রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একতরফা নির্দেশনার বিরুদ্ধে গবি প্রাণরসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) কর্তৃক বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য জারিকৃত সাম্প্রতিক নির্দেশনার একটি বিশেষ ধারার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। উক্ত নির্দেশনার প্রতি গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে বৈষম্যমূলক হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের আপত্তি তুলে ধরেছেন। গত ৫ জানুয়ারি জারি করা […]

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একতরফা নির্দেশনার বিরুদ্ধে গবি প্রাণরসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭:৫৬

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি:

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) কর্তৃক বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের জন্য জারিকৃত সাম্প্রতিক নির্দেশনার একটি বিশেষ ধারার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

উক্ত নির্দেশনার প্রতি গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে বৈষম্যমূলক হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের আপত্তি তুলে ধরেছেন।

গত ৫ জানুয়ারি জারি করা ওই নির্দেশনায় ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার রিপোর্টে কেবলমাত্র এমবিবিএস রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক করার বিধান অন্তর্ভুক্ত করায় এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

প্রতিবাদ বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা উল্লেখ করেন, ডায়াগনস্টিক রিপোর্টে স্বাক্ষর প্রদান কোনো ক্লিনিক্যাল ডায়াগনোসিস বা রোগ নির্ণয়মূলক সিদ্ধান্ত নয়। এটি মূলত পরীক্ষার পদ্ধতিগত যথার্থতা, মান নিয়ন্ত্রণ, বিশ্লেষণী নির্ভুলতা এবং ফলাফলের দায়ভার গ্রহণের একটি পেশাগত দায়িত্ব।

সেই দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্বীকৃত একাডেমিক যোগ্যতা, বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ ও ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পেশাজীবীদের ওপর ন্যস্ত হওয়াই যুক্তিসংগত বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, Clinical Biochemist সহ ল্যাবরেটরি-ভিত্তিক বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ যেমন Clinical বা Medical Biochemist, Histopathologist, Hematologist, Microbiologist এবং Clinical Pathologist দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাক্রম ও কাঠামোবদ্ধ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পরীক্ষার প্রি-অ্যানালাইটিক্যাল,

অ্যানালাইটিক্যাল ও পোস্ট-অ্যানালাইটিক্যাল ধাপে দক্ষতা অর্জন করেন। বাংলাদেশের বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা অনুযায়ী, এসব বিশেষজ্ঞ দীর্ঘদিন ধরে নিজ নিজ পেশাগত সীমার মধ্যে পরীক্ষার রিপোর্টে স্বাক্ষর দিয়ে আসছেন, যা কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত।

শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এই নীতির স্বীকৃতি রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নির্দেশিকা, আইএসও ১৫১৮৯ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ল্যাবরেটরি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী পরীক্ষার রিপোর্টে স্বাক্ষরের যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয় বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে,

কেবলমাত্র মেডিকেল ডিগ্রির ওপর নয়। সে কারণে উক্ত নির্দেশনাটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলেও উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবাদ বিবৃতিতে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়, এই নির্দেশনা কার্যকর হলে ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি ব্যবস্থাপনায় অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টি হবে এবং একই সঙ্গে সংবিধানস্বীকৃত পেশাগত সমতা ও ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থীভাবে একটি বৃহৎ ও দক্ষ পেশাজীবী শ্রেণিকে প্রান্তিক করে তোলার ঝুঁকি তৈরি হবে। এটি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক স্বার্থের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে তারা মনে করেন।

সবশেষে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান, বিতর্কিত ধারাটি অবিলম্বে প্রত্যাহার করে বিদ্যমান আইন, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, পেশাগত ন্যায়বিচার ও জনস্বার্থের আলোকে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়ন ও পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বাস্তবসম্মত নীতিনির্ধারণ নিশ্চিত করা হোক।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।