শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বর মাসে এলো দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স

মেহেদী হাসান মেহের বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি: সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বর মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার বা ২৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ৩১ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। একক মাস হিসাবে আগে কখনোই এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি। বুধবার (১ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সবশেষ […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জানুয়ারী ২০২৫, ২৩:১৬

মেহেদী হাসান মেহের বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি:

সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বর মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার বা ২৬৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় (প্রতি ডলার ১২০ টাকা ধরে) যার পরিমাণ ৩১ হাজার ৬৬৮ কোটি টাকা। একক মাস হিসাবে আগে কখনোই এত পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।

বুধবার (১ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সবশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একক মাস হিসেবে সদ্যবিদায়ী ডিসেম্বরে আগের বছরের চেয়ে ৬৪ কোটি ডলার বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৮ কোটি ৫১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এর আগে, গত জুন মাসে গড়ে দৈনিক ৮ কোটি ৪৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। ওই মাসে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের শেষ মাসে ব্যাংকগুলো ১ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। আর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার।

অবশ্য সাড়ে চার বছর আগে একক মাস হিসাবে ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাই মাসে। ওই মাসে প্রতিদিন গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৮ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৩ সালের শেষ মাসে ব্যাংকগুলো ১ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে। আর ২০২২ সালের ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার।

অবশ্য সাড়ে চার বছর আগে একক মাস হিসাবে ২৫৯ কোটি ৮২ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০ সালের জুলাই মাসে। ওই মাসে প্রতিদিন গড়ে রেমিট্যান্স এসেছে ৮ কোটি ৩৮ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ডি‌সেম্বর সময়ে অর্থাৎ ৬ মাসে এক হাজার ৩৭৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ১ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে দেশে এসেছে ১৯১ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার, আগস্টে এসেছে ২২২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার ডলার এবং সেপ্টেম্বরে এসেছে ২৪০ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, অক্টোবরে এসেছে ২৪০ কোটি ডলার এবং নভেম্বরে মাসে এসেছে ২২০ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই হাজার ৩৯২ কোটি মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। রেমিট্যান্সের এ অঙ্ক এ যাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আহরণ। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২০-২১ অর্থবছরে, পরিমাণ দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ডলার।

অর্থনীতি

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে। ড. আহসান এইচ মনসুর […]

রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর দিলেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যেই দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও জানিয়েছেন, চলতি মাসেই রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ঘর ছাড়িয়ে যাবে এবং বছর শেষে তা আরও শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছবে।

ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বিগত সময়ে এই খাতে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, যা কাটিয়ে উঠতে কিছুটা সময় লাগবে।

তবে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমগুলো পরবর্তী নির্বাচিত সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

অর্থনীতির ভঙ্গুরতা এখনো পুরোপুরি না কাটলেও পরিস্থিতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলে জানান গভর্নর। যদিও মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা এখনই ছোঁয়া সম্ভব হয়নি, তবে সে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য নতুন সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

এদিন দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সক্ষম করে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন নতুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি জানান, সরকার কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য ‘পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি’ চায় না। বরং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে অর্থনীতির সুফল সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করবে নতুন সরকার।

অর্থনীতি

চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাব : ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘ বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগ […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:১১

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)–এর সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, দেশে অসহনীয় চাঁদাবাজি ব্যবসা-বাণিজ্যে চরম আস্থাহীনতা সৃষ্টি করছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। ‘

বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় নবগঠিত সরকারের নিকট প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

তিনি জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্টের পরও ব্যবসায়ীদের একই হারে, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি চাঁদা দিতে হচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ডিসিসিআই সভাপতির মতে, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আইন-শৃঙ্খলার অবনতি, জ্বালানি সংকট ও ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতার কারণে বিনিয়োগ ও উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে গেছে এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধিও তলানিতে। এসব সমস্যা সমাধানে দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগ না নিলে ব্যবসায়ীরা কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

অর্থনীতি

বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুর মুক্তাদির। সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান। এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান, দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। আজ বাণিজ্যমন্ত্রীর […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মার্চ ২০২৬, ১৪:০১

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুর মুক্তাদির।

সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা জানান।

এর আগে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের জানান, দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। আজ বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার সময় আমরা ভারতের পক্ষ থেকে নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করা ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সুদৃড় করার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। দুদেশের জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক উন্নয়নে বিষয়ে আলোচনা করেছি।

​বৈঠকের আলোচ্য বিষয় তুলে ধরে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত আমাদের প্রতিবেশী এবং একটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। তাদের সঙ্গে আমাদের প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে, যার মধ্যে ৯.৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি এবং ১.৫ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি।

এই বিশাল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ও প্রযুক্তির আদান-প্রদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছি।

​বৈঠকে বন্ধ থাকা বর্ডার হাটগুলো পুনরায় চালু করা এবং ল্যান্ড বর্ডারগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে বৈঠকে গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, ভারতের সাবরুমে নির্মিত নতুন ল্যান্ড পোর্ট বা বন্দর অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বেনাপোলসহ অন্যান্য স্থলবন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার বিষয়েও সাধারণ আলোচনা হয়েছে।

​এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উত্তরণের সময়সীমা পেছানোর বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইআরডি (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ) ইতোমধ্যে জাতিসংঘে আবেদন জানিয়েছে এবং বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

​মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হরমোজ প্রণালীতে সম্ভাব্য নৌ-চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলেও এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, হরমোজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌ-রুট। এটি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকলে জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধি পায়, যার প্রভাব পণ্যের মূল্যের ওপর পড়ে। তবে আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি দ্রুতই এর সমাধান হবে। বর্তমানে আমাদের নিত্যপণ্য বা জ্বালানি আমদানিতে কোনো শঙ্কার কারণ নেই।

​হাইকমিশনারের এই বৈঠককে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করে খন্দকার আবদুর মুক্তাদির বলেন, আজকের এই পরিচিতি সভা ও আলোচনা আগামী দিনে দুই দেশের বাণিজ্যিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে এবং সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।