মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন […]

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

‘জামায়াত ও আওয়ামী লীগ হলো একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ’: মাহফুজ আলম

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:৫৮

জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক মাহফুজ আলম মন্তব্য করেছেন, জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগ পরস্পরের ‘অল্টার ইগো’। তার ভাষায়, দেশের রাজনীতিতে একটি টিকে থাকলে অন্যটিও থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য উইক–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রচারিত সাড়ে ১৪ মিনিটের সাক্ষাৎকারে মাহফুজ আলম বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংস্কারের অগ্রগতি, নতুন ও পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত এবং গণমাধ্যমের প্রতি জনআস্থা নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ–এর বাংলাদেশকে নিয়ে কোনো স্বচ্ছ ভিশন বা পরিকল্পনা নেই। তার মতে, আওয়ামী লীগ টিকে থাকলে জামায়াতও থাকবে এবং জামায়াত থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে—দুটোই একই রাজনৈতিক সমীকরণের অংশ।

আসন্ন ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিজে না দাঁড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর পেছনে মূল কারণ হলো জামায়াত–আওয়ামী লীগের এই পারস্পরিক অস্তিত্বের বাস্তবতা। তিনি জানান, জুলাই অভ্যুত্থানের তরুণ শক্তিগুলোকে একত্র করে বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি শক্তিশালী ‘তৃতীয় বিকল্প’ গড়ার চেষ্টা ছিল। তবে এনসিপি যখন পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে জামায়াতের সঙ্গে জোটে যায়, তখন সেই উদ্যোগ ব্যর্থ হয়।

জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে তিনি বলেন, যাদের সঙ্গে জোট করা হয়েছে তারা পুরোনো কাঠামোর অংশ। এ ধরনের জোটে এমন প্রশ্ন তৈরি হয়, যার সন্তোষজনক উত্তর নেই। আদর্শিক অবস্থান ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির দিক থেকে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে জামায়াতের মেলবন্ধন সম্ভব নয় বলেও মত দেন তিনি।

ভবিষ্যৎ সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সতর্ক করে মাহফুজ আলম বলেন, ক্ষমতায় যে দলই আসুক—বিএনপি বা জামায়াত—সমাজের ভেতরের ক্ষত সারাতে না পারলে কোনো সরকারই টিকবে না। তার মতে, কাগজে–কলমে সংস্কার যথেষ্ট নয়; ভিন্ন মত ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক সমঝোতা না হলে মব সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকবে।

সাক্ষাৎকারে গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, মানুষের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি আস্থা কমেছে; সেই বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে হলে গণমাধ্যমকে তাদের অতীত ভূমিকা নিয়ে আত্মসমালোচনার জায়গায় আসতে হবে।

বর্তমানে রাজনীতির বাইরে থাকা মাহফুজ আলম বই পড়া ও হতাশ তরুণদের সঙ্গে আলাপে সময় দিচ্ছেন বলে জানান। তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতিগুলো কেন বাস্তবায়িত হয়নি এবং সামনে কীভাবে এগোনো উচিত।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। ২৮ আগস্ট মাহফুজ আলম প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হন এবং ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেন। গত বছরের ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪২২

অন্যান্য খবর

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে […]

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হবো। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছা আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো।’

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ও ব্যস্ততা যতই থাকুক, জনগণের কল্যাণ এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতারা বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি মানিক মুনতাসির, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, প্রধান বার্তা সম্পাদক মানিকুল আজাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অন্যান্য খবর

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

সরকারি যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য সম্মানসূচক শব্দ না লেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

দৈনিক সকাল গ্রাফিক্স

নিউজ ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:২৪

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।

একই নির্দেশনা সরকারি নথিপত্র, সারসংক্ষেপ উপস্থাপন এবং দাপ্তরিক চিঠিপত্রের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং সেগুলোর অধীন দপ্তর ও সংস্থাকে নতুন সিদ্ধান্ত অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

ফলে এখন থেকে দাপ্তরিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদবির আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা হবে না।