গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মসূচিতে হামলাকে “ন্যক্কারজনক ও দুঃখজনক” বলে আখ্যা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সারাদেশ থেকে সন্ত্রাসীরা গোপালগঞ্জে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এমন পরিস্থিতি দেশের মানুষ কখনোই চায় না।”
তিনি জানান, “বাংলাদেশের মানুষ শান্তিপ্রিয়। রাজনৈতিক কর্মসূচি হওয়া উচিত শান্তিপূর্ণভাবে। কিন্তু যা গোপালগঞ্জে ঘটেছে, তা নিছক সন্ত্রাস। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দক্ষতার সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং নিরাপদে মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে—এ জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই।”
অতীতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে আজ আবার এই মাসেই আমাদের প্রশ্ন তুলতে হচ্ছে—আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার পরও তাদের প্রতীক ‘নৌকা’ থাকবে কি না। এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।”
তিনি আরও বলেন, “আমি সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বলছি—জুলাইয়ে যারা আত্মাহুতি দিয়েছে, তাদের প্রতি সম্মান রেখেই নির্বাচন কমিশনের উচিত এই প্রতীক নিয়ে নতুন করে ভাবা। নৌকা প্রতীক দিয়ে যেভাবে জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে, তা বিবেচনায় নিলে প্রতীকটির স্বীকৃতি রাখা মুক্তিযুদ্ধ ও গণঅভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।”
শেষে নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে তিনি বলেন, “জনগণের রায় ও আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কমিশনের উচিত তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা।”
গোপালগঞ্জের ঘটনায় নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকাকে ইতিবাচক উল্লেখ করলেও আসিফ মাহমুদ রাজনৈতিক প্রতীক এবং ন্যায়বিচার প্রশ্নে আরও গভীর দায়িত্বশীলতার দাবি জানান।
গোপালগঞ্জের ঘটনায় সন্ত্রাস দমন হয়েছে, কিন্তু এখনও বিচার অনিশ্চিত : উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ