সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শাহজাদপুরে রমজান মাসে হোটেলগুলোতে ঝুলছে বাহারি রঙের পর্দা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য রমজান মাস বছরের সবচেয়ে পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ সময়। এ মাসজুড়ে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের মধ্যে রোজা পালন করেন। রমজানে প্রতিদিন সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সকল প্রকার ভোগ-বিলাস থেকে বিরত থেকে রোজা রাখা হয়। এর মাধ্যমে আত্মসংযম, ধৈর্য ও তাকওয়া অর্জনের […]

শাহজাদপুরে রমজান মাসে হোটেলগুলোতে ঝুলছে বাহারি রঙের পর্দা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৫৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের জন্য রমজান মাস বছরের সবচেয়ে পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ সময়। এ মাসজুড়ে বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশের মধ্যে রোজা পালন করেন।

রমজানে প্রতিদিন সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও সকল প্রকার ভোগ-বিলাস থেকে বিরত থেকে রোজা রাখা হয়। এর মাধ্যমে আত্মসংযম, ধৈর্য ও তাকওয়া অর্জনের শিক্ষা দেওয়া হয়। শুধু ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করাই নয়, বরং মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা এবং নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চাই রোজার মূল উদ্দেশ্য।

পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে  উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, চায়ের দোকান ও হোটেলগুলোতে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন চিত্র। বাহারি রঙের লাল, কালো ও বিভিন্ন প্রিন্টের কাপড় এবং চটের পর্দা টাঙিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন দোকানিরা। দিনের বেলায় পর্দার আড়ালে চলছে চা, পান, বিড়ি, সিগারেট ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য বিক্রি ও গ্রহণ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শাহজাদপুর, দারিয়াপুর  বাজার, বিসিক বাস স্ট্যান্ড, পৌরজনা বাজার, জামিরতা বাজারসহ উপজেলার প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার এলাকায় ছোট-বড় চায়ের দোকান ও হোটেলে এমন চিত্র চোখে পড়ে। বাইরে থেকে দোকানগুলো বন্ধ মনে হলেও ভেতরে পর্দার আড়ালে বসে চলছে খাবার গ্রহণ।

দোকান মালিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে অনেকে জানান, “পেটের দায়ে রমজানে পর্দা টাঙিয়ে ব্যবসা করছি। এভাবে ব্যবসা না করলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।” তারা আরও বলেন, অনেক অসুস্থ, ভ্রমণরত ও রোজা রাখতে অক্ষম মানুষও দিনে খাবার গ্রহণ করেন, তাই তাদের প্রয়োজন মেটাতেই এ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে, পর্দার আড়ালে খাবার গ্রহণকারী অনেকেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন। সচেতন মহলের মতে, বিষয়টি প্রশাসনিকভাবে নজরদারির দাবি রাখে। তাদের বক্তব্য, রমজান মাসের পবিত্রতা রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।

সাধারণ পথচারীদের সঙ্গে কথা বললে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়। কেউ কেউ বলেন, “পবিত্র মাসে প্রকাশ্যে দোকান খোলা রাখা বা পর্দার আড়ালে খাবার গ্রহণ অন্যদের রোজা না রাখার দিকে উৎসাহিত করতে পারে। এমন কাজ জনসম্মুখে না করাই উত্তম।”

আবার কেউ কেউ মনে করেন, যাদের রোজা রাখার সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে নিমগাছী বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতীব মাওলানা মোঃ রাশিদুল ইসলাম খান বলেন, “কোরআন ও হাদিসে পবিত্র রমজান মাসে পানাহার ও অশ্লীল কাজ থেকে বিরত থাকার নির্দেশ এসেছে। এ মাসে প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিমের ওপর সাওম পালন ফরজ। তবে অসুস্থ, গর্ভবতী নারী, ডায়াবেটিক রোগী, মুসাফির ও ঋতুবতী নারীদের জন্য বিধান শিথিল রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকে বিরত থাকাই রোজা। এ মাসে ইবাদতের সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। তবে যদি কেউ প্রকৃতপক্ষে রোজা রাখতে অক্ষম ব্যক্তি বা মুসাফিরদের জন্য খাবার বিক্রির উদ্দেশ্যে পর্দা ব্যবহার করে, তা শরীয়তসম্মত হতে পারে। কিন্তু যারা রোজা রাখতে সক্ষম, তাদের জন্য পর্দার আড়ালে খাবার প্রস্তুত ও বিক্রি করা নাজায়েজ।”

রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস হিসেবে মুসলমানদের কাছে বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ। এই মাসেই পবিত্র কুরআন নাজিল হয়েছে এবং লাইলাতুল কদরকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম বলা হয়েছে। তাই পবিত্র এ মাসে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার ক্ষেত্রে ধর্মীয় বিধান, সামাজিক মূল্যবোধ ও মানবিক দিকগুলো সমন্বয় করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।