বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বদলির আদেশের পরেও পুরনো কর্মস্থলে এসআই এনামুল, সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে ওসির ঘুষ

কুমিল্লা প্রতিনিধি জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ সুপারের বদলির আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পুরনো কর্মস্থলে অন্তত চার মাস ধরে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে দাউদকান্দি মডেল থানার এসআই এনামুলের বিরুদ্ধে। নিজ জেলা ও দাউদকান্দি মডেল থানার পার্শ্ববর্তী তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লোক হওয়ায় বদলিকৃত এই অফিসারকে না ছাড়ার পিছনে সরাসরি জড়িত রয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী নিজেই। সাম্প্রতিক […]

বদলির আদেশের পরেও পুরনো কর্মস্থলে এসআই এনামুল, সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে ওসির ঘুষ

বদলির আদেশের পরেও পুরনো কর্মস্থলে এসআই এনামুল, সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে ওসির ঘুষ

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ২২:১৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি

জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ সুপারের বদলির আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পুরনো কর্মস্থলে অন্তত চার মাস ধরে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে দাউদকান্দি মডেল থানার এসআই এনামুলের বিরুদ্ধে। নিজ জেলা ও দাউদকান্দি মডেল থানার পার্শ্ববর্তী তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লোক হওয়ায় বদলিকৃত এই অফিসারকে না ছাড়ার পিছনে সরাসরি জড়িত রয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী নিজেই। সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে গত ৩ জানুয়ারি টাইমস নিউজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও পুরনো কর্মস্থল ছাড়েননি অভিযুক্ত এই দাপুটে পুলিশ কর্মকর্তা। উল্টো এই দাপুটে পুলিশ কর্মকর্তাকে রক্ষা করতে সাংবাদিককে বার বার ম্যানেজ করতে ঘুষ দেওয়ার সরাসরি চেষ্টা করেছেন ওসি জুনায়েত চৌধুরী।

গত ৩ জানুয়ারি নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পর রহস্যময়ভাবে সেই পুলিশ কর্মকর্তারকে না ছেড়ে উল্টো ৩ দিনের ছুটিতে পাঠান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এ নিয়ে ১১ জানুয়ারি (শনিবার) সরাসরি কথা বলতে আমরা মুখোমুখি হয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরীর। এ সময় দুই-তিন দিনের মধ্যে অভিযুক্ত সেই পুলিশ অফিসারকে ছেড়ে দিবেন বলে ১ম দফায় নিজ অফিসে বসে পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে সাংবাদিককে ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা ঘুষ দিতে চেষ্টা করেন সেই ওসি। কিছুদিন পরে (গত শুক্রবার) ২য় দফায় সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে আবারো চেষ্টা করেন থানার ওসি জানায়েত চৌধুরী। এজন্য দাউদকান্দি থেকে অন্তত ৫০ কিলোমিটার অদূরে অবস্থিত কুমিল্লা নগরীতে টাইমস নিউজের অফিসে পাঠান পুলিশের আরেক এসআইকে। আগত সেই পুলিশ অফিসার এ সময় সাংবাদিককে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা ঘুষ দিতে চেষ্টা করেন এবং বিষফোরক মন্তব্য করেন তিনি নানা বিষয়ে।

জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গত ০৯ অক্টোবর- ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার পুলিশ সুপার একটি বদলির আদেশ দেন। সেখানে এসআই এনামুলকে দাউদকান্দি মডেল থানা থেকে লালমাই থানাধীন ভূচ্চি পুলিশ ফাঁড়িতে বদলির আদেশ দেন। কর্মজীবনে নানান ধরণের অপরাধে নিজেকে জড়িয়ে পত্রিকার পাতার হেডলাইন হয়েছেন বহুবার দাপুটে এই পুলিশ কর্মকর্তা। তবুও থেমে নেই তার অপকর্মের চাকা। এসআই এনামুল হক ২০১৩খ্রিঃ থেকে ২০১৫ খ্রিঃ সাল পর্যন্ত দীর্ঘদিন টানা দাউদকান্দি মডেল থানাধীন গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে তৎকালিন সময়ে অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা রেঞ্জে বদলি হন তিনি। কিন্তু রহস্যময়ভাবে তিনি সেখান থেকে মাত্র ৬ মাসের ব্যবধানে আবারও বদলি হন কুমিল্লায়। কিছুদিন যেতে না যেতেই আবারও জড়িয়ে পড়েন নানান ধরণের অপরাধে। ফলে আবারও তাকে অভিযোগের ভিত্তিতে বদলি করা হয় নৌ-পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে।

তারপর পুলিশের হেডকোয়ার্টার এর নির্দেশে কুমিল্লা জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় বদলি হতে পারবে মর্মে তাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি করা হয়। পরে তিনি নামমাত্র লক্ষীপুর জেলায় বদলি হলেও রহস্যজনকভাবে ১ মাসের ব্যবধানে তৎকালিন সময়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোজাম্মেল হক (বর্তমান কর্মস্থল দাউদকান্দির পার্শ্ববর্তী জেলা চাঁদপুরের একটি নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে) এর ইচ্ছেতে ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিকে হাত করে আবারও বদলি হন কুমিল্লায়। এরপর ২০২৩ সালের শেষ দিকে তৎকালিন পুলিশ সুপার আব্দল মান্নানকে ম্যানেজ করতে সরাসরি ওসি মোজাম্মেল তদবির করেন তাকে দাউদকান্দি মডেল থানায় পদায়নের জন্য। পরে তিনি সে সময় আবারও যোগ দেন পুরনো কর্মস্থল দাউদকান্দি মডেল থানায়। এরপর তাকে পিছনে ফিরে আর তাকাতে হয়নি।

আওয়ামি লীগ সরকারের আমলে জড়িয়েছিলেন নানা অনিয়মে। নিজেকে জড়িয়েছিলেন আওয়ামীলীগের বিশ্বস্ত এক হাতিয়ার হিসেবে। ৫ আগষ্টের পরে সবকিছু পাল্টে গেলেও পাল্টেনি এসআই এনামুল। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগষ্টের পরে তার চিরচেনা পুরনো কর্মস্থল দাউদকান্দিতে অবস্থান করে আওয়ামী লীগের পলাতক বহু নেতাকমীর সাথে তার এখনো যোগাযোগ রয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পদায়ন হওয়া দাউদকান্দি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হারুন দীর্ঘ দুই বছরের উপরে সময় অতিবাহিত করলেও তার বদলির কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে রয়েছে এক ধরণের চাপা ক্ষোভ। অভিযোগ রয়েছে ৫ আগষ্টের পর পলাতক আসামীদের সাথে রয়েছে তারও গোপন যোগাযোগ। 

উল্লেখ যে, ওসি মোজাম্মেল যখন চট্টগ্রাম জেলার শীতাকুন্ড থানার তদন্ত ইন্সপেক্টে, তখন সে সময়ের চট্টগ্রাম জেলার এসপি ছিলেন নুরে আলম মিনা। সময়ের ব্যবধানে ২০২৩ সালে যখন নুরে আলম মিনা চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে যোগদান করেন তখনি ওসি মোজাম্মেল বিপুল পরিমাণ ঘুষ দিয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি হয়ে বাগিয়ে নেন দাউদকান্দি মডেল থানার ওসির চেয়ারটি। এরপর ওসি মোজাম্মেল পুলিশ বাহিনীর আড়ালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তুলেন অপরাধের সাম্রাজ্য। আর এই অপরাধ সাম্রাজ্যের সিন্ডিকেট বাহিনীতে ছিলেন থানার এসআই এনামুল, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হারুন ও থানাধীন গৌরিপুর পালিশ ফাঁড়ির এসআই সাইদুল ইসলাম অন্যতম। ৫ আগষ্টের পর অন্য সদস্যরা বদলি হলেও এই দুই ব্যক্তি এখনো রয়েছেন পুরনো কর্মস্থলেই। যা নিয়ে রহস্য যেন কিছুতেই থামছে না তাদেরকে নিয়ে।

৫ আগষ্টের আগে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মিলিত হয়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানী, মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, ঘুষ কেলেঙ্কারী, নিরিহ মানুষদেরকে মাদক দিয়ে হয়রানি ও জব্দকৃত মালামাল আত্মসাৎসহ নানান ধরণের গুরুতর অপকর্মে জড়িত থাকার বিষয়ে গত বছরের ১৩ জুন ও ২৪ জুন দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় থানা পুলিশের সেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। ফলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ২৪ জুন- ২৪ খিঃ, কুমিল্লার পুলিশ সুপারের ২৭ জুন- ২৪খিঃ ও ২৯জুন- ২৪ খিঃ তারিখে স্বারকের পেক্ষিতে সহকারী পুলিশ সুপার, দাউদকান্দি সার্কেলকে ৩০ জুন- ২০২৪ তারিখে পুলিশ সাদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিক অনুসন্ধানপূর্বক ২১ কার্য দিবসের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে সময় ২৪’র জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনার পেক্ষিতে সেই প্রতিবেদন আদৌ জমা দিতে পারেননি তদন্ত কর্তৃপক্ষ।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।