সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

‘শিবির’ ট্যাগে কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতির বিরুদ্ধে

ইবি প্রতিনিধি: ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, আক্রোশ ও ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে নবগঠিত কমিটি থেকে একজন সদস্যকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি ইয়াছিন আলীর বিরুদ্ধে। রোববার এ বিষয়ে সংগঠনের মডারেটরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সংগঠনটির সদস্য মিশুক শাহরিয়ার। লিখিত অভিযোগে মিশুক শাহরিয়ার দাবি করেন, সভাপতি ইয়াছিন আলী ব্যক্তিগত স্বার্থ ও প্রতিহিংসাবশত তার বিরুদ্ধে […]

‘শিবির’ ট্যাগে কমিটি থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতির বিরুদ্ধে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৩ জুলাই ২০২৬, ০২:২৫

ইবি প্রতিনিধি:

ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা, আক্রোশ ও ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে নবগঠিত কমিটি থেকে একজন সদস্যকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি ইয়াছিন আলীর বিরুদ্ধে। রোববার এ বিষয়ে সংগঠনের মডারেটরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন সংগঠনটির সদস্য মিশুক শাহরিয়ার।

লিখিত অভিযোগে মিশুক শাহরিয়ার দাবি করেন, সভাপতি ইয়াছিন আলী ব্যক্তিগত স্বার্থ ও প্রতিহিংসাবশত তার বিরুদ্ধে ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের অভিযোগ এনে তাকে হল কমিটির দায়িত্ব ও অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন।

এছাড়া, শিবির আয়োজিত একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় নিবন্ধন করায় তাকে অযৌক্তিকভাবে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ইয়াছিন আলী জুনিয়র বিতার্কিকদের কাছে তার সম্পর্কে কুৎসা রটিয়েছেন, হল প্রভোস্টের কাছে অসত্য অভিযোগ দিয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছেন এবং বহিরাগত বিতর্ক সংগঠনের সদস্যদের কাছেও তার সম্পর্কে মিথ্যা ও অপ্রীতিকর তথ্য দিয়েছেন।

ব্যক্তিগত আক্রোশ, প্রতিহিংসা এবং ‘শিবির’ ট্যাগ ব্যবহার করে তাকে ইবি ডিবেটিং সোসাইটির নবগঠিত কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ মিশুক শাহরিয়ারের।

অভিযোগপত্রে মিশুক বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ডিবেটিং সোসাইটির নবগঠিত কমিটি থেকে ব্যক্তিগত স্বার্থে আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম মেনে ডিবেটিং সোসাইটির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছিলাম।

তবে ভোটের দিন সকালে আমার পরিবর্তে অন্য একজন সদস্যকে ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। আমার কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে ‘শিবির’ ট্যাগ দিয়ে কমিটিতে রাখবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন ইয়াছিন।

তিনি অভিযোগ করে আরো বলেন, আমি কোথায় যাই, কী করি, কার সঙ্গে মেলামেশা করি, ফেসবুকে কী পোস্ট করি বা কার উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে কাজ করি—এসব বিষয়ে ইয়াছিন আলীকে অবহিত না করায় বিভিন্ন সময় আমাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।

এছাড়া শিবির আয়োজিত একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করায় ইয়াছিন আলী আমার টিমমেট মুশফিককে একাধিকবার ফোন করে প্রতিযোগিতা থেকে সরে আসার জন্য চাপ দেন। এমনকি সরে না আসলে তার বিতর্কজীবন শেষ করে দেওয়ার হুমকিও দেন।

মিশুকের অভিযোগ, আমি ডিবেটিং সোসাইটি ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের নির্বাচনে অংশ নিই। নির্বাচনকালীন উপদেষ্টামণ্ডলীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের পরবর্তী কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার কথা ছিল।

কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রোশের কারণে আমাকে কমিটিতে রাখা হয়নি। অপরদিকে, হল কমিটির কোনো আনুষ্ঠানিক সদস্য নন—এমন একজনকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইইউডিএসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি কোনো হল কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না। কিন্তু ইয়াছিন আলী নিজেই লালন শাহ হল কমিটির সভাপতি হতে যাচ্ছেন।

এতে দ্বিমত করার হল প্রভোস্টের কাছে তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও আপত্তিকর তথ্য প্রদান করে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করেছেন। এছাড়া তিনি বিতর্ক কক্ষের তালা পরিবর্তন করে বিতর্ক কার্যক্রম স্থগিত রাখার অভিযোগও করেছেন মিশুক।

আমার সঙ্গে যে অন্যায় করা হয়েছে, তার সুষ্ঠু বিচার চাই। আমার ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ ও মানহানিরও বিচার চাই। একই সঙ্গে নির্বাচনকালীন উপদেষ্টামণ্ডলীর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইবি ডিবেটিং সোসাইটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি পুনর্গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

এবিষয়ে ইয়াছিন আলী বলেন, অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমরা তাকে শিবির সংশ্লিষ্টতার কারনে শোকজ করিনি৷ তিনি আইইউডিএস এর সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অনুমতি না নিয়ে শিবির আয়োজিত একটি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় রেজিস্ট্রেশন করেছিল।

যা আমাদের সংগঠনিক প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করতে পারতো। একারণে তাকে সকলের সিদ্ধান্তক্রমে শোকজ করা হয়েছিল।

এ বিষয়ে ইবি ডিবেটিং সোসাইটির মডারেটর অধ্যাপক ড. মুহাঃ কামরুজ্জামান বলেন, “আমি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে এবং অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।