শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ভারত যদি আওয়ামী লীগের চোখে বাংলাদেশ দেখে, তা এই প্রজন্মকে মিস রিডিং হবে : হাসনাত

ভারতকে বাংলাদেশের দিকে আওয়ামী লীগের দৃষ্টিতে নয়, জনগণের দৃষ্টিতে তাকাতে বলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে, সম্পর্ক হবে আপনাদের জনগণের সঙ্গে আমাদের জনগণের। ভারত যদি আওয়ামী লীগের দৃষ্টিতে বাংলাদেশকে দেখার চেষ্ট করে, তাহলে সেটা হবে এই প্রজন্মকে […]

নিউজ ডেস্ক

০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:২৯

ভারতকে বাংলাদেশের দিকে আওয়ামী লীগের দৃষ্টিতে নয়, জনগণের দৃষ্টিতে তাকাতে বলেছেন কুমিল্লা-৪ আসনের জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি বলেছেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে, সম্পর্ক হবে আপনাদের জনগণের সঙ্গে আমাদের জনগণের। ভারত যদি আওয়ামী লীগের দৃষ্টিতে বাংলাদেশকে দেখার চেষ্ট করে, তাহলে সেটা হবে এই প্রজন্মকে মিস রিডিং।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার গুনাইঘর উত্তর ইউনিয়নের বাকসার বাজার মসজিদের সামনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা দেখতে পেয়েছি ৬ মাসের দীর্ঘ পরিকল্পনায় হাদি ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। ভারত থেকে তাদের পুশ করা হয়েছে এবং কিলিং মিশন শেষ হওয়ার পর তাদের আবার ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলেও আমাদের দেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অথর্ব প্রশাসন, অথর্ব বিচার বিভাগ, গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রধান আসামিদের এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি।

হাসনাত বলেন, মৃত্যুর পূর্বে মানুষ অসিয়ত করে যায়। আমাদের হাদি ভাইও অসিয়ত করে গেছেন, যে আমাকে যদি মেরেও ফেলে যেন বিচারটুকু হয়। হাদির বিচারের দাবি শুধু শাহবাগে সীমাবদ্ধ নয়, এ দাবি এখন টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পৌঁছে গেছে। হাদি ভাই আমাদের শিখিয়ে গেছেন রাজনীতি কেমন হওয়া উচিত, আসলে রাজনীতি গণমানুষের হওয়া উচিত। হাদি ভাইয়ের সেই বার্তা নিয়ে রাজনীতি গণমানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

রাজনীতি যখন গণমানুষ থেকে আলাদা করা হয়, তখন সেটা রাজনীতি থাকে না, সেটা হয়ে যায় ক্ষমতারনীতি। আমরা রাজনীতি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাইছি এবং সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের নির্বাচন, আমাদের রাজনীতি, আমাদের ইনসাফের কর্মকাণ্ড সবকিছু আমরা জনগণমুখী করার চেষ্টা করছি। আমরা শহীদ শরিফ ওসমান হাদি ভাইয়ের হত্যার বিচার নিশ্চিত হওয়া না পর্যন্ত আমাদের লড়াই চালিয়ে যাব।

হাসনাত আবদুল্লাহ জনতার উদ্দেশে বলেন, আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষ হয়েছে। একটি গোলামির পক্ষ এবং আরেকটি আজাদি বা স্বাধীনতার পক্ষ। অবশ্যই ইনসাফ ও স্বাধীনতার পক্ষে আমরা অবস্থান নেব। আমরা দুর্নীতি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেব।

এ সময় তিনি আরও বলেন, যারা ঋণখেলাপি করে বিদেশে রেখে নিজের সন্তানদের লেখাপড়া করায় আমরা সেসব ঋণখেলাপির বিরুদ্ধে অবস্থান নেব। জনগণের টাকা মেরে দিয়ে জনসেবা করার প্রয়োজন নাই। প্রয়োজনে ভিক্ষা লাগলে জনগণের কাছে আসুন, আমরা ভিক্ষা তুলে দিয়ে সেই টাকা পরিশোধ করার চেষ্টা করব।

জনগণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমাদের মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু ইনসাফের পক্ষে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকব।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠানে দেবিদ্বার উপজেলা জামায়াত ও এনসিপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৫