শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব অবহেলায় এসএসসি পরীক্ষায় অকৃতকার্য ৭৩ শিক্ষার্থী

ফয়সাল আহমাদ, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ  গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব অবহেলার কারণে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ৭৩ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হবার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা ঘটেছে শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে। জানা যায়, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার কারিগড়ি বোর্ডের ভোকেশনাল শাখার পরীক্ষা শ্রীপুর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় এ্যাপারেল ম্যান্যুফেকচারিং বেসিক-২ এবং ড্রেসমেকিং বিষয়ে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৫, ১৮:৪৩

ফয়সাল আহমাদ, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ 

গাজীপুরের শ্রীপুরে এসএসসি পরীক্ষায় কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব অবহেলার কারণে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ৭৩ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হবার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা ঘটেছে শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে।

জানা যায়, ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার কারিগড়ি বোর্ডের ভোকেশনাল শাখার পরীক্ষা শ্রীপুর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় এ্যাপারেল ম্যান্যুফেকচারিং বেসিক-২ এবং ড্রেসমেকিং বিষয়ে ৭৩ জন পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে।

 শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের ২২ জন, জৈনাবাজার আদর্শ কারিগড়ি স্কুলের ১২ জন, পেলাইদ আদর্শ বিদ্যালয়ের ২০জন, তেলিহাটি উচ্চবিদ্যালয়ের ১২ জন,শ্রীপুর কারিগড়ি স্কুলের ৭ জন।

রবিবার(১৩ জুলাই) সকাল থেকে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীরা শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে অবস্থান করছে।

পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা সকলে ভালো পরীক্ষা দিয়েছি। গত দশ জুলাই পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর দেখি আমাদের সকল বিষয়ে ভালো রেজাল্ট হয়েছে। এক মাত্র এ্যাপারেল ম্যান্যুফেকচারিং বেসিক-২ বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছি।

এবিষয়ে লিখিত পরীক্ষা হয় ৬০ নম্বরের। ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর ৪০। আমরা সকলে লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেয়েছি। ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের জন্য আমরা অকৃতকার্য হয়েছি। 

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তানজিল,তামান্না,অনি ও সুমনা সহ পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলে, আমরা সঠিক ভাবে পরীক্ষা দিয়েছি। রেজাল্ট হবার পর দেখি আমরা ফেল। আমরা পদার্থ, রসায়ন এবং গণিতে ভালো নাম্বার পেয়েছি তাহলে ব্যবহারিকে কিভাবে ফেল করলাম? পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব অবহেলার কারণে আমাদের ফল বিপর্যয় হয়েছে। আমরা এর প্রতিকার চাই। 

এক পরীক্ষার্থীর মা অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে ফেল করার কারণে ঘরে দরজাবন্ধ করে আত্নহত্যার চেষ্টা করেছে। আজকে যদি আমার মেয়ে মারা যেত তাহলে তো আমি মেয়ে হারাইতাম। তাদের ভুলের কারণে আজকে আমার মেয়ের এ অবস্থা। এখন মেয়েকে নিয়ে টেনশনে আছি। 

তিনি আরো বলেন, ফল প্রকাশের পর থেকে আমরা কেন্দ্র সচিবের সাথে যোগাযোগ করে ও কোন প্রতিকার পাইনি।

পেলাইদ আদর্শ কারিগরি স্কুলের সুপারিনটেনডেন্ট মো. কামরুল হাসান জানান, পরীক্ষার রেজাল্ট দেখে আমি হতবাক হয়েছি। আমার স্কুলের ২০ জন পরীক্ষার্থী ফেল করেছে। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তাদের ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বর জমা দেয়া হয়নি। পরীক্ষা সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব অবহেলার কারণে এমনটি ঘটেছে বলে আমি মনে করি।

শ্রীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কেন্দ্র সচিব শাহানাজ পারভীন টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পরীক্ষার্থীদের কাছে কোন টাকা চাওয়া হয়নি। ব্যবহারিক নম্বর পাঠানো হয়েছে। বোর্ডের সার্ভারে সমস্যার কারণে হয়তো নম্বর জমা হয়নি। আমরা বোর্ডে যোগাযোগ করেছি। বিষয়টি সমাধান হতে পাড়ে।

শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানার পর পরই বোর্ডে লোক পাঠানো হয়েছে। খোঁজ নিয়ে দেখছি কেন্দ্রে কারো দায়িত্বে অবহেলা রয়েছে কিনা। যদি থাকে তবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।