রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের নবীন বরণ সম্পন্ন

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: সাভারে অবস্থিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের স্নাতক ৩৩তম এবং স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার এ-ব্লকের ৪১৭ নম্বর কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ২১:০৮

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

সাভারে অবস্থিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের স্নাতক ৩৩তম এবং স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার এ-ব্লকের ৪১৭ নম্বর কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সূচনা করা হয় এবং মাইলস্টোন কলেজ ট্রাজেডি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে নবীনদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারাহ্ ইকবাল বলেন, ‘আজ থেকে নবীনরা আইন পরিবারের একটি অংশ। আইন একটি পরিবার কারণ একই করিডরে আমাদের একসাথে অনেকটা সময় কেটে যায়, জমা হয় অনেক স্মৃতি।

পরিবারে যেমন নিয়মকানুন রয়েছে তেমনটা আইন পরিবারেও। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক এবং অগ্রজদের সম্মান করার উপদেশ থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আইন বিভাগকে অনূন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’

নবাগত শিক্ষার্থী ফারিয়া আক্তার বাঁধন নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘আইন বিভাগের একজন নতুন শিক্ষার্থী হয়ে আমি উচ্ছসিত। এখানে রয়েছে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, অনুপ্রেরণাদায়ী অগ্রজ ও বন্ধুত্ব গড়ার নতুন মুখ। চোখভর্তি স্বপ্ন নিয়ে এমন এক যাত্রা শুরু করছি, যেখানে শিক্ষা মানেই শুধু ডিগ্রি নয়—ন্যায়, বিবেক ও মানবিকতার চর্চা।

এই বিভাগে আসার পেছনে শুধু ক্যারিয়ার নয়, ছিল নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়বদ্ধতা। সকলের দোয়া এবং ভালোবাসায় সুশিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য আইনের লড়াই করতে পারি।’

নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে কলা ও সমাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা বলেন, ‘আইন শুধু একটি পেশা নয়, এটি ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলার শিক্ষা দেয়—জন্মের পর থেকেই আমরা এর আওতায় আসি। সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন অপরিহার্য, এটি সভ্যতার ভিত্তি। যারা আইন পড়ে তারাই জানে কীভাবে আইন রক্ষা বা ভঙ্গ হয়—তাই তাদের দায়িত্ব আরও বেশি।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর থেকেই তোমরা এই পরিবারের স্থায়ী সদস্য, এটি তোমাদের সারাজীবনের পরিচয়। তোমরা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আদর্শ ও ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর মূল্যবোধ ধারণ করো এবং কোনো কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকো। আইনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার দায়িত্ব এখন তোমাদের কাঁধে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ভেটেরিনারী এন্ড অ্যানিমেল সায়েন্সস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘পড়াশোনা নিজের কাছে, দায়বদ্ধতা আর ক্যারিয়ার গড়তে হলে উচ্চশিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু যদি আইন পড়েও আইন ভঙ্গ করো, তাহলে সমাজে ন্যায়ের বার্তা যাবে না।

বর্তমানে আমাদের দেশে এমন আইনি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে যেখানে মানুষ পুলিশের কাছে জিডি করতেও বা আইনজীবীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আহ্বান—তোমরাই ভবিষ্যতের ভরসা, এমন একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক আইন ব্যবস্থা গড়ো, যেখানে জনগণ নির্ভয়ে বিচার পাবে।’

এ-সময় আমন্ত্রিত অতিথিরা ক্রেস্ট এবং ফুল দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়।

সমাপনী বক্তব্যে আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘আইন মানুষকে সঠিক পথে রাখে কিন্তু নৈতিকতা না থাকলে আইনও ব্যর্থ হয়। রাষ্ট্রের সকলের নৈতিকতার শিক্ষা থাকলে আইন লঙ্গন করতো না। মানবজীবনের সৃষ্টি থেকেই এই হত্যা চলে আসছে।

আইন হলো ব্যাপক জিনিস সমুদ্রের মতো, যাতে কেউ বলতে না পারে তার আইন পড়া শেষ হয়ে গিয়েছে। আইনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আইন এমন এক ধরণের প্রক্রিয়া যার সাহয্যে আমরা অধিকার ফিরে পাই। আমাদের আমি চাই সবাই উগ্রতা কম করে, সুন্দর মতো জীবনযাপন করা উচিত।’

নবীন বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এসময় আইন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।