রংয়ের হোন্ডা সিডি ৮০সিসি মোটরসাইকেল গাড়ী বাইরাইয়া কোপাইয়া ভাংচুর করে করে। যার আনুমানিক মূল্য ৩৫,০০০/-(পয়ত্রিশ হাজার) টাকার ক্ষতিসাধণ করে।

তাদের গুন্ডামি দাঙ্গাবাজি সইতে না পেরে তখন আমি ও আমার পরিবারের লোকজন ডাকচিৎকার করতে থাকি।

উক্ত অভিযোগে সাক্ষী রাখেন,-১। ফজলুল হক(২৮), পিতা- সুরুজ আলী, সাং- পলাশকান্দা, ২। জয়নুদ্দিন (৬৫), পিতা- মৃত মকগুল হোসেন, ৩। লিটন মিয়া(২৮), পিতা- হাসেম আলী, ৪। মোসলেম উদ্দিন (৬২), পিতা- মৃত এলাহি বক্স, ৫।

শাকিব মিয়া (২৬), পিতা- বাচ্চু মিয়া, সর্ব সাং- কৃষ্ণপুর, কামারিয়া ইউপি, থানা- তারাকান্দা, জেলা- ময়মনসিংহ সহ আশেপাশের লোকজন আগাইয়া আসেন এবং উক্ত ঘটনা দেখে- শুনে এবং বিবাদীদের কবল থেকে আমাদেরকে উদ্ধার করেন।

এ সময় উল্লেখিত বিবাদীগণসহ অজ্ঞাত নামা বিবাদীরা তাদের হাতে থাকা অস্ত্রশস্ত্র উঁচাইয়া জনমনে ভয়ভীতি, ত্রাস, অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে উচ্চস্বরে হুমকি দামকী দিয়ে বলে আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনদের সুযোগমতো পাইলে খুন করে লাশ গুম করে দিবো বলিয়া সন্ত্রাসীরাসহ সকলে একযোগে তাদের বাড়ীর দিকে চলে যায়।

উল্লেখিত বিবাদীরা আমার বড়ধরনের ক্ষতি করিতে পারে। পরে বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের জানায়ে অভিযোগ দায়ের করতেকিছুটা বিলম্ব হয়।

আসলচুর রহমান ও মোঃ মোখলেছুর রহমান উভয়ের স্বাক্ষরিত অভিযোগের উক্তিতে বিষয়টি আমলে নিনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তারাকান্দা ক্যাম্পসহ তারাকান্দা থানা পুলিশ। ্ঞাত নামা

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।