বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আইন-আদালত

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তারা জেলে ডিভিশন পেতে পারে কিন্তু সাব-জেল নয়

আওয়ামী লীগের বিগত সাড়ে ১৫ বছরের বিভিন্ন সময় গুমের শিকার ভুক্তভোগীরা বৈষম্যহীন ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন। তারা বলেন, অভিযুক্ত সেনা অফিসাররা আইন অনুযায়ী জেলে ডিভিশন পেতে পারে। কিন্তু সাব জেলের নামে কোনো বৈষম্য করা যাবে না। মানবতাবিরোধী অপরাধ গুমের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত অফিসারদের বুধবার হাজিরার পর সাংবাদিকদের নিকট এ দাবি জানান। এ সময় উপস্থিত […]

অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তারা জেলে ডিভিশন পেতে পারে কিন্তু সাব-জেল নয়

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ অক্টোবর ২০২৫, ১৩:৩৯

আওয়ামী লীগের বিগত সাড়ে ১৫ বছরের বিভিন্ন সময় গুমের শিকার ভুক্তভোগীরা বৈষম্যহীন ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেছেন। তারা বলেন, অভিযুক্ত সেনা অফিসাররা আইন অনুযায়ী জেলে ডিভিশন পেতে পারে। কিন্তু সাব জেলের নামে কোনো বৈষম্য করা যাবে না।

মানবতাবিরোধী অপরাধ গুমের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত অফিসারদের বুধবার হাজিরার পর সাংবাদিকদের নিকট এ দাবি জানান।

এ সময় উপস্থিত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) আব্দুল্লাহ হিল আমান আল আযমী, লেফটেন্যান্ট কনেল হাসিনুর রহমান প্রমুখ।

আয়না ঘরে দীর্ঘ ৮ বছর গুমের শিকার জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির অধ্যাপক গোলাম আযমের পুত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল্লাহ হিল আমান আল আযমী বলেন, অভিযুক্ত এ সব সেনা কর্মকর্তা রা বাহিনীর বাইরে র‌্যাবে এসে এসব অপরাধে জড়িয়েছেন। তাদের সংখ্যা এক শতাংশও নয়। তাই তাদের অপকর্মের জন্য পুরো সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে নিন্দা করা সমীচীন নয়।

তিনি বলেন, আমরা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িতদের কঠোর শাস্তি চাই।

উপস্থিত গুমের শিকার আরেক সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান বলেন, আসামিদের ব্যাপারে বৈষম্য করা ঠিক হবে না। অন্য আসামিদের মতই তাদেরও জেলে রাখতে হবে। যেমনটা রাখা হচ্ছে গ্রেফতারকৃত সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনকে। প্রয়োজনে তাদের ডিভিশন দেয়া যেতে পারে।

আইন-আদালত

শেখ হাসিনাকে বন্দি করে কয়েকদিন আমার অধীনে রাখা হয়েছিল : ট্রাইব্যুনালে আযমী

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪:৫২

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম ও নির্যাতনের মামলার শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহিল আমান আযমী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) ট্রাইব্যুনালে জেরার সময় তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামরিক শাসনামলে কিছুদিন তার অধীনে বন্দি ছিলেন।

বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার-এর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই জেরা অনুষ্ঠিত হয়। আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলুর প্রশ্নের জবাবে আযমী বলেন, ১৯৮৩ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে ঢাকার হেয়ার রোডের একটি বাড়িতে শেখ হাসিনাকে কয়েকদিন আটক রাখা হয়েছিল।

তিনি আরও জানান, ওই সময় আওয়ামী লীগের নেত্রী মতিয়া চৌধুরী ও সাহারা খাতুনকেও সেখানে রাখা হয়। মামলায় মোট ১৩ জন আসামি রয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে গ্রেপ্তার আছেন।

প্রসিকিউশন পক্ষের আইনজীবীরা এ মামলায় রাষ্ট্রের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করছেন। আদালতে এই জেরা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আইন-আদালত

ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান। হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৫:৪০

বিদায়ি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজ সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান।

হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে এ লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের সব উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

আইনি নোটিশের বিষয়টি নিজে ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘হামের মতো টিকাকরণের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে প্রাইভেট খাতে দেওয়ার অশুভ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে ড. ইউনূসসহ সব উপদেষ্টার দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেছি।’

আইন-আদালত

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন। শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, […]

ঋণ খেলাপি যে দলেরই হোক না, কোন ছাড় নেই, আসলাম চৌধুরীর রায় মাইলফলক হয়ে থাকবে: শিশির মনির

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৩:১৪

ঋণখেলাপির অভিযোগে চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপির বিজয়ী প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে ‘যুগান্তকারী’ ও ‘মাইলফলক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে আপিল বিভাগের রায়ের প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশির মনির বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়েছে যে ঋণখেলাপিরা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পাবেন না। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে ঋণখেলাপিদের কারণে দেশের ব্যাংকিং খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাই আপিল বিভাগের এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, তার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া উচিত নয়। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে বিদ্যমান আইন যথাযথভাবে কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।

এক প্রশ্নের জবাবে শিশির মনির বলেন, প্রচলিত আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আসনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় এবং নির্বাচন কমিশনের আইনগত পদক্ষেপের ওপর।

উল্লেখ্য, আপিল বিভাগ ঋণখেলাপির অভিযোগে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করায় তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন না। আদালতের এ রায়ের পর চট্টগ্রাম-৪ আসনের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।