রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীদের ভাবনা: নতুন স্বপ্নে ডানা মেলছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

আবু তাহের, জাককানইবি সময়ের স্রোতে আরেকটি বছর শেষ হয়ে ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে ঝরে পড়ছে অতীতের দিনগুলো। আনন্দ–বেদনা, সাফল্য–ব্যর্থতার নানা স্মৃতি সঙ্গী করে বিদায় নিচ্ছে পুরোনো বছর, আর নতুন প্রত্যাশা নিয়ে আগমনী বার্তা দিচ্ছে নতুন বছর। শীতের কুয়াশামাখা সকালের সূর্য যেন নতুন আশার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে চারপাশে। ক্যালেন্ডারের নতুন পাতার সঙ্গে সঙ্গে সবার কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে […]

শিক্ষার্থীদের ভাবনা: নতুন স্বপ্নে ডানা মেলছে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:১৮

আবু তাহের, জাককানইবি

সময়ের স্রোতে আরেকটি বছর শেষ হয়ে ক্যালেন্ডারের পাতা থেকে ঝরে পড়ছে অতীতের দিনগুলো। আনন্দ–বেদনা, সাফল্য–ব্যর্থতার নানা স্মৃতি সঙ্গী করে বিদায় নিচ্ছে পুরোনো বছর, আর নতুন প্রত্যাশা নিয়ে আগমনী বার্তা দিচ্ছে নতুন বছর। শীতের কুয়াশামাখা সকালের সূর্য যেন নতুন আশার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে চারপাশে। ক্যালেন্ডারের নতুন পাতার সঙ্গে সঙ্গে সবার কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

নতুন বছর মানে নতুন স্বপ্ন, নতুন লক্ষ্য আর সামনে এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয়। সেই প্রত্যয়ের ছোঁয়া লেগেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও। পুরোনো বছরের ক্লান্তি ও স্থবিরতা ঝেড়ে ফেলে নতুন উদ্যমে একাডেমিক কার্যক্রমে আরও সক্রিয় হওয়ার পরিকল্পনা করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের চায়ের আড্ডায় এখন আলোচনার মূল বিষয়—কেমন কাটবে নতুন বছর? কার পরিকল্পনাই বা কী?

সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী জায়েদ আহাম্মদ বলেন, ‘২০২৬-এর প্রথম সূর্যোদয় আমাদের হৃদয়ে নতুন উদ্যমে পথচলার আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তুলছে। বিগত বছরের অপ্রাপ্তি আর ভুলগুলো যেনো এবার অভিজ্ঞতার পাথেয় হয়ে সাফল্যের ফুল হয়ে ফুটে ওঠে। নতুন বছরে ব্যক্তিগত প্রাপ্তির চেয়েও বড় প্রার্থনা হোক রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক শান্তি। আমি স্বপ্ন দেখি এক মানবিক ও সহনশীল সমাজের, যেখানে মানুষের পরিচয় হবে কেবল তার কর্ম ও যোগ্যতায়; পাড়ায়-মহল্লায় সুদৃঢ় হবে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন।

​রাজনীতিতে প্রতিহিংসা ভুলে আসুক গঠনমূলক আলোচনার সংস্কৃতি, যাতে রাষ্ট্রযন্ত্র সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গায় পরিণত হয়। একইসাথে শিক্ষাব্যবস্থায় আসুক ইতিবাচক পরিবর্তন; জিপিএ-র পেছনে না ছুটে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেনো সৃজনশীল ও নৈতিক শিক্ষায় বলীয়ান হয়ে আগামীর সৎ নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে ওঠে।

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘নতুন বছর ২০২৬ আমাদের সামনে হাজির হোক অপার আশাবাদ ও সম্ভাবনার বার্তা নিয়ে। এটি হোক এমন এক স্বপ্নময় বছর, যেখানে প্রত্যেক শিক্ষার্থী নতুন জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তুলবে সমাজের আলোকবর্তিকা হিসেবে। আমি চাই এমন একটি সকাল,যেখানে সোনালি রোদের আলোয় শুরু হবে পড়াশোনার সুশৃঙ্খল রুটিন, আর প্রতিটি শিক্ষার্থী নতুন দক্ষতার আয়নায় নিজেকে আবিষ্কার করবে ডিজিটাল বিশ্বের আত্মবিশ্বাসী নাগরিক হিসেবে।

আমাদের প্রত্যাশার শিক্ষাব্যবস্থা হবে দক্ষতাভিত্তিক ও যুগোপযোগী। সেখানে থাকবে বাস্তবমুখী ও দক্ষতামূলক শিক্ষাক্রম, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ডিজিটাল ক্লাসরুমের ব্যাপক সম্প্রসারণ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত গবেষণার সুযোগ এবং পর্যাপ্ত শিক্ষাবাজেটের কার্যকর বৃদ্ধি। পাশাপাশি শিক্ষকদের জন্য থাকবে উন্নত ও ধারাবাহিক প্রশিক্ষণের সুব্যবস্থা, যাতে তাঁরা সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারেন।

২০২৬ হোক সেই বছর—যেখানে শিক্ষা শুধু পরীক্ষার ফলাফলে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং তা হয়ে উঠবে দক্ষতা, চিন্তাশক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলার শক্তিশালী মাধ্যম।’

হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থী সারায়েত জামান বলেন, ‘নতুন বছর নিয়ে নিজের প্রত্যাশার কথা জানিয়ে আমি বলেছি, নতুন বছর আমার কাছে কেবল সময়ের পরিবর্তন নয়, বরং নতুনভাবে ভাবা ও নিজেকে গড়ে তোলার সুযোগ। আমি চাই এই বছর হোক আত্মবিশ্বাসে ভরপুর, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্ত হবে দায়িত্বশীল ও সাহসী। সততা ও নৈতিকতাকে সামনে রেখে নিজের কাজ এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে। নতুন বছরে নিয়মিত শেখার মাধ্যমে নিজেকে আরও দক্ষ করে তুলতে চাই। একই সঙ্গে দেশের জন্য কিছু করার, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার ইচ্ছাও নতুন বছরে আরও দৃঢ় হয়েছে। বিশেষ করে সচেতনতা, সত্যনিষ্ঠতা ও দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার কাজে নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে চাই। সময়ের সঠিক ব্যবহার করে ব্যক্তিগত লক্ষ্য পূরণের পাশাপাশি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার অগ্রাধিকার। সব মিলিয়ে নতুন বছর হোক আত্মউন্নয়ন, দেশপ্রেম ও অগ্রগতির প্রতীক।’

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তাসকেরাতুন নূর বর্না বলেন, ‘আমরা চলিব পশ্চাতে ফেলি পচা অতীত, গিরি-গুহা ছাড়ি খোলা প্রান্তরে গাহিব গীত

অতীতকে আকড়ে ধরা নয়, বরং অতীত  থেকে  শিক্ষা গ্রহণের মধ্যদিয়ে নতুন উদ্দমে পথ চলাই হোক আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।

সকল একাকিত্ব ও হতাশার গ্লানি মুছে নতুন বছরের পথচলা হউক সম্ভাবনাময় এবং প্রাণচঞ্চল।

আমি চাই যেন আমাদের দেশ একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, ন্যায়ানুগ সমাজে রূপান্তরিত হয়,যেখানে আইনশৃঙ্খলা জননিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য প্রতিপালক।

এমন শিক্ষা ব্যবস্থা আশাকরি যা তরুণ প্রজন্মকে স্বনির্ভর করে তুলবে।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।