শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বেইজ বিল্ড ডিজিটাল একাডেমিতে দুই দিন ব্যাপী ইংরেজি বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বেইজ বিল্ড ডিজিটাল একাডেমি সম্প্রতি তাদের নিজস্ব ক্যাম্পাসে “IDEA SPOKEN-The Game Method” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালার আয়োজন করেছে। গেম-ভিত্তিক ভাষা শিক্ষা মডেলের উপর ভিত্তি করে এই কর্মশালাটি ভাষা শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় এবং কার্যকর করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গভ. মাইকেল মধুসূদন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং “IDEA spoken-The […]

নিউজ ডেস্ক

১৬ মে ২০২৫, ২৩:৪৩

বেইজ বিল্ড ডিজিটাল একাডেমি সম্প্রতি তাদের নিজস্ব ক্যাম্পাসে “IDEA SPOKEN-The Game Method” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালার আয়োজন করেছে। গেম-ভিত্তিক ভাষা শিক্ষা মডেলের উপর ভিত্তি করে এই কর্মশালাটি ভাষা শিক্ষাকে আরও আকর্ষণীয় এবং কার্যকর করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গভ. মাইকেল মধুসূদন কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং “IDEA spoken-The Game Method”-এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক মোঃ হামিদুল হক শাহিন। তিনি ভাষা শিক্ষায় খেলার গুরুত্ব এবং “IDEA SPOKEN” পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গলাচিপা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসান এবং জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যাপক মু. শাহআলম।

বেইজ বিল্ড ডিজিটাল একাডেমির চেয়ারম্যান পারভেজ নাদির রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ভাষা শিক্ষায় আগ্রহী বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা ভাষা শিক্ষাকে আনন্দদায়ক করার বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন, যেখানে খেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সহজে এবং দীর্ঘস্থায়ীভাবে ভাষা আয়ত্ত করতে পারে।

আয়োজকরা জানান, এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের ভাষা শিক্ষাদানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং শিক্ষার্থীদের কাছে ভাষা শিক্ষাকে আরও সহজবোধ্য করে তুলবে। বেইস বিল্ড ডিজিটাল একাডেমি ভবিষ্যতে এ ধরনের আরও শিক্ষামূলক কর্মশালা আয়োজনের পরিকল্পনা গ্রহন করবে বলে আশা রাখি।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পরান বিশ্বাস, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, গলাচিপা উপজেলা শাখা, মো. জাকির হোসেন, আমির, বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামী, গলাচিপা উপজেলা শাখা, মু. মঈন উদ্দিন, প্রধান শিক্ষক, বোয়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মো. নুরুল ইসলাম নিলয়, প্রভাষক (ইংরেজি), গলাচিপা এন.জেড আলিম মাদ্রাসা, মো. নুরুজ্জামান মিয়া, প্রধান শিক্ষক, পাড়- ডাকুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মো. ফয়েজ আহমেদ, সিনিয়র শিক্ষক, উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মিডিয়া কর্মী ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও অভিভাকবৃন্দ।

ইউএনও মাহমুদুল হাসান বেইজ বিল্ড ডিজিটাল একাডেমির এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভাষা শিক্ষার প্রসারে এ ধরনের কর্মশালার গুরুত্ব তুলে ধরেন। অধ্যাপক শাহআলমও ভাষা শিক্ষার গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।