সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আইডিয়া ফেস্ট-২০২৫ চ্যাম্পিয়ন দলে কিশোরগঞ্জের কৃতিসন্তান কৃষিবিদ মুনিম

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুর গ্রামের কৃতিসন্তান কৃষিবিদ মারুফ মোস্তফা মুনিম জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা IDEA FEST 2025-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়া শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দলের অন্যতম সদস্য। কৃষককেন্দ্রিক স্মার্ট কৃষি ইকোসিস্টেমের সমন্বিত মডেল উপস্থাপন করে এ সাফল্য অর্জন করেন তাঁরা। মারুফ মোস্তফা মুনিমের পিতা মো. মোস্তফা কামাল। তিনি আফতাব উদ্দিন স্কুল […]

আইডিয়া ফেস্ট-২০২৫ চ্যাম্পিয়ন দলে কিশোরগঞ্জের কৃতিসন্তান কৃষিবিদ মুনিম

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭:৩৮

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার ভাগলপুর গ্রামের কৃতিসন্তান কৃষিবিদ মারুফ মোস্তফা মুনিম জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা IDEA FEST 2025-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়া শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) দলের অন্যতম সদস্য। কৃষককেন্দ্রিক স্মার্ট কৃষি ইকোসিস্টেমের সমন্বিত মডেল উপস্থাপন করে এ সাফল্য অর্জন করেন তাঁরা।

মারুফ মোস্তফা মুনিমের পিতা মো. মোস্তফা কামাল। তিনি আফতাব উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৫ সালে এসএসসি এবং সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ঢাকা থেকে ২০১৭ সালে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষিতে স্নাতক এবং প্ল্যান্ট প্যাথলজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

কৃষকের দোরগোড়ায় স্মার্ট সেবা, সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন ও রপ্তানিমুখী কৃষির মডেল উপস্থাপন

গত ১০ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে প্রতিযোগিতাটির চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। ‘Farmer-Centered Smart Agricultural Ecosystem for Future Bangladesh’ শীর্ষক মডেলটিতে কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়া, কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং কৃষিকে আরও লাভজনক, টেকসই ও রপ্তানিমুখী করার পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

২০২৫ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। প্রাথমিক পর্যায় থেকে নির্বাচিত ১৮টি দল সেমিফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। সেখান থেকে সাতটি দল ফাইনালে ওঠে।

প্রস্তাবিত মডেলে কৃষিসংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি, অর্থায়ন ও বাজারব্যবস্থাকে একটি জাতীয় নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়া, মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং কৃষক ও বাজারের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি মাটি, জলবায়ু ও বাজারের চাহিদাভিত্তিক প্রিসিশন কৃষি, রপ্তানিযোগ্য পণ্য উৎপাদন, কৃষিপণ্যে মূল্য সংযোজন এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরির ধারণাও তুলে ধরা হয়। উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত সমন্বয় বাড়িয়ে কৃষকের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করাই মডেলটির অন্যতম লক্ষ্য।

চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা হলেন কৃষি অনুষদের ৭৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মারুফ মোস্তফা মুনিম, কৃষি অর্থনীতি অনুষদের ৭৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. মুহাইমিনুল ইসলাম এবং একই অনুষদের ৮০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. রিয়াদ মিয়া।

মারুফ মোস্তফা মুনিম বলেন, “এ অর্জন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। দেশের উন্নয়নে নিজেদের জ্ঞান ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগানোর সুযোগ বড় প্রাপ্তি। এ অর্জন শুধু আমাদের তিনজনের নয়; শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরো পরিবারের সম্মিলিত গৌরব।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা তাত্ত্বিক জ্ঞানে সীমাবদ্ধ থাকতে চাই না; বরং তা বাস্তবে প্রয়োগ করে বাংলাদেশের কৃষির সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধান খুঁজতে চাই।”

মো. মুহাইমিনুল ইসলাম বলেন, “কৃষকের দোরগোড়ায় আধুনিক কৃষিসেবা পৌঁছে দেওয়া, সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং উৎপাদনকে দক্ষ ও বাজারমুখী করার প্রচেষ্টারই প্রতিফলন আমাদের এ মডেল।”

তিনি আশা প্রকাশ করেন, মডেলটি সরকারের বিবেচনায় আসবে এবং বাস্তবায়নের সুযোগ পাবে। এতে কৃষিসেবার সমন্বয় বাড়ার পাশাপাশি কৃষকের ন্যায্য মূল্যপ্রাপ্তি ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি মনে করেন।

মো. রিয়াদ মিয়া বলেন, “আমাদের প্রচেষ্টা শুধু প্রতিযোগিতায় জয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের কৃষির টেকসই রূপান্তর ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে বাস্তব অবদান রাখতে চাই। এ অর্জন দেশের কৃষির জন্য আরও কার্যকর কিছু করার দায়বদ্ধতা বাড়িয়ে দিয়েছে।”

এদিকে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ১৮ অক্টোবরের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যদের পুরস্কৃত করার কথা রয়েছে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।