বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একতরফা নির্দেশনার বিরুদ্ধে গবি প্রাণরসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) কর্তৃক বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য জারিকৃত সাম্প্রতিক নির্দেশনার একটি বিশেষ ধারার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। উক্ত নির্দেশনার প্রতি গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে বৈষম্যমূলক হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের আপত্তি তুলে ধরেছেন। গত ৫ জানুয়ারি জারি করা […]

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একতরফা নির্দেশনার বিরুদ্ধে গবি প্রাণরসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৫৬

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি:

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) কর্তৃক বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য জারিকৃত সাম্প্রতিক নির্দেশনার একটি বিশেষ ধারার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

উক্ত নির্দেশনার প্রতি গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে বৈষম্যমূলক হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের আপত্তি তুলে ধরেছেন।

গত ৫ জানুয়ারি জারি করা ওই নির্দেশনায় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার রিপোর্টে কেবলমাত্র এমবিবিএস রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করায় এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

প্রতিবাদ বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, ডায়াগনস্টিক রিপোর্টে স্বাক্ষর প্রদান কোনো ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয়মূলক সিদ্ধান্ত নয়। এটি মূলত পরীক্ষার পদ্ধতিগত যথার্থতা, মান নিয়ন্ত্রণ, বিশ্লেষণী নির্ভুলতা এবং ফলাফলের দায়ভার গ্রহণের একটি পেশাগত দায়িত্ব।

সেই দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বীকৃত একাডেমিক যোগ্যতা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের ওপর ন্যস্ত হওয়াই যুক্তিসংগত বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, Clinical Biochemist সহ ল্যাবরেটরি-ভিত্তিক বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ যেমন Clinical বা Medical Biochemist, Histopathologist, Hematologist, Microbiologist এবং Clinical Pathologist দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাক্রম ও কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রি-অ্যানালাইটিক্যাল,

অ্যানালাইটিক্যাল ও পোস্ট-অ্যানালাইটিক্যাল ধাপে দক্ষতা অর্জন করেন। বাংলাদেশের বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা অনুযায়ী, এসব বিশেষজ্ঞ দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ পেশাগত সীমার মধ্যে পরীক্ষার রিপোর্টে স্বাক্ষর দিয়ে আসছেন, যা কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এই নীতির স্বীকৃতি রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্দেশিকা, আইএসও ১৫১৮৯ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ল্যাবরেটরি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পরীক্ষার রিপোর্টে স্বাক্ষরের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয় বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে,

কেবলমাত্র মেডিকেল ডিগ্রির ওপর নয়। সে কারণে উক্ত নির্দেশনাটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবাদ বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, এই নির্দেশনা কার্যকর হলে ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হবে এবং একই সঙ্গে সংবিধানস্বীকৃত পেশাগত সমতা ও ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থীভাবে একটি বৃহৎ ও দক্ষ পেশাজীবী শ্রেণিকে প্রান্তিক করে তোলার ঝুঁকি তৈরি হবে। এটি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক স্বার্থের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তারা মনে করেন।

সবশেষে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান, বিতর্কিত ধারাটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করে বিদ্যমান আইন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, পেশাগত ন্যায়বিচার ও জনস্বার্থের আলোকে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন ও পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত নীতিনির্ধারণ নিশ্চিত করা হোক।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।