রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভূঞাপুরে আশ্রয়ণের নামে আশ্রয়হীনতা

সাজেদুল ইসলাম, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: একসময় বুকভরা আশা আর চোখভরা স্বপ্ন নিয়ে নতুন জীবনের পথচলা শুরু করেছিল শত পরিবার। মাথার ওপর ছাদ, পায়ের নিচে জমি—ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও মানবিক জীবনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০০১ সালে টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল গাবসারায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু, কালের পরিক্রমায় সেই আশ্রয়ণ এখন পরিণত হয়েছে হতাশার এক ধ্বংসস্তূপে। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ জুলাই ২০২৫, ১৭:১১

সাজেদুল ইসলাম, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:

একসময় বুকভরা আশা আর চোখভরা স্বপ্ন নিয়ে নতুন জীবনের পথচলা শুরু করেছিল শত পরিবার।

মাথার ওপর ছাদ, পায়ের নিচে জমি—ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও মানবিক জীবনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ২০০১ সালে টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চল গাবসারায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের যাত্রা শুরু হয়।

কিন্তু, কালের পরিক্রমায় সেই আশ্রয়ণ এখন পরিণত হয়েছে হতাশার এক ধ্বংসস্তূপে।

প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা সরেজমিনে দেখে চরম ক্ষয়ক্ষতির চিত্র ফুটে উঠেছে। ঘরগুলোর দেয়াল ও টিনে দৃশ্যমান ক্ষয়-ক্ষতি এবং অনেক জায়গায় ভাঙচুরের চিহ্ন স্পষ্ট। দীর্ঘদিন অযত্ন-অবহেলায় প্রকল্পের পরিবেশ হয়ে উঠেছে অস্বাস্থ্যকর, অপরিচ্ছন্ন এবং দুর্গন্ধযুক্ত।

বেশ কিছু ঘরের নিচের পিলারেও দেখা গেছে ফাটল ও ক্ষয়ের চিহ্ন, যার ফলে সামান্য ভূমিকম্প বা ঝড় এলেই পুরো কাঠামো ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বহু ঘরের নিচে জমে থাকা গোবর ও পশুখাদ্য এখন প্রাণীদের খোয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, আর আশপাশের জঙ্গল ও আগাছায় ঢাকা পড়েছে প্রকল্পটি।

জানা যায়, প্রকল্পটি প্রায় ৫০ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছিল এবং সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল ভূমিহীন ও অসহায় ১০০টি পরিবার।

কিন্তু ২৫ বছরের মধ্যে সেই স্বপ্ন এখন এক নীরব সংকটে পরিণত হয়েছে—অস্তিত্বের সংকটে পড়ে বর্তমানে মাত্র ১২টি পরিবার এখানে বসবাস করছে। বাকি পরিবারগুলো বসবাসের অনুপযোগী পরিবেশের কারণে অন্যত্র চলে গেছে।

প্রথমদিকে টিনের দোচালা ঘর এবং জমির মালিকানা পেয়ে অনেকেই আনন্দে আত্মহারা ছিলেন, তাদের চোখে ছিল নিরাপত্তার আলো এবং স্থায়ী পুনর্বাসনের স্বপ্ন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে প্রকল্পটি হারিয়েছে তার গৌরব।

বর্তমানে বৃষ্টিতে টিনের ঘর ভিজে যায় এবং সেটা ঠেকাতে পলিথিনই একমাত্র ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে। টয়লেট, গোসলখানা বা সুপেয় পানির কোনো ব্যবস্থা নেই সেখানে । অধিকাংশ টিউবওয়েল অকেজো, আর অনেক ঘরই ভেঙে পড়েছে।

এদিকে, আশ্রয়ণের সাবেক বাসিন্দা ওয়েদ এবং নাসির বলেন, “নামে আশ্রয়ণ, কিন্তু এখানে মানুষ থাকার মতো কোন পরিবেশ নেই। বাধ্য হয়ে চলে গেছি।” এছাড়াও, বর্তমান বাসিন্দা মোমেনা বেগম, আমবিয়া বেগম, সুখিতন বেগম এবং সুরত আলীরা জানান,

“প্রতিবার অভিযোগ করলেও কেউ কোনো কাজ নেয়নি। দুর্ভোগ আমাদের নিত্যসঙ্গী। বৃষ্টি, সাপ, পোকামাকড় বা চোর ঢুকে পড়তে পারে—এই আতঙ্কে দিন কাটে আমাদের । কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই, তাই এখানেই থাকতে হচ্ছে আমাদের ।”

স্থানীয়দের মতে, অনেকবার উন্নয়ন বরাদ্দ এলেও দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক গাফিলতির কারণে কোনো প্রকল্পই বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে ঘরের সংস্কার বা টেকসই উন্নয়নের সুযোগ বারবার হারিয়ে গেছে।

গাবসারা ইউনিয়নের পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ আলাম আকন্দ শাপলা বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্পটি আমাদের চরাঞ্চলের মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানাই যেন এটি দ্রুত সংস্কার করা হয়। এতে করে স্থানীয়রা কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু আব্দুল্লাহ খান বলেন, প্রকল্পটির দুরবস্থার বিষয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।