বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের নবীন বরণ সম্পন্ন

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: সাভারে অবস্থিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের স্নাতক ৩৩তম এবং স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার এ-ব্লকের ৪১৭ নম্বর কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ২১:০৮

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

সাভারে অবস্থিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের স্নাতক ৩৩তম এবং স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার এ-ব্লকের ৪১৭ নম্বর কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সূচনা করা হয় এবং মাইলস্টোন কলেজ ট্রাজেডি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে নবীনদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারাহ্ ইকবাল বলেন, ‘আজ থেকে নবীনরা আইন পরিবারের একটি অংশ। আইন একটি পরিবার কারণ একই করিডরে আমাদের একসাথে অনেকটা সময় কেটে যায়, জমা হয় অনেক স্মৃতি।

পরিবারে যেমন নিয়মকানুন রয়েছে তেমনটা আইন পরিবারেও। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক এবং অগ্রজদের সম্মান করার উপদেশ থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আইন বিভাগকে অনূন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’

নবাগত শিক্ষার্থী ফারিয়া আক্তার বাঁধন নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘আইন বিভাগের একজন নতুন শিক্ষার্থী হয়ে আমি উচ্ছসিত। এখানে রয়েছে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, অনুপ্রেরণাদায়ী অগ্রজ ও বন্ধুত্ব গড়ার নতুন মুখ। চোখভর্তি স্বপ্ন নিয়ে এমন এক যাত্রা শুরু করছি, যেখানে শিক্ষা মানেই শুধু ডিগ্রি নয়—ন্যায়, বিবেক ও মানবিকতার চর্চা।

এই বিভাগে আসার পেছনে শুধু ক্যারিয়ার নয়, ছিল নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়বদ্ধতা। সকলের দোয়া এবং ভালোবাসায় সুশিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য আইনের লড়াই করতে পারি।’

নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে কলা ও সমাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা বলেন, ‘আইন শুধু একটি পেশা নয়, এটি ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলার শিক্ষা দেয়—জন্মের পর থেকেই আমরা এর আওতায় আসি। সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন অপরিহার্য, এটি সভ্যতার ভিত্তি। যারা আইন পড়ে তারাই জানে কীভাবে আইন রক্ষা বা ভঙ্গ হয়—তাই তাদের দায়িত্ব আরও বেশি।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর থেকেই তোমরা এই পরিবারের স্থায়ী সদস্য, এটি তোমাদের সারাজীবনের পরিচয়। তোমরা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আদর্শ ও ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর মূল্যবোধ ধারণ করো এবং কোনো কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকো। আইনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার দায়িত্ব এখন তোমাদের কাঁধে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ভেটেরিনারী এন্ড অ্যানিমেল সায়েন্সস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘পড়াশোনা নিজের কাছে, দায়বদ্ধতা আর ক্যারিয়ার গড়তে হলে উচ্চশিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু যদি আইন পড়েও আইন ভঙ্গ করো, তাহলে সমাজে ন্যায়ের বার্তা যাবে না।

বর্তমানে আমাদের দেশে এমন আইনি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে যেখানে মানুষ পুলিশের কাছে জিডি করতেও বা আইনজীবীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আহ্বান—তোমরাই ভবিষ্যতের ভরসা, এমন একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক আইন ব্যবস্থা গড়ো, যেখানে জনগণ নির্ভয়ে বিচার পাবে।’

এ-সময় আমন্ত্রিত অতিথিরা ক্রেস্ট এবং ফুল দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়।

সমাপনী বক্তব্যে আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘আইন মানুষকে সঠিক পথে রাখে কিন্তু নৈতিকতা না থাকলে আইনও ব্যর্থ হয়। রাষ্ট্রের সকলের নৈতিকতার শিক্ষা থাকলে আইন লঙ্গন করতো না। মানবজীবনের সৃষ্টি থেকেই এই হত্যা চলে আসছে।

আইন হলো ব্যাপক জিনিস সমুদ্রের মতো, যাতে কেউ বলতে না পারে তার আইন পড়া শেষ হয়ে গিয়েছে। আইনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আইন এমন এক ধরণের প্রক্রিয়া যার সাহয্যে আমরা অধিকার ফিরে পাই। আমাদের আমি চাই সবাই উগ্রতা কম করে, সুন্দর মতো জীবনযাপন করা উচিত।’

নবীন বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এসময় আইন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।