আবু তাহের, ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অতীতের বিভিন্ন ঘটনা এবং একাডেমিক ও প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে অনিয়ম–দুর্নীতির অভিযোগে ২০ জন শিক্ষক, ২২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ৭ জন শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি গত মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ও বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক তদন্ত শেষে সংশ্লিষ্টদের কাছে এই নোটিশ পাঠায়। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তাঁদের লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পূর্বে সংঘটিত অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য প্রথমে একটি সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে সিন্ডিকেট সদস্যদের সমন্বয়ে আরও তিনটি পৃথক তদন্ত কমিটি গড়ে তোলা হয়—প্রশাসনিক অনিয়ম ও দুর্নীতি, একাডেমিক অনিয়ম ও দুর্নীতি এবং বিভিন্ন সময়ে ক্যাম্পাসে সংঘটিত ঘটনার তথ্য যাচাইয়ের জন্য।
এই তিন কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মো. মাহবুবুর রহমান, এম জাকির হোসেন খান এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন মজুমদার। তদন্তে প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা মেলায় মোট ৪৯ জনকে লিখিত কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, “সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গঠিত তিনটি তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্তরের অনিয়ম–দুর্নীতি যাচাই করছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ মেলেছে, তাঁদের শোকজ করা হয়েছে। তাঁদের লিখিত জবাব ও তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”