শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগের নবীন বরণ সম্পন্ন

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা: সাভারে অবস্থিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের স্নাতক ৩৩তম এবং স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার এ-ব্লকের ৪১৭ নম্বর কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৫, ২১:০৮

সানজিদা খানম ঊর্মি, গবি সংবাদদাতা:

সাভারে অবস্থিত গণ বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবি) আইন বিভাগের স্নাতক ৩৩তম এবং স্নাতকোত্তর ২য় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে দশটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলার এ-ব্লকের ৪১৭ নম্বর কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে সূচনা করা হয় এবং মাইলস্টোন কলেজ ট্রাজেডি ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

স্বাগত বক্তব্যে নবীনদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফারাহ্ ইকবাল বলেন, ‘আজ থেকে নবীনরা আইন পরিবারের একটি অংশ। আইন একটি পরিবার কারণ একই করিডরে আমাদের একসাথে অনেকটা সময় কেটে যায়, জমা হয় অনেক স্মৃতি।

পরিবারে যেমন নিয়মকানুন রয়েছে তেমনটা আইন পরিবারেও। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক এবং অগ্রজদের সম্মান করার উপদেশ থাকবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আইন বিভাগকে অনূন্য উচ্চতায় পৌঁছানোর প্রত্যয়ে এগিয়ে যেতে হবে।’

নবাগত শিক্ষার্থী ফারিয়া আক্তার বাঁধন নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, ‘আইন বিভাগের একজন নতুন শিক্ষার্থী হয়ে আমি উচ্ছসিত। এখানে রয়েছে শ্রদ্ধেয় শিক্ষক, অনুপ্রেরণাদায়ী অগ্রজ ও বন্ধুত্ব গড়ার নতুন মুখ। চোখভর্তি স্বপ্ন নিয়ে এমন এক যাত্রা শুরু করছি, যেখানে শিক্ষা মানেই শুধু ডিগ্রি নয়—ন্যায়, বিবেক ও মানবিকতার চর্চা।

এই বিভাগে আসার পেছনে শুধু ক্যারিয়ার নয়, ছিল নিজেকে একজন ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার দায়বদ্ধতা। সকলের দোয়া এবং ভালোবাসায় সুশিক্ষিত হয়ে দেশের জন্য আইনের লড়াই করতে পারি।’

নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে কলা ও সমাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক নিলুফার সুলতানা বলেন, ‘আইন শুধু একটি পেশা নয়, এটি ন্যায়বিচার ও শৃঙ্খলার শিক্ষা দেয়—জন্মের পর থেকেই আমরা এর আওতায় আসি। সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আইন অপরিহার্য, এটি সভ্যতার ভিত্তি। যারা আইন পড়ে তারাই জানে কীভাবে আইন রক্ষা বা ভঙ্গ হয়—তাই তাদের দায়িত্ব আরও বেশি।

গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর থেকেই তোমরা এই পরিবারের স্থায়ী সদস্য, এটি তোমাদের সারাজীবনের পরিচয়। তোমরা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আদর্শ ও ডা. জাফরুল্লাহ্ চৌধুরীর মূল্যবোধ ধারণ করো এবং কোনো কাজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ণ না হয়, সে বিষয়ে সচেতন থাকো। আইনের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার দায়িত্ব এখন তোমাদের কাঁধে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ভেটেরিনারী এন্ড অ্যানিমেল সায়েন্সস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল ইসলাম খান বলেন, ‘পড়াশোনা নিজের কাছে, দায়বদ্ধতা আর ক্যারিয়ার গড়তে হলে উচ্চশিক্ষা অপরিহার্য। কিন্তু যদি আইন পড়েও আইন ভঙ্গ করো, তাহলে সমাজে ন্যায়ের বার্তা যাবে না।

বর্তমানে আমাদের দেশে এমন আইনি ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে যেখানে মানুষ পুলিশের কাছে জিডি করতেও বা আইনজীবীর কাছে যেতে ভয় পায়। তাই নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার আহ্বান—তোমরাই ভবিষ্যতের ভরসা, এমন একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক আইন ব্যবস্থা গড়ো, যেখানে জনগণ নির্ভয়ে বিচার পাবে।’

এ-সময় আমন্ত্রিত অতিথিরা ক্রেস্ট এবং ফুল দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেয়।

সমাপনী বক্তব্যে আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘আইন মানুষকে সঠিক পথে রাখে কিন্তু নৈতিকতা না থাকলে আইনও ব্যর্থ হয়। রাষ্ট্রের সকলের নৈতিকতার শিক্ষা থাকলে আইন লঙ্গন করতো না। মানবজীবনের সৃষ্টি থেকেই এই হত্যা চলে আসছে।

আইন হলো ব্যাপক জিনিস সমুদ্রের মতো, যাতে কেউ বলতে না পারে তার আইন পড়া শেষ হয়ে গিয়েছে। আইনের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। আইন এমন এক ধরণের প্রক্রিয়া যার সাহয্যে আমরা অধিকার ফিরে পাই। আমাদের আমি চাই সবাই উগ্রতা কম করে, সুন্দর মতো জীবনযাপন করা উচিত।’

নবীন বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। এসময় আইন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।