বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

জাতীয় নির্বাচনে শিবিরের সাফল্য কাজে লাগাতে চায় জামায়াত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ছাত্ররাজনীতিতে ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত প্যানেলের স্পষ্ট আধিপত্য আবারও আলোচনায় এসেছে। একের পর এক দেশের শীর্ষ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মধ্য দিয়ে যে ‘শিবির প্রভাব’ তৈরি হয়েছে, তা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কাজে লাগানোর কৌশল নিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই লক্ষ্যেই বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৪৭

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ছাত্ররাজনীতিতে ইসলামী ছাত্রশিবির–সমর্থিত প্যানেলের স্পষ্ট আধিপত্য আবারও আলোচনায় এসেছে। একের পর এক দেশের শীর্ষ পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মধ্য দিয়ে যে ‘শিবির প্রভাব’ তৈরি হয়েছে, তা আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে কাজে লাগানোর কৌশল নিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

এই লক্ষ্যেই বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জামায়াত তাদের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেয়। পুনর্গঠিত কমিটিতে ইসলামী ছাত্রশিবির–এর সদ্য বিদায়ী একাধিক কেন্দ্রীয় সভাপতিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা সাম্প্রতিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ নির্বাচন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ছাত্রসংসদ নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে শিবিরের প্রার্থীদের পক্ষে। সেই অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে জাতীয় নির্বাচনে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কমিটিতে যুব ও শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিত্বও নিশ্চিত করা হয়েছে। দলটির নেতারা বলছেন, জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় তরুণ সমাজ ও শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যালট বাক্সে যে পরিবর্তনের বার্তা মিলেছে, সেটিকে জাতীয় নির্বাচনে পৌঁছে দিতেই জামায়াত সংগঠিতভাবে মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

অন্যান্য খবর

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় সরকার প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ ধারায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা আইনি […]

জুলাই যোদ্ধাদের আইনি সুরক্ষায় সরকার প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

২৩ জুন ২০২৬, ২১:০১

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘জুলাই যোদ্ধাদের’ জন্য প্রয়োজনীয় যেকোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৩০০ ধারায় দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম অভিযোগ করেন, জুলাই আন্দোলনের অংশগ্রহণকারীরা আইনি সুরক্ষা পেলেও রাজনৈতিক সুরক্ষা পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। তার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন আইনমন্ত্রী।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বর্তমান সরকার জুলাই আন্দোলন এবং এর অংশগ্রহণকারীদের আইনি কাঠামোর আওতায় এনে সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। তার মতে, এই আইনি সুরক্ষা রাজনৈতিক সুরক্ষারও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই চেতনায় বিশ্বাসী সরকার টেকসই সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আইনগত ব্যবস্থাকেই সবচেয়ে কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে।

আইনমন্ত্রী জানান, জুলাই যোদ্ধাদের জন্য অতিরিক্ত কোনো সুরক্ষা বা ব্যবস্থা প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে সংসদ সদস্যদের প্রস্তাব সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

অন্যান্য খবর

‘তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন’ : এনসিপি নেত্রী মনিরা শাররমিন

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতি’ অনুসরণ করছেন বলে মনে করেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ‘জাতীয় নারীশক্তি’-র […]

নিউজ ডেস্ক

২১ জুন ২০২৬, ১৮:৫৪

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার পথে রওনা হয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার (২১ জুন) দুপুর পৌনে ৩টায় তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইট ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তার এ সফরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতি’ অনুসরণ করছেন বলে মনে করেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ‘জাতীয় নারীশক্তি’-র কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি এমন দাবি করেন।

মনিরা শারমিন লিখেছেন, ‘নাহিদ ইসলাম যেন সবকিছুতেই এ জাতির কাণ্ডারি হয়ে উঠছেন। প্রথম বিদেশ সফর মালয়েশিয়া দ্বিতীয় সফর চীনে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন, মালয়েশিয়া হয়ে চীনে যাচ্ছেন।’

তবে নাহিদ ইসলামের ‘বিদেশনীতির’ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি পোস্টে।

‘তারেক রহমান বিদেশনীতিতে নাহিদ ইসলামের পথ অনুসরণ করছেন’

অন্যান্য খবর

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন […]

পাঁচ অভিযোগ থেকে খালাস পেলেন হাসানুল হক ইনু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৭:২১

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে তিনটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আটটি অভিযোগের মধ্যে পাঁচটিতে তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। অপর দুই সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে বলা হয়, তিন নম্বর অভিযোগে ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং পৃথকভাবে ১০ বছর করে সাজা দেওয়া হলেও সব দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় তাকে মোট ১০ বছর কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য, বিভিন্ন নথি ও আলামত উপস্থাপন করে। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় হাসানুল হক ইনু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) রায়ের কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করে।