শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

আবু সাঈদের বিচার চেয়ে সরব থাকা শিক্ষক মাহমুদুল হক কারাগারে, উত্তাল বেরোবি

বেরোবি প্রতিনিধি, আবু সাঈদের বিচার চেয়ে সরব থাকা সত্ত্বেও গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হককে পুলিশ আটক করায় উত্তাল রংপুরের বেগম রোকেয়া বিদ্যালয়(বেরোবি)।এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাদের মাঝে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে। ১৯ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেল সাড়ে ৩ টায় ১০ মাস আগে ছাত্র-জনতার চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় হার্ট অ্যাটাকে মারা যাওয়া ছমেস উদ্দিন (৬৫) হত্যা মামলায় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ জুন ২০২৫, ০২:৩৪

বেরোবি প্রতিনিধি,

আবু সাঈদের বিচার চেয়ে সরব থাকা সত্ত্বেও গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মাহমুদুল হককে পুলিশ আটক করায় উত্তাল রংপুরের বেগম রোকেয়া বিদ্যালয়(বেরোবি)।এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাদের মাঝে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

১৯ জুন (বৃহস্পতিবার) বিকেল সাড়ে ৩ টায় ১০ মাস আগে ছাত্র-জনতার চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় হার্ট অ্যাটাকে মারা যাওয়া ছমেস উদ্দিন (৬৫) হত্যা মামলায় শিক্ষক মাহমুদুল হককে তার নিজ বাসগৃহ থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এর আগে ১১, ১৭ এবং ১৮ জুলাই ২০২৪, শিক্ষক মাহমুদুল হক কোটা সংস্কার আন্দোলনের পক্ষে এবং আবু সাঈদের হত্যার বিচার চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ৩টি পোস্ট করেন। ১১ জুলাই তিনি লিখেন, মহামান্য হাইকোর্টের আংশিক রায় প্রকাশিত হয়েছে। এই রায়ে শিক্ষার্থীদের দাবি অনুযায়ী কোটা সংস্কার করার সুযোগ আছে। কারণ রায়ে বলা হয়েছে:

ক. সরকার কোটা কমাতে বা বাড়াতে পারে।

খ. কোটায় নির্ধারিত পদ পাওয়া না গেলে মেধাক্রম থেকে শুন্যপদ পূরণ করা যাবে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দেখে যেটা মনে হয়েছে তারা যৌক্তিক কোটা রাখার পক্ষে বা কোটা সংস্কারের পক্ষে। আর কোটা পাওয়া না গেলে মেধাক্রম থেকে শুন্যপদ পূরণ করার দাবি করছে। সুতরাং সরকার যদি চায় শিক্ষার্থীদের দাবি বাস্তবায়ন করতে পারে উক্ত রায় অনুসারেই।

আমার মনে হয় সরকার সেটা করবে। কিন্তু আপিল বিভাগ যেহেতু মহামান্য হাইকোর্টের উপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সে পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে। স্থিতাবস্থা অর্থ হচ্ছে যে আবস্থায় বিষয়টি আছে সেভাবেই থাকবে। এ অবস্থায় কোন পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।

১৭ জুলাই ২০২৪,তিনি লিখেন, পুলিশ হত্যা করেছে সাঈদকে সন্ত্রাসীদের থেকেও ঘৃণ্যভাবে!

পুলিশ গুলি করলো আমার শিক্ষার্থীকে তার ক্যাম্পাসের মাটিতে দাঁড়িয়ে। একেবারে প্রবেশদ্বার ক্যাম্পাসের ভিতর থেকে। পুলিশ এ সাহস কোথা থেকে পেলো? পুলিশ কি ক্যাম্পাসে প্রবেশের অনুমতি দেখাতে পারবে? অনুমতি কে দিলো? প্রবেশের অনুমতি পেলেই কি শিক্ষার্থীকে গুলি করতে পারে? সাঈদ তো বাইরে থেকে যেতে চেয়েছিল নিজের ক্যাম্পাসে, তার নীড়ে।

নিশ্চয় পুলিশ ফাঁড়িতে আক্রমণ করতে নয়। সে তো বহিরাগত নয়, ক্যাম্পাসটা সাঈদের, পুলিশ বহিরাগত। পুলিশ এতো কাছ থেকে মাত্র কয়েক গজ দূর থেকে টার্গেট করে কীভাবে গুলি চালালো? একটি গুলি নয়, কয়েকটি পরপর। দাঁড়িয়ে আছে সাঈদ আর গুলি চলছে। পুলিশ নির্বিচার গুলি করলো, এটা তো নির্বিচার হত্যাকাণ্ড। পুলিশ হত্যা করেছে সাঈদকে সন্ত্রাসীদের থেকেও ঘৃণ্যভাবে।

কেননা, সাঈদের দুই হাত উঠানো তো শান্তির বার্তা, এভাবে হাত উঠালে সন্ত্রাসীও গুলি বন্ধ করে, অস্ত্র নিচে নামিয়ে নেয়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। পুলিশসহ যারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

আমি পরাহত, আমি অনুতপ্ত এজন্য যে নিজ হাত দিয়ে ওই বন্দুকের নল চেপে ধরতে পারিনি কারণ আমি ঢাকা থেকে পথিমধ্যে ছিলাম। ক্ষমা করো আমাকে ।

১৮ জুলাই ২০২৪, তিনি আবু সাঈদ হত্যা বিচার চেয়ে লিখেন,পুলিশের তদন্ত মানি না, বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাই।কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যাকান্ডের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনারকে (প্রশাসন) প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমি সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক হিসেবে এই তদন্ত কমিটি প্রত্যাখান করছি। কারণ পুলিশের অপরাধের তদন্ত করবে পুলিশ এটা সাঈদের রক্তের সঙ্গেও প্রহসন।

সাঈদকে ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যাকান্ডের ভিডিও দেখলেই তা পরিষ্কার চিত্র পাওয়া যায়। বিচার বিভাগীয় তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উন্মোচন করে পুলিশ সদস্যদের সবোর্চ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশ নিজের তদন্ত নিজেই করবে-এটা হতে পারে না।

এ বিষয়ে ২৪ এর ছাত্র আন্দোলনে আবু সাঈদের সহযোদ্ধা শাহরিয়ার সোহাগ বলেন,

আমার শিক্ষক অর্থাৎ মোহা. মাহমুদুল হক বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সদস্য, দৈনিক ডেইলি স্টারের একজন প্রবীণ সাংবাদিক, ইউএনবি’র সাবেক সাব-এডিটর এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অন্যতম মেধাবী শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন,এক প্রহসনমূলক ও হয়রানিমূলক মামলায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আজ বেলা ৩:৩০ঘটিকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অতঃপর, কাল বিলম্ব না করে তাকে সরাসরি আদালতে নেওয়া হয় এবং সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন,এ দিয়ে ৫ই আগস্টের পর ৩য় বারের মতো জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন মামলায় তাকে এজাহারভুক্ত করা হলো যেগুলোর সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আবু সাঈদ ভাই শহীদ হওয়ার পর তিনিই প্রথম শিক্ষক হিসেবে তিনি এই পুলিশী হত্যাকান্ডের বিচার চান।

এছাড়াও পুলিশের দ্বারা সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তের দায়িত্ব পুলিশকে না দেওয়ার দাবি তোলেন। এছাড়াও তিনি, ২০১৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন।

তার দৃষ্টান্ত হলো সাবেক উপাচার্য ড. কলিমুল্লার দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ততকালে বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা আন্দোলনের নেতৃত্বস্থানে তিনি ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দীপ্ত কন্ঠে প্রতিবাদ করা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পুলিশী গণহত্যার বিচার চাওয়াই তার কাল হয়ে দাড়িয়েছে।

শিক্ষার্থী রিনা মুর্মু ফেসবুকে লিখেন,প্রহসনের মামলা,উদ্দেশ্য প্রণোদিত মামলায় গ্রেফতার মাহমুদুল স্যারকে অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. মো ফেরদৌস রহমান বলেন, এ মামলা আসলে ষড়যন্ত্রমূলক। মামলার বিষয়ে কেউ যেন বুঝতে না পারে, সেজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের তাজহাট থানায় মামলা না করে হাজির হাট থানায় মামলা করা হয়েছে এবং সুপরিকল্পিতভাবে বন্ধের দিন দেখে তাকে আটক করা হয়ছে ।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।