শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মনোনয়ন যাচাইয়ে গাজীপুরে বড় ধাক্কা, বাদ পড়লেন ১৯ প্রার্থী

মোঃআতেফ ভূঁইয়া গাজীপুর সদর প্রতিনিধি: আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে গাজীপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ আলম হোসেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত যাচাই-বাছাই শেষে এসব সিদ্ধান্তের […]

মনোনয়ন যাচাইয়ে গাজীপুরে বড় ধাক্কা, বাদ পড়লেন ১৯ প্রার্থী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:০৯

মোঃআতেফ ভূঁইয়া গাজীপুর সদর প্রতিনিধি:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে গাজীপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট ১৯ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শনিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত গাজীপুর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোঃ আলম হোসেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ভাওয়াল সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত যাচাই-বাছাই শেষে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

গাজীপুর-১ (কালিয়াকৈর) আসনে যাচাই-বাছাইয়ে দুইজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যথাযথ ডকুমেন্ট সাবমিট না করায় জাতীয় পার্টির শফিকুল ইসলাম ও গণফ্রন্টের মোঃ আতিকুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়।

গাজীপুর-২ আসনে সর্বাধিক আটজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এক শতাংশ ভোটারের বৈধ সমর্থন না থাকায় মোঃ আতিকুল ইসলাম, খন্দকার রুহুল আমিন, জিত বড়ুয়া ও তাপসী তন্ময় চৌধুরীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। নির্ধারিত ফলকনামায় তথ্য সঠিকভাবে উল্লেখ না করায় গণঅধিকার পরিষদের মাহফুজুর রহমান খানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। যথাযথ হলফনামা দাখিল না করায় জাতীয় পার্টির ইসরাফিল মিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়। ফলকনামা ও অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষরের ঘাটতির কারণে শরিফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয় এবং ফলকনামা সঠিকভাবে দাখিল না করায় স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন সরকারের মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে গাজীপুর-৩ (শ্রীপুর) আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। কাগজপত্রে ত্রুটি ও নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় যাচাই-বাছাই শেষে এসব মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত আসে।

গাজীপুর-৪ আসন কাপাসিয়ায় মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেয়৷ এদের মধ্যে থেকে যাচাই-বাছাই শেষে ৪ জনের মনোনয়ন বাতিল করেছেন৷ ১ শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর না থাকায় সতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ শফিউল্লাহর মনোনয়ন বাতিল, ৩০০ টাকার জুডিশিয়াল ট্যাম্পে হলফনামা দাখিল না করায় এবং স্বাক্ষর না থাকা ও দলীয় অঙ্কিকার নামা না থাকায় আমজনতা দলের প্রার্থী মো. জাকির হোসেনের মনোনয়ন বাতিল, ৩০০ টাকার জুডিশিয়াল ট্যাম্পে হলফনামা দাখিল না করায় ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. কাজিম উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল, ইনকাম ট্যাক্সের পাওনা আপত্তি ও কয়েকজন ভোটারদের স্বাক্ষর না থাকায় সতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল হাসেমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

গাজীপুর ৫ আসনে ৮ জন মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। তাদের মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে ২ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। মনোনয়ন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করতে না পারায় বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী ডা: শফিউদ্দিন সরকারের মনোনয়ন বাতিল। প্রস্তাবকারীর ভোটার আইডিকার্ডের তথ্য ভুল থাকায় বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের প্রার্থী গাজী রুহুল আমীন কাসেমীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে গাজীপুরের এই তিনটি আসনে একদিনেই ১৩ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় জেলার নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের ফলে নির্বাচনে কেবল নিয়মতান্ত্রিক ও যোগ্য প্রার্থীরাই মাঠে টিকে থাকবেন।

গাজীপুর জেলা জেলা প্রশাসক ও রির্টানিং অফিসার মোহাম্মদ আলম হোসেন প্রার্থীদের প্রতি অনুরোধ করে বলেন, প্রার্থীরা লিখিতভাবে অঙ্কিকার নামা দিয়েছেন। সুতরাং আপনারা এটি মেনে চলবে। এটি না মালনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ প্রতীক বরাদ্দের আগে কেউ প্রচরণা করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।