রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‘দুই মাস নয়, দুই বছরেও রাকসু হবে না, যদি না আরেকটি বিপ্লব হয়’: সালাহউদ্দিন আম্মার

রাবি প্রতিনিধি: এম এ আতিকুর ‘দুই মাস কেন, দুই বছরেও রাকসু হবে না, যদি আরেকটি বিপ্লব না হয়’—এমন মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিক হলে নভেম্বর মাসের মধ্যেই পরবর্তী রাকসু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব। এ জন্য নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফসিল ঘোষণার পাশাপাশি […]

‘দুই মাস নয়, দুই বছরেও রাকসু হবে না, যদি না আরেকটি বিপ্লব হয়’: সালাহউদ্দিন আম্মার

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০১ নভেম্বর ২০২৬, ২১:১৮

রাবি প্রতিনিধি: এম এ আতিকুর

‘দুই মাস কেন, দুই বছরেও রাকসু হবে না, যদি আরেকটি বিপ্লব না হয়’—এমন মন্তব্য করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আন্তরিক হলে নভেম্বর মাসের মধ্যেই পরবর্তী রাকসু নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব। এ জন্য নির্বাচনের রোডম্যাপ ও তফসিল ঘোষণার পাশাপাশি সিনেটে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধিদের শপথ আয়োজনের দাবি জানান তিনি।

রবিবার (১ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেটে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান সালাহউদ্দিন আম্মার।

তিনি বলেন, দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অতীত অভিজ্ঞতা থেকে আশঙ্কা হচ্ছে, নির্বাচন দুই মাস পিছিয়ে গেলে ভবিষ্যতে নতুন করে রাকসু নির্বাচন আয়োজনের পথ আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।

আম্মার বলেন, দীর্ঘ ৩১ বছর পর গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীরা রাকসু পেয়েছেন। বর্তমান সংসদের কার্যক্রম সফল হয়েছে নাকি ব্যর্থ, তা মূল্যায়নের জন্য আরেকটি রাকসু নির্বাচন প্রয়োজন। নতুন সংসদ গঠিত হলে আগের ও পরের দুই কমিটির কার্যক্রম তুলনা করে সফলতা-ব্যর্থতা নিরূপণ করা সম্ভব হবে।

পরবর্তী নির্বাচনের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমান কমিটির চতুর্থ ও ষষ্ঠ অধিবেশনে নির্বাচন আয়োজন এবং সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ষষ্ঠ অধিবেশনে নির্বাচনসংক্রান্ত প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম তদারকির জন্য উপাচার্যকে সাময়িক দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষের কাছে নির্বাচনের তফসিল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে তাঁর কোনো এখতিয়ার নেই। এতে নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব কার ওপর, তা নিয়ে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার কারণে নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে আম্মার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভর্তি পরীক্ষার সময় নির্বাচন আয়োজনের ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তবে ভর্তি পরীক্ষা ও রাকসু নির্বাচন সম্পূর্ণ আলাদা প্রক্রিয়া। একটির কারণে অন্যটি স্থগিত রাখার যৌক্তিকতা নেই। বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পরবর্তী নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা প্রয়োজন ছিল।

সিনেট ছাত্র প্রতিনিধিদের শপথের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার এক বছর পেরিয়ে গেলেও তাঁদের শপথের ব্যবস্থা করা হয়নি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বিভিন্ন কারণে তা পিছিয়ে যাচ্ছে। ফলে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এখনো সিনেটে তাঁদের দায়িত্ব পালন শুরু করতে পারেননি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সাবেক জিএস বলেন, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে নভেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। প্রশাসন সদিচ্ছার পরিচয় না দিলে শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে পরবর্তী রাকসু নির্বাচন আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবেন তিনি।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের দল-মতনির্বিশেষে নির্বাচনের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান আম্মার। রাজপথে প্রতিবাদের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখি কিংবা নীরব সমর্থনের মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা এ দাবির পক্ষে ভূমিকা রাখতে পারেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ থাকলে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, দখলদারত্ব ও আসন-বাণিজ্যের মতো অনিয়ম পুনরায় ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে। এ পরিস্থিতি এড়াতে শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পক্ষে সাংবাদিকদেরও ভূমিকা রাখতে হবে।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।