শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বদলাব না, সবার ভাই হয়ে থাকতে চাই: ভিপি সাদিক কায়েম

শিক্ষার্থীদের ভাই হয়ে, শিক্ষকদের ছাত্র হয়ে পরিচয় দিতে চান বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। ভিপি হয়ে বদলে জাবেন না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যায় সবটুকু দিয়ে পাশে থাকার কথা দিয়েছেন তিনি। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি […]

বদলাব না, সবার ভাই হয়ে থাকতে চাই: ভিপি সাদিক কায়েম

বদলাব না, সবার ভাই হয়ে থাকতে চাই: ভিপি সাদিক কায়েম

নিউজ ডেস্ক

১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৪২

শিক্ষার্থীদের ভাই হয়ে, শিক্ষকদের ছাত্র হয়ে পরিচয় দিতে চান বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।

ভিপি হয়ে বদলে জাবেন না বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করে শিক্ষার্থীদের যেকোনো সমস্যায় সবটুকু দিয়ে পাশে থাকার কথা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সাদিক কায়েম বলেন, “জয় পরাজয়ের কিছু নেই। ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। জুলাইয়ের আকাঙ্খার বিজয় হয়েছে।” এ সময় তিনি জুলাই শহীদ, ও একাত্তরের শহীদদের স্মরণ করেন।

অবিশ্বাস্য জনসমর্থন নিয়ে এসেছেন, এটা বিশাল আমানত: মাহিন সরকার

তিনি বলেন, “ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আমাদের ওপর নেতৃত্বের আমানত রেখেছেন। তারা আমাদের প্যানেলের ওরপ যে আমানত রেখেছেন সেই হক আদায় করব। কথা দিচ্ছি, স্বপ্ন পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করব। আমি ভিপি হিসেবে নয়, বড় ভাই, বন্ধু, ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।”
সব ধর্মের-বর্ণের শিক্ষার্থীদের নিয়ে একসঙ্গে চলার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পূর্ণাঙ্গ ইনস্টিটিউট হিসেবে তৈরি করব। শিক্ষার্থীদের আবাসন, খাদ্য, স্বাস্থ্যের নিরাপত্তা থাকবে। নারীদের নিরাপত্তা থাকবে। শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা, আমাদের প্রত্যাশা। জুলাই আন্দোলনে অনেক সহযোদ্ধা ছিল, একসাথে যারা নির্বাচন করেছি তারা প্রত্যেকেই আমাদের উপদেষ্টা। আমাদের যেকোনো ভুল সিদ্ধান্তে তারা ধরিয়ে দেবে আশা করি।”

এর আগে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

২২ নম্বর ব্যালটে ভিপি পদে ১৪ হাজার ৪২ পেয়ে জয়ী হয়েছেন সাদিক কায়েম। নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম খান, তিনি পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

মুখে কালো কাপড় বেঁধে ক্লাস নিলেন ঢাবি অধ্যাপক সামিনা লুৎফা

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা এবং কথা বলা ও ভিন্নমত প্রকাশের কারণে শিক্ষকদের হেনস্তার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা। রোববার (১১ অক্টোবর) শ্রেণিকক্ষে পাঁচ মিনিট মুখে কালো কাপড় বেঁধে নীরব অবস্থানে থেকে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। এ সময় তিনি শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবসহ […]

মুখে কালো কাপড় বেঁধে ক্লাস নিলেন ঢাবি অধ্যাপক সামিনা লুৎফা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ২০:৫৫

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা এবং কথা বলা ও ভিন্নমত প্রকাশের কারণে শিক্ষকদের হেনস্তার প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে অভিনব প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা।

রোববার (১১ অক্টোবর) শ্রেণিকক্ষে পাঁচ মিনিট মুখে কালো কাপড় বেঁধে নীরব অবস্থানে থেকে তিনি এ প্রতিবাদ জানান। এ সময় তিনি শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবসহ একাডেমিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার শিকার শিক্ষকদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে অধ্যাপক সামিনা লুৎফা তার প্রতিবাদের কথা জানান। তিনি লেখেন, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষকের স্বাধীনতা নস্যাতের পরিকল্পিত চক্রান্ত শিক্ষার্থী-শিক্ষকের সম্পর্কের আস্থা নষ্ট করছে। কথা বলা বা ভিন্নমত প্রকাশের কারণে যেসব শিক্ষক হেনস্তার শিকার হয়েছেন, তাঁদের প্রতি সংহতি জানাতে তিনি ব্যক্তিগতভাবে এ প্রতিবাদ করেছেন।

পোস্টে তিনি আরও জানান, সেদিন ক্লাসে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শ্রেণিকক্ষের আচরণবিধি বা ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ নির্ধারণ করেছেন। অনুমতি ছাড়া শ্রেণিকক্ষে কী করা যাবে বা যাবে না এবং মতবিরোধ তৈরি হলে তা কীভাবে নিরসন করা হবে, তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন তিনি। এরপর পাঁচ মিনিট মুখে কালো কাপড় বেঁধে বসে থাকেন।

শিক্ষকদের অধিকার ও একাডেমিক স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান জানিয়ে সামিনা লুৎফা ইংরেজিতে দেওয়া পোস্টে লেখেন, ‘শিক্ষকদেরও অধিকার আছে।’ একাডেমিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়া, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করা এবং প্রশ্ন, ভিন্নমত বা রাজনৈতিক মতামত প্রকাশের কারণে শিক্ষকদের হয়রানি করে তাদের কণ্ঠরোধের চেষ্টার বিরুদ্ধে সংহতি জানান তিনি।

নিজের বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন, অসৎ উদ্দেশ্যে ভুল সংবাদ প্রকাশ এবং অনুমতি ছাড়া শ্রেণিকক্ষে ধারণ করা নিয়েও আপত্তি জানান এ অধ্যাপক। তার ভাষ্য, শ্রেণিকক্ষের ভেতরে কোনো আচরণ বা আলোচনা নিয়ে একাডেমিক পরিসরে সমাধানের সুযোগ রয়েছে। সেখানে মতের অমিল থাকলেও পরস্পরের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে সহাবস্থান করা গ্রহণযোগ্য আচরণ।

পোশাকের ক্ষেত্রেও কোনো নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে বাধ্য হতে চান না বলে পোস্টে উল্লেখ করেন সামিনা লুৎফা। একই স্বাধীনতা শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের ক্ষেত্রেও প্রত্যাশা করেন তিনি। নিজের অবস্থানে অটল থাকার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর আক্রমণের ধরন যতই নিন্দনীয় হোক, তিনি ভয় পান না।

পোস্টে তাসনিম সিরাজ মাহবুবের পাশাপাশি লায়েকা বশীরসহ একাডেমিক স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার শিকার শিক্ষকদের প্রতি সংহতি জানান তিনি। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষে সুস্থ আলোচনা, মতবিনিময় ও নিজ নিজ বিষয়ে গভীরতর জ্ঞান অর্জনের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ‘রিক্লেইম ক্লাসরুম’ বা শ্রেণিকক্ষের অধিকার পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরা এক ছাত্রীকে কেন্দ্র করে সহযোগী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের সঙ্গে আলোচনাকে ঘিরে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগের পর ৮ অক্টোবর জরুরি সভা ডেকে তাসনিম সিরাজকে বিভাগের সব ধরনের পাঠদান কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।