বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

রাবির ১১ আবাসিক হলে ডিপ ফ্রিজ দিল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট

রাবি প্রতিনিধি, এম এ আতিকুর রহমান  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছেলেদের ১১টি আবাসিক হলে একটি করে ডিপ ফ্রিজ দিয়েছে রাকসুতে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে হল সংসদগুলোর কাছে ফ্রিজগুলো হস্তান্তর করা হয় আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ […]

রাবির ১১ আবাসিক হলে ডিপ ফ্রিজ দিল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:১৭

রাবি প্রতিনিধি, এম এ আতিকুর রহমান 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ছেলেদের ১১টি আবাসিক হলে একটি করে ডিপ ফ্রিজ দিয়েছে রাকসুতে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট। বুধবার (২৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক কর্মসূচিতে হল সংসদগুলোর কাছে ফ্রিজগুলো হস্তান্তর করা হয়

আয়োজকেরা জানান, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফ্রিজগুলো রাকসুর তহবিলের অর্থে কেনা হয়নি; বিভিন্ন জায়গা থেকে স্পনসর সংগ্রহ করে এগুলোর ব্যবস্থা করা হয়ে

রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, “আবাসিক হলগুলোতে খাবার সংরক্ষণের জন্য ফ্রিজের দীর্ঘদিনের চাহিদা ছিল। ছাত্রদের হলগুলোতে ফ্রিজ না থাকায় সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের পক্ষ থেকে নিজস্ব উদ্যোগে ফ্রিজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ছাত্রদের সব হলে ফ্রিজ দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে ছাত্রীদের হলগুলোতেও ফ্রিজ দেওয়ার চেষ্টা করব। রাকসুর মেয়াদ শেষ হলেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে

রাকসুর এজিএস ছালমান ছাব্বির বলেন, “শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল প্রতিটি আবাসিক হলে ডিপ ফ্রিজ উপহার দেওয়া। আলহামদুলিল্লাহ, সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। তবে এসব ফ্রিজ সব শিক্ষার্থীর জন্য যথেষ্ট না-ও হতে পারে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও ফ্রিজ দেওয়ার বিষয়ে অঙ্গীকার করেছে। আমরা শিক্ষার্থীদের দেখাতে চাই, সদিচ্ছা ও সৎ নিয়ত থাকলে অনেক কিছুই সম্ভব

শাহ মখদুম হলের ভিপি শামীম পাটোয়ারী বলেন, “গত বছরের ১৬ অক্টোবর হল ও রাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেল নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর থেকে আমরা হল ও ক্যাম্পাসে কাজ করার চেষ্টা করছি। আমাদের তহবিল সীমিত ছিল। ইশতেহার অনুযায়ী, হলগুলোতে ফ্রিজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। এ মাসের শুরুতে হল সংসদগুলোর পক্ষ থেকে উপাচার্যের কাছে ফ্রিজ, জিমনেসিয়াম ও কম্পিউটার ল্যাবের দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। প্রশাসন বা রাকসুর তহবিল থেকে অর্থের ব্যবস্থা না হলেও নিজস্ব উদ্যোগে স্পনসর সংগ্রহ করে ফ্রিজ দেওয়ায় রাকসুকে ধন্যবাদ জানাই

রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান বলেন, “আমাদের ইশতেহার ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের চাওয়া ছিল প্রতিটি হলে একটি করে ডিপ ফ্রিজ দেওয়া। এ লক্ষ্যে সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের রাকসু নেতৃবৃন্দ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। প্রশাসন ফ্রিজ দেওয়ার আশ্বাস দিলেও শেষ পর্যন্ত হয়তো ব্যবস্থা হয়নি

তিনি আরও বলেন, “আমরা বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে স্পনসর সংগ্রহ করেছি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ডিপ ফ্রিজের ব্যবস্থা করেছি। ইসলামী ছাত্রশিবির অতীতেও শিক্ষার্থীদের পাশে ছিল, বর্তমানে আছে এবং ভবিষ্যতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো সংকট ও প্রয়োজনে শিক্ষার্থীদের পাশে থাকবে

কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ, রাকসুর এজিএস ছালমান ছাব্বির, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান, হল সংসদ ও রাকসুর নেতৃবৃন্দ এবং ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।