মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাসছে অবৈধ ইটভাটার মালিক , দূষণে ভারী হচ্ছে পরিবেশ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনায় অবাধে চলছে অবৈধ ইটভাটা। উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ডিপা গুঞ্জা (টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে) দিয়ে ভাটা পরিচালনা করার দাবী মালিক পক্ষের। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবী মামলা জটিলতার কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না ইটভাটা। প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জেলার ৪০টি ইটভাটার মধ্যে এ বছর চালু আছে ৩২টি। মৌসুমের শুরুতে প্রশাসন […]

হাসছে অবৈধ ইটভাটার মালিক , দূষণে ভারী হচ্ছে পরিবেশ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯:৪৪

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনায় অবাধে চলছে অবৈধ ইটভাটা। উপজেলা, জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরকে ডিপা গুঞ্জা (টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করে) দিয়ে ভাটা পরিচালনা করার দাবী মালিক পক্ষের। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবী মামলা জটিলতার কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না ইটভাটা।

প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে জেলার ৪০টি ইটভাটার মধ্যে এ বছর চালু আছে ৩২টি। মৌসুমের শুরুতে প্রশাসন ছয়টিতে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করেন। এগুলো এখন ইট পোড়ানোর কর্যক্রম চালুও আছে।

কিন্তু বন্ধ করার কোন ব্যবস্থা নেয়নি। এতে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয় না। এতে হাঁসি থাকে অবৈধ ভাটার মালিকদের দূষণে ভারী হয় পরিবেশ। 

এদিকে স্থানীয় দপ্তর ম্যানেজ করে সরকারী ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির উপরিভাগ, খাস পতিত জমি, নদীর চর, বিল ও খালের মাটি নেওয়া হচ্ছে ইটভাটায়। এসব মাটি পরিবহনে প্রতিনিয়ত ট্রাক্টর চলাচল করায় গ্রামীণ রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে। ইটভাটার ধোঁয়ায় আশপাশের পরিবেশের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ফসলি জমি হারাচ্ছে উর্বরতা। 

জেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও ইটভাটার সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, জেলার নয়টি উপজেলায় ৪০টি ইটভাটা আছে। এবছর ৩২টি ভাটা ইট উৎপাদন কাজ করছে। এর মধ্যে ৪টি ভাটার পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র আছে। বাকী ২৮টি ভাটা অবৈধ থেকেই ইট তৈরির কাজ করছে। প্রতিটি ভাটায় ৩০০-৪০০ শ্রমিক কাজ করে। ফলে ১০-১২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হয়। প্রতিটি ভাটায় ৬৫লাখ থেকে ১কোটি পিসের বেশী ইট উৎপাদন হয়। 

উচ্চ আদালতে আদেশের তথ্য মতে, পরিবেশবাদী সংগঠন “হিউম্যান রাইট’স অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ” এর পক্ষে ২০২৩ সালে ১০ নভেম্বর উচ্চ আদালতে রিট করা হয়। বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই বছর ১৩নভেম্বর দেশের অবৈধ সব ইটভাটা বন্ধ করতে আদেশ দেন।

এ আদেশে মন্ত্রীপরিষদ সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও পরিবেশ সচিবকে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিতে বলা হয়। অন্যান্য এলাকায় কিছু ইটভাটা বন্ধ করা হলেও নেত্রকোনার কোতাও প্রশাসন তা কার্যকর করেনি। 

পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০১৩ সালের ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইনের ৪ধারায় বলা আছে, ইটভাটা যে জেলায় অবস্থিত, সেখানকার জেলা প্রশাসকের লাইসেন্স গ্রহণ ছাড়া কোনো ব্যক্তি ইটভাটা স্থাপন ও ইট প্রস্তুত করতে পারবেন না।

ওই আইনের ৮(১) ধারায় বলা আছে, ছাড়পত্র থাকুক বা না থাকুক, আইন কার্যকরের পর আবাসিক বাণিজ্যিক ও সংরক্ষিত এলাকা, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা বা উপজেলা সদর, সরকারি বা ব্যক্তি মালিকানাধীন বন, অভয়ারণ্য, বাগান, জলাভূমি, কৃষিজমি এবং বিশেষ কোনো স্থাপনা, রেলপথ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিক,

গবেষণা প্রতিষ্ঠান, অনুরূপ কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এক কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে ভাটা স্থাপন করা যাবে না। কিন্তু এর নিয়ম মানা হয়নি ইটভাটা গুলোতে। এসব ইটভাটা থেকে জনবসতি, বাজার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দূরত্ব খুবই কম। 

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, নেত্রকোনা সদর উপজেলা সহ ৯টি উপজেলার অধিকাংশ ভাটার পাশেই ফসলি জমি, বিদ্যালয়, কলেজ, বাজার, স্বাস্থ্য কেন্দ্র, সড়ক, রেললাইন ও জনবসতি এগুলোর কোন একটি আছে। জেলার আটপাড়া মাটিকাটা গ্রামের কাঞ্চন ও স্কুল শিক্ষার্থী সাব্বির ও তাজবীদ সহ অনেকেই বলেন, নেহল ব্রিকস নামে ইটভাটার ধুলাবালিতে তাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকটি ইটভাটার মালিক পক্ষের প্রতিনিধি বলেন, ভাটা পরিচালনা করতে অনেক কষ্ট হয়। সাংবাদিকদের টাকা না দিলে প্রশাসন দিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করে। আবার সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকটি অফিসকে ডিফা গুঞ্জা (টাকা) দিয়ে ম্যানেজ করে রাখতে হয়। 

কেন্দুয়ার ভগবতীপুর গ্রামের অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, রাস্তা ও বসতবাড়ির আশপাশে ইটভাটার ধুলাবালি ও কয়লার কণা ওড়ে। এতে শিশু ও বয়স্করা শ্বাসকষ্ট সহ নানা রোগে ভুগছে। ফল গাছের ফলনও, ফসলী জমিতে ধান ও সবজীর ফলন কমে গেছে। গত বছর প্রশাসন “ঢাকা ব্রিক’স” নামের ইটভাটাটি বন্ধ করলেও পরদিন মালিক পক্ষ আবার চালু করে।

প্রশাসনকে জানিয়ে লাভ হয় না। উল্টো ভাটার মালিক পক্ষের হুমকি ধামকিতে এলাকা থাকাই কঠিন হয়ে পড়ে। প্রশাসন ভ্রাম্যমান আদালতের নামে জনসাধারণের সাথে তামাশা করে। সরকারের উচ্চ মহল কাছে এসব অবৈধ ইটভাটা বন্ধে হস্তক্ষেপ কামনা করছি। 

নেত্রকোনা ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, জেলার ইটভাটায় প্রায় দশ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সাথে সমসংখ্যক পরিবারের জীবিকাও নির্বাহ হচ্ছে। আমি মনে করি সরকার নীতিমালা সহজ করে ইটভাটা শিল্পকে রক্ষা করতে উদ্যোগ নিবে। 

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির নেটওয়ার্ক (বেলা) সদস্য ও এআরএফবি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার খান বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের বিদি মোতাবেক যে সমস্ত ইটভাটা চলতে পারবে না সেগুলো প্রশাসনের বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

নেত্রকোনা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মতিন বলেন, জেলায় ৩২টি ইটভাটা চালু আছে। এর মধ্যে ৪টির পরিবেশের ছাড়পত্র রয়েছে। এ বছর কেন্দুয়া ৪টি, মদনে ২টি ও আটপাড়ায় ২টি ভাটায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। মামলা জটিলতার কারণে অবৈধ ভাটা গুলো বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে অভিযান অব্যাহত থাকবে। 

নেত্রকোনার জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান বলেন পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে অবৈধ ঈদ বাটায় নিয়মিত ব্রাহ্মণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করছে। সরকারি জমি এবং নদী ও বিলের অংশ থেকে ইটভাটায় মাটি নেওয়ার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।