রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

বেরোবিতে মেঘবালিকার লোচনে জলতরুঙ্গ-এর মোড়ক উন্মোচন

সাইফুল্লাহ মাসুম , বেরোবি প্রতিনিধি : রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কর্মরত হাবিবুর রহমানের মেঘবালিকার লোচনে জলতরুঙ্গ-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার এই মোড়ক উন্মোচন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.মো.শওকাত আলী, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম ও […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ২২:২৫

সাইফুল্লাহ মাসুম , বেরোবি প্রতিনিধি :

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) কর্মরত হাবিবুর রহমানের মেঘবালিকার লোচনে জলতরুঙ্গ-এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক কবি আব্দুল হাই শিকদার এই মোড়ক উন্মোচন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.মো.শওকাত আলী, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম ও শহীদ আবু সাঈদ বই মেলার আহ্বায়ক ড.মো. ইলিয়াছ প্রামানিক। 

কথা হারিয়ে গেলেও তার ছোঁয়া রয়ে যায়,তার বাচনভঙ্গি মুগ্ধতা ছড়ায়। এভাবেই মেঘবালিকার লোচনে জলতরুঙ্গ-এর কাব্যগ্রন্থে কবিতার নানান পঙ্তি ফুটে উঠেছে।

এ কাব্যগ্রন্থের কিছু কবিতা ও পঙতি কল্পনার জগতে হারিয়ে গিয়ে মানব-মানবীর আকুতি-মিনতি, প্রেম-বিরহ, মান-অভিমান শিল্পের তুলিতে চিত্রিত হয়েছে। কখনো কখনো মনের ক্যানভাসে আঁকা ছবি, আবার কখনো মোনালিসা ও পাবলো পিকাসো ক্যানভাসে হারিয়ে গিয়ে কাব্য জগতে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়েছে।

আবার কখনো কোন কবিতায় কপোক-কপোতীর মিলন ও বিরহের সমীকরণের মধ্যে যথাক্রমে বঁধূয়ার হাতের চা ও রান্নার কৌশল দেখে উপলব্দি করে নানান দৃশ্য উপমিত হয়েছে। এ কাব্যের রোমান্টিক ও বিয়োগান্তক ছন্দ কোন বাস্তব ঘটনা বা চরিত্রকে কেন্দ্র করে রচিত হয়নি। লেখক, কবিগণ যেহেতু কথাসাহিত্যিক এবং দার্শনিক হিসেবে ভূমিকা পালন করেন।

তাই কোন পঙক্তি, শব্দ বা বাক্য কারো জীবনের সাথে মিলে যাওয়া অস্বাভাবিক নয়। কবিতাকে প্রাঞ্জল, ছন্দ ও শ্রুতিমধুর করার জন্য বিভিন্ন ঘটনাবলীকে কল্পনার জগতে উপলক্ষ করা হয়েছে মাত্র। কাউকে ঠিক কেন্দ্র করে রচিত নয়। পাঠক এটা পড়ার সময় কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে গিয়ে নিজেকে কেন্দ্রীয় চরিত্রে আসীন করলে সেটা লেখক ও কবির জন্য অনেক প্রাপ্তির বিষয়।

কবিতার পাঠক সংখ্যা কম হলেও কবিতা সবার নিকট পছন্দনীয় বটে। তাই কবিতার প্রতি ভালবাসা ও অনুরাগ অব্যাহত থাকবে। আবৃত্তিকার ও পাঠক এ কবিতার সাথে কণ্ঠ ও সুর মেলাবে বলে মো. হাবিবুর রহমান এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এ কাব্যগ্রন্থের লেখক মো. হাবিবুর রহমান। এ বইটি আইডিয়া প্রকাশন থেকে প্রকাশিত হয়েছে। বইটির দাম মাত্র ৩০০ (তিনশত) টাকা মাত্র। বইটি অমর একুশে বইমেলা, শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা এবং রকমারি ডট কম থেকে সংগ্রহ করা যাবে। এ কাব্যগ্রন্থে মোট ৬৬ (ছেষট্টি) টি কবিতা রয়েছে।

নব্বই দশক ছিল নানাবিধ কারণে আলোচিত ও সমালোচিত। জাতীয় ও বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে পরিবর্তনের কারণে মানুষের সামাজিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক জগতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছিল। মো: হাবিবুর রহমান নানান কারণে আলোচিত এ নব্বই দশকের শেষের দিকে ইলিশের শহর খ্যাত চাঁদপুরের মুসলিম পরিবারের সম্ভ্রান্ত মীর বংশে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি মূলত মো: হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান এবং ছদ্মনামেও মসির তুলিতে তার চিন্তার নির্যাস ও সমসাময়িক বিষয় তুলে ধরেন। তিনি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্মাতক ও স্মাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্মজীবনে তিনি বেসরকারি, সরকারি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন। তার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা জার্নালে (স্পীঞ্জার ন্যাচার) রিসার্চ আর্টিকেল ও বইয়ের অনুচ্ছেদ রয়েছে। দেশে-বিদেশ যেমন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, কাতার, এবং বাংলাদেশের নামকরা নানান বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নাল ও বিভিন্ন গ্রন্থে তার লেখা প্রকাশিত হয়েছে।

গুগল স্কলার ও রিসার্চগেট এ তার গবেষণাধর্মী লেখা অধ্যয়ন ও উদ্ধৃত (সাইটেশন) করা হয়। তার লেখা মূলত জাগোনিউজ ২৪ ডট কম, দ্য নিউ ন্যাশন, দ্য এশিয়ান এইজ, দ্য বিজনেস স্টান্ডার্ড, বার্তা২৪ডট কম ইত্যাদি জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে আসছে। তার লেখায় সমসাময়িক বিষয়াবলী, চিত্তের আকুতি ও মিনতি, বিবিধ টানাপোড়ন, সংকট ও আশার ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

তাঁর কাব্যগ্রন্থে ছন্দের মিল, আধুনিক ও জীবনঘনিষ্ঠতার ছোঁয়া, রোমান্টিকতা, আবেগ-অনুভূতির মিশ্রণ ইত্যাদি প্রকাশ পেয়েছে। তবে কোথায়ও কোথায়ও আবার ছন্দের পতন ঘটলেও গদ্যকাব্যের রূপ অটুট রয়েছে।

তার এ কাব্যগ্রন্থে যথাক্রমে বাসন্তী, দূরে প্রিয়জন, অচেনা মুখ, কাব্য লেখার জওয়াব, অবহেলার প্রতিউত্তর, ভগ্ন হৃদয়, হিমালয় দুহিতার বক্র রেখা, সাড়াদান, আল্পনায় প্রতিচ্ছবি, গহীনে প্রস্থান, নীড়ে ফেরা, গহীনের স্পন্দন, আলোর দিশারী, দিশেহারা সারথি, শুকনো পাতার মর্মর ধ্বনি, মহাপ্রলয়ের নীরব দর্শক, কাঞ্চনজঙ্ঘা-মহানন্দার অভিসার, স্বার্থের দ্বন্দ্ব, পড়ন্ত বেলায় উপলব্দি, লেখার কৈফিয়ত, ভালোবাসায় গহীনের শব্দমালা, সাক্ষাতে বাহানা, চাঁদনী, দন্ত প্রীতি, প্রযুক্তির ছোঁয়া, প্রভাতে তোমায় দেখি, ভগ্নরশ্মি, প্রীতির গল্প, অনুরাগের চিহ্ন,

মেঘবালিকার লোচনে জলতরঙ্গ, সিঁড়িতে আরোহণ, স্বর-ব্যঞ্জনবৃত্তের কথন, ফেইসবুক, বৃক্ষ-মানব প্রেমের সমীকরণ, জীবনের রহস্যময় পরিধি, জীবনের মূহুর্ত, অপরূপ কেশী বঁধূয়া, গোলাপী পুষ্প, পুষ্পের নিয়তি, পলাশ ফুল, পাহাড়ি দুহিতার পুষ্প প্রীতি, হিমালয় দুহিতা, বিস্ময়কর কাঞ্চনজঙ্ঘা, অগ্রসরমান সারথি, বন্ধন, বন্ধুত্ব, স্মৃতির ক্যানভাস, স্পর্শ, বসন্তের ছোঁয়া, আলোকিত মানব, জন্মদিনে শুভেচ্ছা, মহাপ্রয়াণ, নিঃশ্বাসের লোকান্তর, অনিশ্চিত গন্তব্য, সম্পর্কের সমীকরণ, মাটির ঘর, মনের পাখি, স্মৃতির রশ্মি, স্বর -ব্যঞ্জনবর্ণে মানবজীবন, মুগ্ধ বিকেল, মানব পরিচয়, কাঁচের দেয়ালে প্রতিচ্ছবি, প্রযুক্তি ব্যবহারে সংকট, দুর্যোগের ঘনঘটা, স্মৃতি রোমন্থন, এবং জড় পদার্থ নামক কবিতা রয়েছে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।