শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

ইরানের সঙ্গে কৌশলগত চুক্তিতে সই করলেন প্রেসিডেন্ট পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার দেশ ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বিস্তৃত কৌশলগত চুক্তিতে আইনি স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে এই চুক্তি এখন রাশিয়ায় পূর্ণ আইনি বৈধতা পেল। এর আগে চলতি এপ্রিল মাসে রাশিয়ার সংসদের দুই কক্ষ—স্টেট ডুমা ও ফেডারেশন কাউন্সিল—চুক্তিটির অনুমোদন দেয়। ইরানভিত্তিক গণমাধ্যম পার্স টুডে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান […]

নিউজ ডেস্ক

২২ এপ্রিল ২০২৫, ১৮:৪৪

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার দেশ ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বিস্তৃত কৌশলগত চুক্তিতে আইনি স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে এই চুক্তি এখন রাশিয়ায় পূর্ণ আইনি বৈধতা পেল। এর আগে চলতি এপ্রিল মাসে রাশিয়ার সংসদের দুই কক্ষ—স্টেট ডুমা ও ফেডারেশন কাউন্সিল—চুক্তিটির অনুমোদন দেয়।

ইরানভিত্তিক গণমাধ্যম পার্স টুডে জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাশিয়া সফরকালে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির লক্ষ্য—দীর্ঘমেয়াদে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে এমন এক স্তরে উন্নীত করা, যা দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারত্বকে আরও সুসংহত করবে।

এই চুক্তির আওতায় রাশিয়া ও ইরান প্রতিরক্ষা, জ্বালানি, সন্ত্রাসবিরোধী সহযোগিতা, অর্থনীতি, কৃষি, পরিবহন, শিল্প, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন খাতে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কাঠামো গড়ে তুলবে। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও এই চুক্তি দুই রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও পারস্পরিক নির্ভরতার বার্তা বহন করছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন চুক্তিতে স্বাক্ষর করায় এখন রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ আইনি প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। পরবর্তী ধাপ হলো—ইরানের সংসদে চুক্তির অনুমোদন, যার পরেই এটি কার্যকর হবে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি সম্প্রতি রাশিয়া সফরকালে রাশিয়া টুডে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “আমাদের সংসদও এই চুক্তিকে ইতিবাচকভাবে দেখছে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অনুমোদন সম্পন্ন হবে বলে আমি আশা করি।”

তিনি আরও বলেন, “এই বিস্তৃত কৌশলগত চুক্তি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়—ইরান ও রাশিয়া স্বল্পমেয়াদি সংকট নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ওপর জোর দিচ্ছে। এতে প্রমাণিত হয় যে দুই দেশ নিজেদের জাতীয় স্বার্থে একে অপরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।”

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চুক্তি শুধু ইরান-রাশিয়া সম্পর্ক নয়, বরং আঞ্চলিক ও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্য পরিবর্তনেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞা ও চাপের মুখে দুই দেশই তাদের নিজস্ব মিত্র গড়ে তোলার পথে এগোচ্ছে।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ইরান ও রাশিয়া এমন এক জোট গড়ে তুলতে যাচ্ছে, যেটি ব্রিকস (BRICS), সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা (SCO) ও অন্যান্য বিকল্প অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্মেও নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর ইঙ্গিত দেয়। এমনকি চুক্তিটির কাঠামো পর্যবেক্ষণ করে অনেকেই একে চীন-রাশিয়া-ইরান ট্রায়াঙ্গেলের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন।

তবে পশ্চিমা বিশ্ব এই চুক্তিকে কৌশলগত উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও রাশিয়ার বিরুদ্ধে পৃথকভাবে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে আসছে। এখন দুটি নিষিদ্ধ রাষ্ট্র ঘনিষ্ঠ অংশীদার হয়ে ওঠায় ভিন্ন কূটনৈতিক ও সামরিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়ন হলে আগামী কয়েক বছরে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরেশিয়া অঞ্চলে শক্তি ও প্রভাবের নতুন ধারা তৈরি হবে, যেখানে পশ্চিমা চাপ মোকাবিলায় ইরান ও রাশিয়া একে অপরের কৌশলগত সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। এটা শুধু অর্থনৈতিক নয়, বরং সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩

আন্তর্জাতিক

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান […]

হামলা না করা শর্তে হুথিদের ১০০ কোটি ডলার দিতে চায় সৌদি আরব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭

সৌদি আরবের ওপর হামলা বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইরান মারফত ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে ১০০ কোটি ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করেছে সৌদি আরব। গালফ অঞ্চলের কূটনৈতিক সূত্রগুলোর বরাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে এই তথ্য উঠে এসেছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) টাইমস অফ ইন্ডিয়াতে এই সংবাদের সত্যতা প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান হুথিদের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার জন্য তেহরান সফর করেন। একটি কূটনৈতিক সূত্র দাবি করেছে, সৌদি মন্ত্রী তার হারকিউলিস সামরিক পরিবহন বিমানে করে এই ১০০ কোটি ডলার অর্থ তেহরানে নিয়ে এসেছিলেন। তবে অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি কোনো সৌদি কর্মকর্তা নিশ্চিত করেননি।

তেহরানের এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের গোয়েন্দা প্রধান ইব্রাহিম কালিন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান অসীম মুনীর, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মহসেন রেজাই এবং ইসলামিক রিভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

সৌদি বিমানবন্দর ও তেল স্থাপনায় হুথিদের ক্রমাগত হামলার কারণে সৌদি আরবে অর্থনৈতিক ক্ষতি হওয়ায় ইরান মধ্যস্থতার এই প্রস্তাব দিয়েছিল।

সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সফরের বিষয়ে এক সরকারি বিবৃতিতে জানায়, ‘প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের তেহরান সফরটি বর্তমান সংকটের পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা হ্রাস, সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানকে উৎসাহিত করা

এবং কাতার রাজ্য ও ইসলামী প্রজাতন্ত্র পাকিস্তানের পরিচালিত মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন করার জন্য ন্যাটো-রীতির এই জোটের চলমান প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এসেছে।’

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এক সৌদি কর্মকর্তা অর্থ হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও জানান, তিন বছর আগে পৌঁছানো সমঝোতা বাস্তবায়নেই সংঘাতের মূল কারণ।

ঐ সমঝোতার আওতায় হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা অঞ্চলের সরকারি কর্মচারীদের বেতন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে সরাসরি অর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ছিল, যার বিনিময়ে হুথিরা হামলা বন্ধ রাখবে। হুথিরা সৌদি আরবকে অঙ্গীকার ভঙ্গের অভিযুক্ত করলেও সৌদি আরবের অবস্থান হলো তারা কোনো সামরিক ব্ল্যাকমেইলের মুখে নতুন করে যুদ্ধবিরতিতে যাবে না।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা জোট এবং ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক, যা মূলত গত সপ্তাহে পাকিস্তানি সেনাপ্রধানের তেহরান সফরের সময় রূপ নেয়। ইরানের ১০০ কোটি ডলারের এই প্রস্তাব বা বিমানে অর্থ বহনের দাবিটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা যায়নি।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৫৩