মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শেরপুর বাসীর দাবী ছিল ফ্লাইওভার রোড পেলো ফুটওভার ব্রিজ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ উত্তরাঞ্চলের গেটওয়ে খ্যাত বগুড়ার শেরপুর শহর হলো একটি ব্যস্ততম শহর।  ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক ৪ লেনে উত্তীর্ন হওয়ায় এ শহর দুভাগে বিভক্ত হয়েছে। ব্যবসা বানিজ্যও দুভাগে বিভক্ত হয়েছে। তাই এই উপজেলার জনসাধারণের প্রাণের দাবি ছিল যানজট নিরসনে শহরের ধুনটমোড় থেকে হাজিপুর পর্যন্ত একটি ফ্লাইওভার রোড নির্মাণের। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) ফ্লাইওভার রোড […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ মার্চ ২০২৫, ২৩:৩৪

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

উত্তরাঞ্চলের গেটওয়ে খ্যাত বগুড়ার শেরপুর শহর হলো একটি ব্যস্ততম শহর।  ঢাকা-বগুড়া মহাসড়ক ৪ লেনে উত্তীর্ন হওয়ায় এ শহর দুভাগে বিভক্ত হয়েছে। ব্যবসা বানিজ্যও দুভাগে বিভক্ত হয়েছে। তাই এই উপজেলার জনসাধারণের প্রাণের দাবি ছিল যানজট নিরসনে শহরের ধুনটমোড় থেকে হাজিপুর পর্যন্ত একটি ফ্লাইওভার রোড নির্মাণের। তবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) ফ্লাইওভার রোড নির্মাণের পরিবর্তে ফুট-ওভারব্রিজ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ইতমধ্যে নির্মাণ হয়েছে একটি ফুট-ওভারব্রিজ। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, শহরের প্রধান সড়কে প্রতিদিন প্রচুর যানবাহন চলাচল করে এবং ব্যস্ত সময়ে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও সাধারণ পথচারীদের জন্য রাস্তা পারাপার ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। 

তারা মনে করেন, শুধুমাত্র ফুট-ওভারব্রিজ নির্মাণ করলে এই সমস্যা পুরোপুরি সমাধান হবে না।

এদিকে, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৫ ও ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মো. সিরাজ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও সাসেক প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক ড. এমডি ওয়াজিউর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সাসেক প্রকল্পের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি ফ্লাইওভার নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। 

স্থানীয় বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, ফ্লাইওভার না থাকলে যানজটের ভোগান্তি কমবে না। আমরা চাই স্থায়ী সমাধান। অপর এক বাসিন্দা শারমিন আক্তার বলেন, আমাদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে প্রশাসনকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। 

এলাকাবাসীরা জানান, শুধুমাত্র ফুট-ওভারব্রিজ দিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য  পুনরায় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি নইলে বড় পরিসরে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিবো। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন শেরপুর বাসিরা। 

এ বিষয়ে সাসেক প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানান, শেরপুর শহরের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় ফ্লাইওভার রোড নির্মাণের জন্য অর্থ বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে।

শেরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক খান জানান, আমরা জনগণের দাবির বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করছি। ফ্লাইওভার নির্মাণের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত সকল জনসাধারণ যেন ফুট-ওভারব্রিজ ব্যবহার করে এজন্য সকলকে আহবান জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য গত ১ ফেব্রুয়ারী শেরপুর শহরের ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের ধুনটমোড় বাসস্ট্যান্ড থেকে হাজীপুর পর্যন্ত (দুই কিলোমিটার) ফ্লাইওভার রোড নির্মাণের দাবিতে বগুড়া-৫ ও ৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মো. সিরাজের নের্তৃত্বে স্থানীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কাছে প্রায় ৩০ হাজার মানুষের ‘গণস্বাক্ষর সহ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আশিক খানের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।