বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সীগঞ্জে জনপদে তরুণদের রক্তের বন্ধন

আক্কাছ আলী  (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন, এমন খবর পেলেই ছুটে যান তাঁরা। ঠিকানা নিয়ে পৌঁছে যান রোগীর হাসপাতালে। রক্ত দিয়ে ফেরেন হাসিমুখে। মুন্সীগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী  উপজেলার একদল তরুণ এভাবেই স্বেচ্ছায় রক্ত দেন। আবার প্রয়োজনীয় রক্ত রোগী ও স্বজনদের ব্যবস্থা করে দেন। এই তরুণেরা স্বেচ্ছায় রক্তদাতার সংগঠন টঙ্গীবাড়ী ব্লাড ফাউন্ডেশন  তৈরি করেছেন। স্বেচ্ছায় […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ নভেম্বর ২০২৪, ১০:৫১

আক্কাছ আলী  (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি :
মুমূর্ষু রোগীর জন্য রক্তের প্রয়োজন, এমন খবর পেলেই ছুটে যান তাঁরা। ঠিকানা নিয়ে পৌঁছে যান রোগীর হাসপাতালে। রক্ত দিয়ে ফেরেন হাসিমুখে। মুন্সীগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী  উপজেলার একদল তরুণ এভাবেই স্বেচ্ছায় রক্ত দেন। আবার প্রয়োজনীয় রক্ত রোগী ও স্বজনদের ব্যবস্থা করে দেন। এই তরুণেরা স্বেচ্ছায় রক্তদাতার সংগঠন টঙ্গীবাড়ী ব্লাড ফাউন্ডেশন  তৈরি করেছেন। স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে তাঁরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে যেন তৈরি করেছেন রক্তের বন্ধন।

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোঃ শাহিন শেখ সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রায় প্রতিদিনই এলাকার অনেক অসুস্থ রোগীর রক্তের প্রয়োজন হয়। তাঁর বন্ধু  শেখ শাহজাদ  আপু,রাকিব,আবু কয়েক জন মিলে এ বিষয়ে কিছু করার উদ্যোগ নেন। পরে তাঁরা ২০২৪ সালের ১লা এপ্রিল প্রতিষ্ঠা করেন টঙ্গীবাড়ি ব্লাড ফাউন্ডেশন । বর্তমানে ৬১৯ তরুণ রক্তদাতা সদস্য তালিকাভুক্ত রয়েছেন।
তাঁদের মধ্য থেকে ৬০ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাহী কমিটি সংগঠনের কার্যক্রম টঙ্গীবাড়ী  পরিচালনা করছে। রক্তদাতারা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করেন। মোঃ শাহিন শেখ বলেন, ‘আমাদের সংগঠনটি গঠন করার আগে এলাকার কারও রক্তের প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় রক্তের গ্রুপ জেনে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিতাম। তবুও মানুষ তেমন সাড়া দিত না। আর এখন টঙ্গীবাড়ি ব্লাড  ফাউন্ডেশন  সংগঠনটি  মানুষের ভরসার জায়গা হয়ে উঠেছে।’
টঙ্গীবাড়ী  উপজেলার দিঘীরপাড় গ্রামের আনোয়ারা  ২ বছর ধরে থ্যালাসেমিয়া ধরা পড়ে।  প্রতি মাসে আনোয়ারা এক ব্যাগ রক্ত দিতে হয়। আনোয়ারা  জন্য নিয়মিত রক্তদাতা জোগাড় করে দেয় টঙ্গীবাড়ী  ব্লাড ফাউন্ডেশন । আনোয়ারা  হোসেনের ছেলে আরিফ  বলেন, আমার মায়ের থ্যালাসেমিয়া ধরা পড়ার পর রক্ত জোগাড় করা কঠিন হয়ে গিয়েছিল।
আত্মীয়স্বজনের মধ্যে যোগাযোগ করেও রক্তের ব্যবস্থা হচ্ছিল না। পরে টঙ্গীবাড়ী  ব্লাড ফাউন্ডেশন  সংগঠনটির কথা জানতে পেরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এর পর থেকে আমাকে আর রক্তের চিন্তা করতে হয়নি। ব্লাড ব্যাংকের ভাইয়েরা আমার যে উপকার করছেন, তা আমি জীবনেও ভুলব না।’
বেসরকারি ক্লিনিকে সিজার রোগীকে রক্ত দিয়েছেন টঙ্গীবাড়ি  ব্লাড ফাউন্ডেশন  সদস্য সাজিদ আলম। তিনি দৈনিক সকালকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত আমি ৯ বার রক্ত দিয়েছি। রক্ত দিয়ে মানুষের জীবন বাঁচানো আমাদের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। আমার এক ব্যাগ রক্তে যদি কোনো মানুষের উপকার হয়, তাহলে ক্ষতি কী? রক্ত দেওয়ার পর রোগীর হাসিমাখা মুখ দেখে যে প্রশান্তি পেয়েছি, লাখ টাকা দিলেও ওই সুখ পেতাম না।’
টঙ্গীবাড়ি  ব্লাড ফাউন্ডেশন  নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক  বলেন, তাঁদের কাছে যে কেউ রক্ত চাইলে রোগীর ঠিকানা, হাসপাতাল বা ক্লিনিকের নাম জেনে নেন। এরপর ওই এলাকায় থাকা স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় রক্তের ব্যবস্থা করে দেন। ২০২৪ সাল থেকে রক্তদানের হিসাব তাঁরা লিখে রেখেছেন। সে হিসাবে তিন বছরে স্বেচ্ছায়  ৬১৯  ব্যাগ রক্ত দান করেছেন সংগঠনের সদস্যরা। ৭  মাসে এরই মধ্যে ৬১৯  ব্যাগ রক্তদান সম্পন্ন হয়েছে।
টঙ্গীবাড়ী  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা এক কর্মকর্তা দৈনিক সকাল কে বলেন, শরীরের লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল সর্বোচ্চ ১২০  দিন। তাই কেউ যদি রক্তদান না–ও করেন, তাহলে সেই রক্তকণিকা ১২০ দিন পর নষ্ট হয়ে শরীরের অন্যান্য উপাদানের সঙ্গে মিশে যায়। তাই সুস্থ মানুষের চার মাস পরপর রক্তদানে কোনো ক্ষতি নেই। আর টঙ্গীবাড়ী  তরুণদের রক্তদানের উদ্যোগ এখন  জনপদে দৃষ্টান্ত হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওই তরুণেরা রাতদিন, ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে মানুষের পাশে যান, রক্ত দেন। তাঁরা সত্যিকারের মানবপ্রেমী।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।