রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দাবি আদায়ে শিক্ষকদের কর্মবিরতি, ক্ষতিগ্রস্ত কোমলমতি শিক্ষার্থীরা

সাইফুল ইসলাম ,কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের ডাকে সারা দেশের মতো কলাপাড়ায়ও সহকারী শিক্ষকরা বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করে গতকাল সোমবার থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছেন। দাবি বাস্তবায়নে সরকার দৃশ্যমান অগ্রগতি না দেখায় আজ মঙ্গলবারও কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে। এতে উপজেলার সহকারী শিক্ষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মবিরতিতে অংশ নিয়েছেন। কর্মবিরতি চলমান থাকলেও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৩:০৪

সাইফুল ইসলাম ,কলাপাড়া প্রতিনিধিঃ 

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের ডাকে সারা দেশের মতো কলাপাড়ায়ও সহকারী শিক্ষকরা বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন করে গতকাল সোমবার থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছেন। দাবি বাস্তবায়নে সরকার দৃশ্যমান অগ্রগতি না দেখায় আজ মঙ্গলবারও কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

এতে উপজেলার সহকারী শিক্ষকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কর্মবিরতিতে অংশ নিয়েছেন।

কর্মবিরতি চলমান থাকলেও পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক সমাপনী পরীক্ষা যথারীতি শুরু হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও দপ্তরীর সহযোগিতায় পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

বিভিন্ন বিদ্যালয় পরিদর্শন করে দেখা যায় সহকারী শিক্ষকরা হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করলেও পরীক্ষায় অংশ না নিয়ে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে ‘পূর্ণদিবস কর্মবিরতি’ লেখা প্ল্যাকার্ড টেবিলে রেখে অবস্থান করছেন।

নীলগঞ্জ ইউনিয়নের লস্করপুর, মহিপুর ও মোয়াজ্জেমপুর বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা একইভাবে কর্মবিরতি পালন করছেন। এসব বিদ্যালয়ে পরীক্ষা নিচ্ছেন কেবল প্রধান শিক্ষকরা।

মোয়াজ্জেমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইসরাত রুনা, ফেরদৌস জাহান, সুমি আক্তার, কুলসুম আক্তার ও রোজিনা জানান, ২৭ নভেম্বর ২০২৫ থেকে তারা তাদের যৌক্তিক দাবির জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন, যা এখনো চলমান।

উপজেলার ১৭২টি বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ৩৪টিতে পূর্ণাঙ্গ প্রধান শিক্ষক রয়েছেন; ৬৪টিতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এবং ৭৪টি বিদ্যালয়ে চলতি দায়িত্বে প্রধান শিক্ষক আছেন তারা আরও বলেন, দশম গ্রেড বাস্তবায়ন, উচ্চতর গ্রেড প্রদান, শতভাগ পদোন্নতি—এ সকল দাবি ইতোমধ্যে সরকার প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিবেচনার আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়নের কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

৩০ নভেম্বর অনলাইনে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষাবর্জন ও কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

মোয়াজ্জেমপুর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খাদিজা বেগম চম্পা বলেন,

উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আমি একাই পরীক্ষা নিচ্ছি। সহকারী শিক্ষকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। তাদের দাবি আমি যৌক্তিক মনে করি।

একই বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষ সংকট থাকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা এক কক্ষে নিতে হচ্ছে বলে জানান তিনি। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের লস্করপুর বিদ্যালয়ে দেখা গেছে একই চিত্র—প্রধান শিক্ষক তহমিনা আক্তার রুবী একাই পরীক্ষা পরিচালনা করছেন। মহিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক তৃপ্তি রানী ভৌমিককে সহযোগিতা করছেন বিদ্যালয়ের দপ্তরি।

কর্মবিরতিতে থাকা সহকারী শিক্ষকরা বলেন,সরকার এখনই দাবিগুলো বাস্তবায়ন করলে আমরা পরীক্ষা নিতে ফিরে যাব। প্রয়োজনে শুক্র–শনিবারও পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এদিকে অনেক অভিভাবক মনে করছেন,

পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর আন্দোলনে গেলে শিক্ষার্থীদের ফলাফলের মান আরও নিশ্চিত হতো। বছরের পর বছর পাঠদান করা শিক্ষক পরীক্ষার সময় অনুপস্থিত থাকায় শিক্ষার্থীরা চাপের মুখে পড়ছে।

কর্মবিরতি ও পরীক্ষার পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষক নেতৃবৃন্দের সাথে আলোচনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউসার হামিদ দ্রুত সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়েছেন।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।