মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

প্রথম আলো বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চেয়ে ‘মতাদর্শিক রাজনীতিতে’ সক্রিয় : মির্জা গালিব

দেশের শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলো বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চেয়ে মতাদর্শিক রাজনীতিতে বেশি সক্রিয়—এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব। মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে ড. গালিব বলেন, প্রথম আলো দীর্ঘদিন ধরে এমন এক সম্পাদকীয় রাজনীতি অনুসরণ করছে, যা কার্যত ক্ষমতাসীন […]

প্রথম আলো বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চেয়ে ‘মতাদর্শিক রাজনীতিতে’ সক্রিয় : মির্জা গালিব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৩:০৫

দেশের শীর্ষ দৈনিক প্রথম আলো বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চেয়ে মতাদর্শিক রাজনীতিতে বেশি সক্রিয়—এমন মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে ড. গালিব বলেন, প্রথম আলো দীর্ঘদিন ধরে এমন এক সম্পাদকীয় রাজনীতি অনুসরণ করছে, যা কার্যত ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর রাজনৈতিক অবস্থানকে বৈধতা দেওয়ার ভূমিকা রাখছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশকে ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ কিংবা ‘ইসলামী মৌলবাদের ঝুঁকি’ হিসেবে উপস্থাপন করে যে ইসলামোফোবিক সেকুলারিজম প্রতিষ্ঠার রাজনীতি আওয়ামী লীগ করে, প্রথম আলোর অবস্থানও তার থেকে খুব একটা আলাদা নয়। এই মিল প্রথম আলোর সম্পাদকীয় দৃষ্টিভঙ্গিতেই স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ড. গালিব আরও উল্লেখ করেন, The Dissident–এর একটি প্রতিবেদনে দেখা গেছে—জামায়াত বা হেফাজত সংশ্লিষ্ট সহিংসতার ঘটনায় প্রথম আলো খোলাখুলি ও আক্রমণাত্মক শব্দ ব্যবহার করে, যেমন ‘জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডব’, ‘হেফাজতের ধ্বংসযজ্ঞ’ কিংবা ‘বর্বরতা’। বিপরীতে, আওয়ামী লীগ–সংশ্লিষ্ট সহিংসতার ঘটনায় একই পত্রিকা সচেতনভাবে ভাববাচ্য প্রয়োগ করে দায় এড়িয়ে চলে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, এসব ঘটনায় ‘হামলা হয়েছে’, ‘ঘুমন্ত ব্যক্তির মৃত্যু’ কিংবা ‘বাসে আগুন’—এ ধরনের শব্দচয়ন দেখা যায়, যেখানে সরাসরি রাজনৈতিক দায় নির্ধারণ করা হয় না। তার মতে, এই ধরনের ভাষা ব্যবহার এক ধরনের ‘আমরা বনাম তারা’ রাজনীতিকে উসকে দেয়।

ড. গালিব বলেন, বাংলাদেশে যারা নিজেদের লিবারেল ও সেকুলার দাবি করেন, তাদের রাজনীতির বড় বৈশিষ্ট্য হলো ‘সিলেক্টিভ মোরালিটি’। তিনি অভিযোগ করেন, প্রথম আলোর কার্যালয়ে হামলার ঘটনা মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর বড় আঘাত হিসেবে তুলে ধরা হলেও নয়া দিগন্ত, দৈনিক সংগ্রাম বা আমার দেশ–এর অফিসে হামলার ঘটনায় একই মাত্রার প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। এতে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতার ক্ষেত্রেও দ্বিমুখী মানদণ্ড তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তবে তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো মতাদর্শের বিরোধিতা করতে গিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রথম আলোকে কঠোরভাবে সমালোচনা করা হলেও তাদের সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

পোস্টের শেষাংশে ড. গালিব বলেন, বাংলাদেশে সেকুলার ও ধার্মিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আদর্শিক ও সাংস্কৃতিক পার্থক্য থাকলেও দেশটি সবার। এই ভিন্নমতকে স্বীকার করেই একটি কমন গ্রাউন্ড তৈরির চেষ্টা করতে হবে। আর তার প্রথম শর্ত হলো—সহিংসতা পরিহার করে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনার পথে ফেরা। তিনি বলেন, এক পক্ষের গণমাধ্যমে হামলায় নীরবতা আর অন্য পক্ষের ঘটনায় উচ্চকণ্ঠ প্রতিবাদ—এই ‘সিলেক্টিভ মোরালিটি’ থেকে বেরিয়ে আসার এখনই সময়।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো। আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে […]

‘ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরলে আপনাকে ফোন দেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট, আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও না’- পার্থকে নিয়ে আজাদের স্ট্যাটাস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২১:২৮

ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ-সংক্রান্ত স্ট্যাটাস দেন তিনি। তার স্ট্যাটাসটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

আন্দালিব রহমান পার্থকে আমার ভালো লাগে তার সুন্দর বাচনভঙ্গির জন্য। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস যখন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছিলেন, তখন শুরুর দিকে একবার তাকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

সেই বৈঠকে তিনি প্রফেসর ইউনূসকে এমনভাবে কাজ করার অনুরোধ করেছিলেন, যাতে দেশে আর কখনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ফিরে আসতে না পারে। তিনি বলেছিলেন, ‘তারা যদি ফিরে আসে, আপনার জন্য তো স্যার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ফোন করবে। কিন্তু আমাদের জন্য ওসি কুদ্দুসও ফোন করবে না।’

তিনি এমনভাবে কথাগুলো বলেছিলেন যে, প্রফেসর ইউনূসসহ উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠেছিলেন। দেশের সংকটময় সময়েও নিজের স্বাভাবিক বাগ্মিতা ধরে রাখা সত্যিই প্রশংসনীয়। তবে আফসোসের বিষয়, পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকে তার দলকে দেখিনি। এমনকি জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাগুলোতেও তিনি ছিলেন অনুপস্থিত। ফলে তার বাগ্মিতা সরাসরি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ বেশি পাইনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় […]

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:০২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।

এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।’


‘মাহবুবুর রহমান, কাজ করেন পার্শ্ববর্তী পলাশী মার্কেটে, দুধ সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। আজ রাতে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের পার্শ্ববর্তী ফুটপাতে এক পথশিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় হাতেনাতে ধরা পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের হাতে।’

‘সিভিল সোসাইটির শর্তানুযায়ী কোনো ধরনের শারীরিক আঘাত ছাড়াই তাকে শাহবাগ থানায় আনা হয়, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমাকে ফোন দিয়ে জানায় এবং তৎক্ষণাৎ থানায় যাই। অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। তিনি জানান, শয়তানের প্ররোচনায় তিনি এ কাজ করেছেন। তিনি জানেন না তিনি কীভাবে এ কাজ করতে গিয়েছিলেন।’

‘বাচ্চা শিশুটার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি। সাধারণত ধর্ষণ চেষ্টায় খুব একটা সিগ্নিফিকেন্ট প্রমাণাদি থাকে না। কৌশলে জিজ্ঞেস করলে সে মোটামুটি স্বীকার করে, কিন্তু এটা কনক্রিট কোনো প্রমাণ না। মামলার খরচ চালানো, আইনি জটিলতা ইত্যাদির কারণে মামলার বাদী হিসেবে কেউ থাকতে না চাওয়ায় মামলা না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

‘যারা কথায় কথায় আইনের দোহাই দেন, এবার একটু চোখ খুলুন। দেখুন, আমি আইনের বাইরে যেতে পারিনি আজ! আইন কতভাবে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখেছে, দেখুন!’

সোশ্যাল মিডিয়া

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার। শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী […]

মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে কুমিরের কান্না বন্ধ করুন : আজাদ মজুমদার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:০৩

গত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনামলে অন্তত তিনবার কারাবরণ এবং ১১টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলার শিকার হওয়া বিএনপির বর্ষীয়ান নেতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে একটি মহল রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আজাদ মজুমদার।

শনিবার (১৪ মার্চ) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই সুবিধাবাদী রাজনীতির কড়া সমালোচনা করেছেন।

নিজের ফেসবুক পোস্টে আজাদ মজুমদার লেখেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্বৈরাচারী শাসনামলে মির্জা আব্বাসকে অন্তত তিনবার কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। সেই সরকার তাকে অন্তত ১১টি মামলায় জড়িয়েছিল, যার সবগুলোই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাপকভাবে পরিচিত।

তিনি উল্লেখ করেন, মির্জা আব্বাস একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও অতীতে সেই মানুষগুলোর কাছ থেকে একবিন্দু সহানুভূতি পাননি, যারা এখন তার জন্য কুমিরের কান্না কাঁদছেন। এর একমাত্র কারণ হলো, কোনো এক সমীকরণে বর্তমানে তিনি তাদের শত্রুর শত্রু।

মির্জা আব্বাস ও তার পরিবারের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি লেখেন, তার পরিবার যে মানসিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছে এবং তার জীবন থেকে যে মূল্যবান বছরগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তা তাদের ভুলে যাওয়ার কোনো কারণ নেই। এই ক্ষতগুলো বাস্তব এবং সুবিধাবাদী কোনো সহানুভূতি দিয়ে এই ইতিহাস মুছে ফেলা যাবে না।

সম্প্রতি মির্জা আব্বাসের অসুস্থতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলা আলোচনার সমালোচনা করে আজাদ মজুমদার বলেন, এখন কেউ কেউ ফায়দা লুটতে তার অসুস্থতার জন্য তার বর্তমান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করার চেষ্টা করছেন। এই ধরনের কূটতর্ক কারও কোনো উপকারে আসবে না, বিশেষ করে মির্জা আব্বাসের তো নয়ই।

লোক দেখানো ক্ষোভ বা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার পরিবর্তে এই মুহূর্তে মির্জা আব্বাসের জন্য সবার কাছে আন্তরিক দোয়া চেয়েছেন তিনি। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, যারা তাকে সত্যিকার অর্থে সম্মান করেন, তাদের আন্তরিক দোয়াই এখন তার প্রয়োজন। দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন, আব্বাস ভাই।