রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারকে ঘিরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও সংগঠন থেকে অব্যাহতির নানা আলোচনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে আম্মার দাবি করেন, রাবি শিবিরের বিরুদ্ধে তার সম্পর্কে বিভিন্ন অভিযোগ প্রচার করা হলেও সেগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি।
তিনি লেখেন, ‘রাবি শিবিরের একটা ভয়াবহ গুণ—তারা মিথ্যাকে সত্য বানায়, আর সত্যকে মিথ্যা।’
নারীদের সঙ্গে মেলামেশা, চাঁদাবাজি ও অর্থের বিনিময়ে পদ দেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে আম্মার বলেন, এসব অভিযোগের কোনোটির সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন। তার ভাষ্য, কোনো কাজ না করার প্রমাণ কীভাবে দেওয়া সম্ভব—এটাই তার প্রশ্ন।
চাঁদাবাজির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একটি কনসার্ট আয়োজনের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের কাছে প্রস্তাবপত্র নিয়ে যোগাযোগ করেছিলেন। তার দাবি, ওই ঘটনাকেই পরবর্তীতে চাঁদাবাজির অভিযোগ হিসেবে প্রচার করা হয়।
শিবিরের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক প্রসঙ্গে আম্মার বলেন, তাকে শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলা হলেও তিনি প্রকাশ্যে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে কথা বলেছেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, শিবিরের অভ্যন্তরীণ কিছু কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে তিনি সংগঠনটির নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
পোস্টের শেষদিকে আম্মার দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হলেও কোনো অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ দেওয়া হয়নি।