মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বর্ণাঢ্য আয়োজনে গবিতে শপথ গ্রহণ ও নবীনবরণ সম্পন্ন 

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি: সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাদদেশে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও শপথ বাক্য পাঠের মধ্য দিয়ে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সেশনের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান বিশ্ববিদ্যালয়ের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ আগস্ট ২০২৫, ২২:১১

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি প্রতিনিধি:

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের পাদদেশে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধসহ সব গণতান্ত্রিক ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ও শপথ বাক্য পাঠের মধ্য দিয়ে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) ২০২৫ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সেশনের নবাগত শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকাল ১০টায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবীন শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠ করান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন। শপথ গ্রহণ শেষে সাভারের গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের পিএইচএ ভবনের অডিটোরিয়ামে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ এবং মাইলস্টোন ট্রাজেডি স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর জীবনকাল এবং গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এসময় ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে বরণ করা হয় নবাগত শিক্ষার্থীদের।

নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্যে কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: ফজলুল করিম বলেন, ‘ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরী সমাজে একটি আদর্শকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য লড়ে গেছেন। জ্ঞানের মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করার লক্ষে তৈরি করেছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়।

আপনারা তারই আদর্শের বাহক। শিক্ষার মাধ্যমে সমাজকে পরিবর্তন করার প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে। সবুজে ঘেরা এই ক্যাম্পাসকে মাইলফলক করে তুলতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনে যুক্ত হয়ে মানসিক বিকাশের মাধ্যমে মনকে সুন্দর করে তুলবে। সমাজ ও দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবে এই প্রত্যাশা।’

ফলিত গনিত বিভাগের নবীন শিক্ষার্থী ফয়জুননেছা নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘এই নতুন ক্যাম্পাস, নতুন পরিবেশ, নতুন বন্ধু। এক স্বপ্ন নিয়ে এসেছি সুন্দর যাত্রা শুরু করতে। শিক্ষক-অগ্রজ সবাইকে ধন্যবাদ জানাই, যারা আমাদের এতো সুন্দর করে বরণ করে নিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়টুকু জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমরা নবীনরা শুধু বইয়ের জ্ঞানই নয় শিখবো কীভাবে মানব সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করবো, কীভাবো আর্দশবান মানুষ হিসেবে গড়ে উঠা যায়। শিক্ষক এবং অগ্রজদের সহযোগিতায় আমরা লক্ষ্য পূরণে প্রত্যয়ী।’

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমিরিটাস অধ্যাপক ও গবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ড.  সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী নবাগত শিক্ষার্থীদের অভিবাদন জানিয়ল বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল আদর্শ হলো একসাথে চলা ও অজানাকে জানার প্রয়াস।

এখানে একা নয়, সবাই মিলে কাজ করাই শিক্ষা। এই প্রতিষ্ঠান ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর অনুপ্রেরণায় প্রতিষ্ঠিত, যার লক্ষ্য ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতান্ত্রিক সমাজ গঠন—যেখানে সকলের সমান অধিকার ও সুযোগ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় কারো ব্যক্তিগত নয়, এটি জনগণের।

জ্ঞান সামাজিক মালিকানা, যা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হওয়া উচিত। কিন্তু পুঁজিবাদী ব্যবস্থা এই জ্ঞানকে ব্যবহার করছে ধ্বংস ও মুনাফার জন্য। তাই তরুণদের উচিত জ্ঞানচর্চা, ইতিহাস জানা ও মনুষ্যত্ব গড়ে তোলা—যাতে গড়ে ওঠে একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক সমাজ।

তিনি আরও বলেন, ‘গণ বিশ্ববিদ্যালয় জনগণের, কোনো একক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। জ্ঞান ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি সামাজিক মালিকানা এবং মানুষের কল্যাণে ব্যবহারের জন্য। কিন্তু পুঁজিবাদী ব্যবস্থা জ্ঞান ও বিজ্ঞানকে মুনাফা, যুদ্ধ, ও ধ্বংসের কাজে ব্যবহার করছে—যেমন পারমাণবিক বোমা বা জলবায়ু বিপর্যয়। আজকের পৃথিবীর বড় সমস্যা হলো পুঁজিবাদী উন্নয়ন ও ব্যক্তি মালিকানা। এর বিকল্প হলো সামাজিক উন্নয়ন, যেখানে জ্ঞান মানবিকতা গঠনের হাতিয়ার হয়।’

নবাগত শিক্ষার্থীদের স্বাগত এবং অতিথিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘আগামী ৪ বছর এই ক্যাম্পাসে আপনাদের সুন্দর সময় অতিবাহিত হোক তা আমাদের একান্ত কাম্য। গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ পুরুষ ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি স্বল্প খরচে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছে তাই তার দেখানো পথেই চলতে হবে। এই চারটি বছর আপনাদের বাকী জীবনের পাথেয়। প্রকৃত শিক্ষা অর্জন করে দেশের কাজে নিজেদের বিলিয়ে দিতে হবে।

জ্ঞান অর্জনের সকল ব্যবস্থাই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। এখানে ভালো মন্দ উভয়ই আছে। ভালোকে বেছে নিয়ে মন্দকে বর্জন করতে হবে। আপনাদের ভবিষ্যৎ জীবন সুন্দর হোক এই কামনা করি।’

নবীন বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা নাচ, গান, কবিতা পরিবেশন করেন।

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো: ওহিদুজ্জামান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, কর্মকর্তা-কর্মচারি, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।