রোকুনুজ্জামান, জবি
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনের নীতিমালা সংশোধনের সব ধাপ শেষ হয়েছে এবং তা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও বৈঠকে সবকিছু চূড়ান্ত করে অনুমোদন করেছে। এখন শুধু রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের অপেক্ষা, যা প্রদান করলেই জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে আর কোনো আইনি বাধা থাকবে না।
মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকের বিষয়ে জকসু নীতিমালা কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন বিষয়টি দৈনিক সকালের প্রতিনিধিকে নিশ্চিত করেছেন।
অধ্যাপক বিলাল বলেন, “জকসু নীতিমালার যেসব সংশোধনী ছিল, সেগুলো সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে তা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এখন শুধু রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের অপেক্ষা। আর কোনো প্রক্রিয়া বাকি নেই।”
তিনি আরও যোগ করেন, “এখান থেকে পিছিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আইন প্রণয়ন সম্পন্ন হয়ে আসতে কতটা সময় লাগবে, সেটা বলা যাচ্ছে না। তবে আমরা আশাবাদী। জকসু নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে।”
এর আগে, গত ১১ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জকসু নীতিমালা সংক্রান্ত বৈঠকের জন্য আহ্বান জানানো হয়।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনো কোনো কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচন হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে।
এই দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত ৭ অক্টোবর পাঁচ সদস্যের একটি নির্বাচন প্রস্তুতি কমিটি গঠন করে। এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আইন পাসের পর আগামী ২৭ নভেম্বর জকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এবার, নীতিমালার শেষ সিঁড়ি পার করলেই ছাত্র সমাজের অপেক্ষার প্রহর শেষ, কেবল রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর এবং তারপর আসবে নির্বাচনের সকাল।