সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ছাত্রদল নেতা আহসান হাবীবের নেতৃত্বে চলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,চাঁদাবাজির দায়ে হয়েছিলেন বহিস্কার 

রাবি প্রতিনিধি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীবের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা করা হয়। তবে এর আগে শিক্ষার্থীকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগের মতো ঘটনায় আলোচনায় আসেন হামলাকারী নেতা। হন সংগঠন থেকে বহিস্কার। যদিও আবার নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে […]

ছাত্রদল নেতা আহসান হাবীবের নেতৃত্বে চলে সাংবাদিকদের ওপর হামলা,চাঁদাবাজির দায়ে হয়েছিলেন বহিস্কার 

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৮:৪৭

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীবের নেতৃত্বে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল রোববার রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর এই হামলা করা হয়। তবে এর আগে শিক্ষার্থীকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগের মতো ঘটনায় আলোচনায় আসেন হামলাকারী নেতা।

হন সংগঠন থেকে বহিস্কার। যদিও আবার নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে ফিরে আসেন। এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর লাঠিসোটা নিয়ে হামলার ঘটনায়ও তিনি নেতৃত্ব দেন বলে একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে।

সর্বশেষ গত রোববার রাতে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় আহত সাংবাদিকদের অভিযোগ, আহসান হাবীবের নেতৃত্বে ছাত্রদলের একদল নেতাকর্মী তাদের ওপর হামলা চালান।

হামলায় অন্তত চার সাংবাদিকসহ ১০ জন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীদের কয়েকজনের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা ছিল।

তবে এ ঘটনা আহসান হাবীবকে ঘিরে ওঠা প্রথম গুরুতর অভিযোগ নয়। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে এক ছাত্রলীগ নেতার সঙ্গে ফোনালাপ ফাঁসকে কেন্দ্র করে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে রাবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে অব্যাহতি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।

ফাঁস হওয়া কথোপকথন নিয়ে সংগঠনটি তার বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ তোলে। অবশ্য আহসান হাবীব তখন দাবি করেন, ফোনালাপটি সম্পাদনা করা হয়েছিল।

অব্যাহতির কয়েক মাস পরই তার বিরুদ্ধে ওঠে আরও গুরুতর অভিযোগ। ২০২৫ সালের জুনে রাবির ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন।

তার অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় তাকে মারধর করে টাকা নেওয়া হয় এবং ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। অভিযোগে আহসান হাবীবের নামও ছিল।

ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগ ছিল, কয়েকজন তাকে আটকে রেখে মারধর করেন এবং তার কাছ থেকে টাকা নেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ছাত্রদলের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। যদিও আহসান হাবীব এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তার দাবি ছিল, ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল এবং তার ফোন দেখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু টাকা নেওয়ার ঘটনা ঘটেনি।

অভিযোগের পরও সংগঠনে তার রাজনৈতিক অবস্থান স্থায়ীভাবে শেষ হয়নি। ২০২৬ সালে রাবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার সময় তার আগের অব্যাহতি প্রত্যাহার করা হয়। পরে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর আবারও সামনে এলেন সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায়।

এর আগে গত রোববার রাতে রাকসুর সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি এম আহসান হাবীবের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে উত্তেজনা তৈরি হয়।

একপর্যায়ে সেখানে অবস্থান নেওয়া একদল নেতাকর্মীর হাতে দেশীয় অস্ত্র দেখা যায়। ঘটনাটি সাংবাদিকেরা ভিডিও করতে গেলে তাদের বাধা দেওয়া হয়। পরে কয়েকজন সাংবাদিককে মারধর এবং তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

আহত সাংবাদিকদের অভিযোগ, হামলাকারীদের নেতৃত্বে ছিলেন আহসান হাবীব। তার সঙ্গে ছাত্রদলের আরও কয়েকজন নেতা-কর্মী ছিলেন। এ ঘটনায় দ্য ডেইলি স্টার, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, সমকাল ও আগামীর সময়ের সাংবাদিকরা আহত হন।

এ ঘটনার পর এক ফেসবুক পোস্টে অভিযুক্ত ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এম আহসান হাবীব লেখেন, ‘কোন নিরপেক্ষ সাংবাদিকের ওপর হামলা করা হয়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটুক্তিকারী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, জিয়া হলের জিএস আরিফুলকে ধরতে জিয়া হলে গেলে সংক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপর যেসব সাংবাদিক নামধারী গুপ্ত শিবির ছানা হামলা করতে এসেছে তাদেরকে প্রতিহত করা হয়েছে মাত্র।’

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।