রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভারতের বিশ্বস্ত সঙ্গী জাতীয় পার্টিসহ গণহত্যা এবং আওয়ামী দুঃশাসনের সহযোগী ১৪ দলকে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষিদ্ধ করতে হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করা অন্তত ৮০টি সংগঠন, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুলাই ঐক্য। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য জানানো হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:০৮

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভারতের বিশ্বস্ত সঙ্গী জাতীয় পার্টিসহ গণহত্যা এবং আওয়ামী দুঃশাসনের সহযোগী ১৪ দলকে আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষিদ্ধ করতে হবে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করা অন্তত ৮০টি সংগঠন, শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনার করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুলাই ঐক্য। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এতথ্য জানানো হয়।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যদি দেশের প্রথম স্বৈরশাসকের দল জাতীয় পার্টি একই সঙ্গে ১৪ দলের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাহলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইন মন্ত্রণালয় ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জুলাই ঐক্য। একইসঙ্গে রাজপথে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের ২ দিন পর গত ১৩ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যন্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের সহযোগী ১৪ দলকে নিষিদ্ধের দাবি করে জুলাই ঐক্য।

গত ৩ মাসে আমরা লক্ষ্য করেছি জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের নেতাকর্মীরা নানাভাবে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরিতে লিপ্ত। সম্প্রতি গণমাধ্যমের প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে জানা যায় জাতীয় পার্টি ঢাকা, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়াগায় থাকা জাতীয় পার্টির অফিসগুলোতে দেশী অস্ত্রের মজুত করে রেখেছে।

গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধারা মনে করে দেশের সাধারণ মানুষের উপর আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সময়ের অত্যাচার-অনাচার, গণহত্যা ও গণতন্ত্র ধ্বংসের দায় জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল কোনো ভাবেই এড়াতে পারে না।

জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে গণতন্ত্রের মূলধারাকে ধ্বংস করার পাশাপাশি বারংবার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করার ইতিহাসে জড়িত থেকেছে।

জুলাই ঐক্য মনে করে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে জাতীয় স্বার্থে এবং গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ রক্ষার্থে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির জন্য এ ধরনের রাজনৈতিক দলকে বৈধতা দেওয়া জনস্বার্থবিরোধী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল; ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও

ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের যেকোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।’

উপদেষ্টা পরিষদের সিদ্ধান্ত এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট বলা হয়েছে আওয়ামী লীগ এবং এর সব অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ।

কিন্তু আমরা দেখতে পাড়ছি দুই হাজার শহিদের রক্তের উপর দাঁড়িয়ে শপথ নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কোনো সহযোগী সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না।

পুলিশের সামনে জনবহুল এলাকায় আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগীরা অস্ত্র হাতে প্রকাশ্যে মিছিল এবং হাত বোমা বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে। জাতীয় পার্টি জুলাই যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালানোর পাশাপাশি নানাধরণের হুমকি দিচ্ছে। এ সব কিছুই ঘটছে সরকারের দুর্বলতার কারণে।

জুলাই ঐক্য মনে করে জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের সহযোগী ১৪ দলকে অভিলম্বে অন্তর্বর্তী সরকার নিষিদ্ধ এবং বিচারের মুখামুখি না করে তাহলে তা হবে জুলাই স্পিরিটের সঙ্গে সরাসরি গাদ্দারির শামিল।

সরকার যদি গণহত্যাকারী দল আওয়ামী লীগ এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে গড়িমসি করে। আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় পার্টি এবং তার সহযোগীদের নিষিদ্ধ এবং নির্বাচন কমিশনের তালিকা থেকে নাম বাতিল না করে তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং রাজপথে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে দাবি আদায় করবে জুলাই ঐক্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪