শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আমরা সংসদ নির্বাচন চাই না: সামান্তা শারমিন

অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ছাব্বিশের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রস্তুত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামীকাল (২৪ আগস্ট) এই রোডম্যাপ ঘোষণা করতে পারে কমিশন। এরইমধ্যে দেশে নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এমন প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদ নির্বাচন চান না বলে মন্তব্য করলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা […]

আমরা সংসদ নির্বাচন চাই না: সামান্তা শারমিন

সামান্তা শারমিন

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৫, ১০:৫৩

অন্তর্বর্তী সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, ছাব্বিশের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ইতোমধ্যে নির্বাচনের রোডম্যাপ প্রস্তুত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামীকাল (২৪ আগস্ট) এই রোডম্যাপ ঘোষণা করতে পারে কমিশন। এরইমধ্যে দেশে নির্বাচনি হাওয়া বইতে শুরু করেছে।

এমন প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদ নির্বাচন চান না বলে মন্তব্য করলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন।

তিনি বলেন, আমরা সংসদীয় নির্বাচনের কথা বলিও না, আমরা এটা চাইও না। আমরা মনে করি, গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সংবিধান করে তারপর রিস্টার্ট করবেন বাংলাদেশকে।

একান্ত সাক্ষাতকারে সামান্তা শারমিন এসব কথা বলেন।

সামান্তা শারমিন বলেন, বাংলাদেশে একটি সেকেন্ড রিপাবলিক হবে তারপর আপনি দেশ চালাবেন। তাতে করে বিএনপিও যদি ম্যান্ডেট পায় তাহলে বিএনপি দেশ চালাবে। বিএনপির প্রস্তাব যদি জনগণের পছন্দ হয় গণপরিষদের মাধ্যমে জিতে এসে সংবিধান পরিবর্তন করবে।

‘সনদের বিষয়ে আমাদের কোনো আশা নেই’ উল্লেখ করে এই নেত্রী বলেন, কারণ সনদে এতো নোট অব ডিসেন্ট, অনেক বেশি কমপ্রোমাইজ এবং অনেক বেশি দলকে খুশি করার জন্য বিএনপি চাপ দিয়ে অনেক কিছু করিয়ে নিয়েছে। তাই সনদের আমি কোনো কার্যকরী কিছু দেখতে পাচ্ছি না।

আলী রীয়াজ স্যারকে আগে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে, এখন তাকে তেমন মনে হচ্ছে না বলে দাবি করেন সামান্তা।

তিনি বলেন, কারণ তিনি (আলী রীয়াজ) কোনো পদ্ধতিই বের করতে পারছেন না। তাই এটার একমাত্র পদ্ধতিই হলো গণপরিষদ নির্বাচন। কারণ গণপরিষদ নির্বাচন ছাড়া আর কোনো নির্বাচনের মাধ্যমে সংবিধানের এতো এতো ধারা- প্রায় ৭০ শতাংশ পরির্বতন হয়ে যায়। এতো এতো ধারা এটাকে নির্দিষ্ট করতে পারবেন না। এটা পরিবর্তন করার পর এটা একই রকম থাকবে; পরে কোর্ট এসে কলমের এক খোঁচায় বাদ দিয়ে দেবে- এই সিস্টেমটা যদি থেকে যায়; তাহলে এই সনদ, এতো সময় নষ্ট ও এই ঘোষণাপত্রেরও তো গুরুত্ব নাই; কারণ পরেরবার কোর্ট এটা বাদ দিয়ে দেবে।

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বলেন, পলিটিক্যাল সিস্টেমে আমরা সব সময়েই দেখেছি সুপ্রিম কোর্ট এখানে হস্তক্ষেপ করেছে এবং এটাকে ব্যবহার করা হয়েছে। এটা কিন্তু আলাদা না। বিচার বিভাগ পুরোপুরি কিন্তু অধীন। মানে আমাদের আমলাতন্ত্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার অধীন।

বিএনপির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির মনে হচ্ছে যে আমাদের সংসদীয় নির্বাচনের দিকে ঠেলে দিলে তাদের লাভ হয়। আমরা তো সংসদীয় নির্বাচনের দিকে যাব না। ওই যে ৩০টা আসন ৫০টা সে হিসাব তো পড়ে। আর গণপরিষদ নির্বাচন সে রকম তো না। সেটা পুরো দেশ থেকে নির্বাচিত হয়ে আসবে। আর তাদের ম্যান্ডেট থাকে সংবিধানকেন্দ্রিক। এলাকায় কী উন্নয়ন করছে, কয়টা টিউবওয়েল বানিয়েছে, কয়টা পুকুর খনন করছে, নির্বাচনের আগে রাতে কারে কয় টাকা দিছে- এটা দিয়ে আর নির্ভর করবে না গণপরিষদ নির্বাচন। আমার ধারণা- এই পুরোনো যে সিস্টেম যেগুলো কথা বললাম- এগুলো অভ্যস্ত বিএনপি। এ কারণে বিএনপি আমাদের ক্রমাগত সংসদীয় নির্বাচনের দিকে ধাবিত করছে। কিন্তু আমাদের পার্টির দিক থেকে আমরা পরিষ্কার- বর্তমানে গণপরিষদ নির্বাচনই একমাত্র পথ।

ড. ইউনূসের জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারিতে গণপরিষদ নির্বাচন হবে। আসন থেকেই তো সবাই নির্বাচন করবে। কিন্তু এটা গণপরিষদ নির্বাচনের উদ্দেশে- এটা বলতে হতো তো সবাইকে। আমরা যদি না বলি মানুষকে- তাহলে কী হবে এই নির্বাচনের পর, পরিবর্তন কী? আমরা তো একটা পার্টির কাছ থেকে আরেকটা পার্টির কাছে তুলে দিতে গণঅভ্যুত্থান ঘটাই নাই।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০১

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩