বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

স্বজনদের কান্নায় কেঁদেছেন তারেক রহমান: গুমের অন্ধকার থেকে ন্যায়বিচারের পথে বাংলাদেশ

একজন মানুষকে হারানোর কষ্ট হয়ত একসময় চোখের পানিতে প্রকাশ করা যায়। কিন্তু একজন মানুষ কোথায়—বেঁচে আছেন, নাকি নেই—তা না জেনে বছরের পর বছর অপেক্ষা করার কষ্টের কোনো ভাষা নেই। এই অপেক্ষা একদিকে যেমন গভীর বেদনার, অন্যদিকে তেমনি এক অনিশ্চিত জীবনের নাম। ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। দিনটি শুধু গুমের শিকার মানুষদের স্মরণ করার দিন […]

স্বজনদের কান্নায় কেঁদেছেন তারেক রহমান: গুমের অন্ধকার থেকে ন্যায়বিচারের পথে বাংলাদেশ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:২২

একজন মানুষকে হারানোর কষ্ট হয়ত একসময় চোখের পানিতে প্রকাশ করা যায়। কিন্তু একজন মানুষ কোথায়—বেঁচে আছেন, নাকি নেই—তা না জেনে বছরের পর বছর অপেক্ষা করার কষ্টের কোনো ভাষা নেই। এই অপেক্ষা একদিকে যেমন গভীর বেদনার, অন্যদিকে তেমনি এক অনিশ্চিত জীবনের নাম।

৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস। দিনটি শুধু গুমের শিকার মানুষদের স্মরণ করার দিন নয়; এটি সেইসব মায়ের কান্না, সেইসব স্ত্রীর অপেক্ষা, সেইসব সন্তানের শূন্যতা এবং সেইসব পরিবারের দীর্ঘশ্বাস স্মরণ করার দিন, যাদের প্রিয়জন একদিন হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে গেছেন। প্রিয় মানুষটি কোথায় আছেন, কেমন আছেন, তিনি আদৌ বেঁচে আছেন কি না—এই প্রশ্নের উত্তর না পাওয়ার যন্ত্রণা নিয়ে অসংখ্য পরিবার বছরের পর বছর পার করেছে।

বাংলাদেশও এই নির্মম বাস্তবতার সাক্ষী হয়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিষ্ঠুর শাসনামলে গুমের অভিযোগ ক্রমেই গুরুতর ও নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। ২০২৪ সালে ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার গুমের অভিযোগ তদন্তে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে। সেসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের দীর্ঘ ও ভীতিকর শাসনামলে গুমের একের পর এক অভিযোগ নিয়ে দেশে ও আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল।

গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের কাছে জমা পড়া ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগ যাচাই-বাছাই করে ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনাকে গুম হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৭টি ঘটনাকে ‘মিসিং অ্যান্ড ডেড’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, গুমের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

এদিকে, ৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে দৈনিক সমকালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপি ও দলটির অঙ্গসংগঠনের অন্তত ৩১২ জন নেতা-কর্মী গুমের শিকার হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১০৭ জন আর ফিরে আসেননি। তাদের তুলে নেওয়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কিন্তু এই সংখ্যাগুলো কেবল সংখ্যা নয়। প্রতিটি সংখ্যার পেছনে রয়েছে একজন মানুষ, একটি মা, একজন বাবা, একজন স্ত্রী, একটি সন্তান, একটি পরিবার এবং একটি অসমাপ্ত স্বপ্ন। প্রতিটি ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অসংখ্য মানুষের কান্না, অপেক্ষা এবং না-বলা কষ্ট।

কোনো শিশুর কাছে তার বাবার একটি ছবি হয়ত এখনো সবচেয়ে প্রিয় জিনিস। কোনো মা হয়ত আজও দরজার দিকে তাকিয়ে থাকেন—এই বুঝি তার ছেলে ফিরে এলো। কোনো স্ত্রী হয়ত আজও বিশ্বাস করেন—একদিন হঠাৎ দরজায় কড়া নাড়বেন তার স্বামী। কিন্তু বছর যায়, বছর আসে; মানুষটি আর ফিরে আসেন না। অপেক্ষা শুধু দীর্ঘ হতে থাকে।

গুম একটি মানুষকে শুধু তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে না, গুম একটি পরিবারের স্বাভাবিক জীবনকেও যেন গুম করে দেয়। একজন মানুষ নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পরিবারও এক অনিশ্চিত জীবনের মধ্যে পড়ে যায়। স্বজনেরা একদিকে প্রিয়জনকে খুঁজে ফেরেন, অন্যদিকে প্রতিদিন নতুন করে ভয়, হতাশা ও অনিশ্চয়তার সঙ্গে লড়াই করেন।

গুম তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১ হাজার ৫৬৪টি গুমের ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়েছে। ২০১৬ সালে সর্বোচ্চ ২১৫টি গুমের ঘটনা নথিভুক্ত হয়। ২০১৭ সালে ১৯৪টি, ২০১৮ সালে ১৯২টি, ২০১৯ সালে ১১৮টি, ২০২২ সালে ১১০টি এবং ২০২৩ সালে ৬৫টি গুমের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

কমিশনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে গুমের ঘটনা বেড়ে যেত এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের লক্ষ্য করে গুমের অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাজনৈতিক পরিচয় পাওয়া ৯৪৮ জনের মধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরাও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ছিলেন। এখনো নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যদের সংখ্যা ৬৮ শতাংশ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই পরিসংখ্যানের পেছনে রয়েছে মানুষের জীবনের অসংখ্য না-বলা গল্প। বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর মতো মানুষদের পরিবার বছরের পর বছর অপেক্ষা করেছে। ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল নিখোঁজ হওয়ার পর তার পরিবারকে শেখ হাসিনা সরকারের তরফ হতে একের পর এক আশার কথা শোনানো হয়েছিল। তাকে পাওয়া যেতে পারে—এমন খবরও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই অপেক্ষার কোনো পরিণতি আসেনি।

একটি পরিবারের জন্য এর চেয়ে নির্মম যন্ত্রণা আর কী হতে পারে? মানুষটি মারা গেছেন—এ কথা জানলেও হয়তো পরিবার একসময় বাস্তবতাকে মেনে নিয়ে শোক করার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু মানুষটি কোথায়, কী অবস্থায় আছেন—এই প্রশ্নের উত্তর না পাওয়া পরিবারকে প্রতিদিন নতুন করে মৃত্যুর যন্ত্রণা দেয়। তারা শোকও করতে পারে না, আবার আশাও ছাড়তে পারে না। এ এক গভীর ও অসহনীয় মানসিক যন্ত্রণা।

এই দীর্ঘ অন্ধকারের পর আজ রাষ্ট্রের দায়িত্বে থাকা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারগুলোর কষ্টকে শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যের বিষয় হিসেবে দেখেননি। তিনি তাদের কাছে গিয়েছেন, তাদের কথা শুনেছেন এবং তাদের কান্নার সঙ্গে নিজেও আবেগাপ্লুত হয়েছেন।

২০২৬ সালের ১৭ জানুয়ারি গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ভুক্তভোগী স্বজনদের কান্না ও হৃদয়বিদারক অভিজ্ঞতার কথা শুনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গভীরভাবে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বজনদের বেদনা ও আর্তনাদে তিনিও কান্নায় ভেঙে পড়েন। দৈনিক দেশ রূপান্তরের প্রতিবেদনে তার এই মানবিক অনুভূতির কথা উঠে এসেছে। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ ও ‘মায়ের ডাক’-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা তাদের দীর্ঘদিনের কষ্ট, বেদনা এবং প্রিয়জনকে ফিরে পাওয়ার আকুতি তুলে ধরেন।

সেদিনের কিছু দৃশ্য বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে দীর্ঘদিন অমলিন হয়ে থাকবে। এক শিশু বলেছিল, বাবার হাত ধরে স্কুলে যাওয়ার তার স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। আরেক সন্তান জানিয়েছিল, সে কোনোদিন তার বাবাকে ‘বাবা’ বলে ডাকতেই পারেনি। কারণ, বাবা নিখোঁজ হওয়ার সময় তার বয়স ছিল মাত্র দুই মাস। এভাবেই সেদিন স্বজনেরা তাদের দীর্ঘদিনের বেদনা, কষ্ট ও না-পাওয়ার কথা তুলে ধরেছেন। তাদের প্রতিটি কথা, প্রতিটি অশ্রু আমাদের হৃদয়কে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে।

এই কান্না শুধু একটি পরিবারের কান্না নয়। এটি বাংলাদেশের বিবেকের কান্না। এই কান্না আমাদের মনে করিয়ে দেয়—রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব মানুষের জীবন, নিরাপত্তা, মর্যাদা ও অধিকার রক্ষা করা।

সেদিন বিএনপির চেয়ারম্যান ও আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত ভারাক্রান্ত মনে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর কষ্টের সঙ্গে একাত্ম হয়ে বলেছিলেন, অনেক সন্তান এখনো অপেক্ষা করছে—তাদের বাবা হয়ত একদিন দরজায় কড়া নাড়বেন; অনেক মা হয়ত এখনো অপেক্ষা করছেন—হারিয়ে যাওয়া সন্তানটি একদিন ফিরে আসবে। এই অনুভূতি শুধু একটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়; এটি মানুষের প্রতি একজন দায়িত্বশীল নেতার মানবিক দায়বদ্ধতার প্রকাশ।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর সবচেয়ে বড় দাবি—তারা সত্য জানতে চান এবং বিচার চান। তারা জানতে চান, তাদের প্রিয়জনদের কী হয়েছিল, কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল এবং তাদের নিখোঁজ হওয়ার জন্য কারা দায়ী। তাদের এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

বিএনপির চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও স্পষ্টভাবে বলেছেন, বিগত সরকারের আমলের গুম-খুনের বিচার হতে হবে। দৈনিক যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে তার বক্তব্য উঠে এসেছে—গুম-খুনের দায়ে শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের বিচার না হলে অন্যায়ের সুযোগ আবার তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ন্যায্য বিচার নিশ্চিত করা জরুরি এবং অন্যায়কারীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

তবে বিচার হতে হবে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে। প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণের যথাযথ মূল্যায়ন এবং আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচারই হতে হবে আমাদের পথ। কারণ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে কোনো অপরাধের বিচারই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ভিত্তিতে হতে পারে না।

বর্তমান সরকার শুধু অতীতের ঘটনা স্মরণ করতে চায় না; ভবিষ্যতে যেন আর কোনো মানুষ গুমের শিকার না হন, সেই নিশ্চয়তাও প্রতিষ্ঠা করতে চায়। ২০২৬ সালে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের মাধ্যমে গুমকে একটি স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গুমের ফলে মৃত্যু ঘটলে বা দীর্ঘ সময় পরও ব্যক্তিকে উদ্ধার করা না গেলে কঠোর শাস্তির বিধান রাখার প্রস্তাবও রয়েছে।

এ ধরনের উদ্যোগ শুধু একটি আইন প্রণয়নের বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে হবে, ভবিষ্যতে কোনো নাগরিককে তার রাজনৈতিক মত, বিশ্বাস, পরিচয় বা অন্য কোনো কারণে বেআইনিভাবে তুলে নিয়ে যাওয়া হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী কোনো সংস্থা বা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতার অপব্যবহারও কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না।

আজ আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে আমাদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—আমরা কি সেই বাংলাদেশ চাই, যেখানে একটি পরিবার বছরের পর বছর একজন মানুষের অপেক্ষায় থাকবে?

না। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে কোনো রাজনৈতিক মত, বিশ্বাস বা পরিচয়ের কারণে কাউকে অন্যায়ভাবে তুলে নেওয়া হবে না। কোনো পরিবারকে অন্ধকারে রেখে দেওয়া হবে না। কোনো মা তার সন্তানের ভাগ্য জানার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করবেন না। কোনো শিশু বাবার ফিরে আসার আশায় শৈশব পার করবে না।

গুমের শিকার পরিবারগুলোর প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু সহানুভূতি প্রকাশে শেষ হতে পারে না। তাদের সত্য জানাতে হবে, ন্যায়বিচারের পথ খুলে দিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় মানবিক, চিকিৎসা ও সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। তাদের পাশে রাষ্ট্রকে দাঁড়াতে হবে, তাদের কথা শুনতে হবে এবং তাদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা, রাষ্ট্রকে তাদের বলতে হবে—আপনারা একা নন। আপনাদের কান্না রাষ্ট্র শুনছে। আপনাদের অপেক্ষা রাষ্ট্র দেখছে। আপনাদের প্রশ্ন রাষ্ট্রের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

যে মা আজও দরজার দিকে তাকিয়ে আছেন, তার চোখের পানি যেন আর বৃথা না যায়। যে সন্তান আজও বাবার একটি স্পর্শের অপেক্ষায় আছে, তার অপেক্ষার যেন একটি উত্তর আসে। যে স্ত্রী বছরের পর বছর স্বামীর ফেরার আশায় দিন গুনছেন, তার বুকের ভেতরের সেই দীর্ঘশ্বাস যেন একদিন থামে।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক—বাংলাদেশ আর কখনো গুমের অন্ধকারে ফিরে যাবে না। এই রাষ্ট্রে মানুষের রাজনৈতিক অধিকার থাকবে, মানুষের নিরাপত্তা থাকবে, আইনের শাসন থাকবে এবং অপরাধের বিচার হবে।

আর কোনো পরিবারকে যেন প্রিয়জনের ভাগ্য না জেনে বছরের পর বছর অপেক্ষার প্রহর গুনতে না হয়। কোনো মায়ের চোখের পানি যেন আর রাষ্ট্রের কাছে অদৃশ্য না থাকে। কোনো শিশুর শৈশব যেন আর বাবার অপেক্ষায় থেমে না যায়। কোনো স্ত্রী যেন প্রিয়জনের ফিরে আসার অনিশ্চয়তায় জীবন কাটাতে বাধ্য না হন। কোনো পরিবার যেন আর অন্ধকারে হারিয়ে না যায়।

মানুষের জীবন, মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষিত থাকবে—আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে—এমন একটি বাংলাদেশই হোক আমাদের প্রত্যাশা। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক, রাষ্ট্রের কাছে প্রতিটি মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা সমান গুরুত্বপূর্ণ।

লেখক: প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জাতীয়

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নাম

বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে আগামী ১৬ আগস্ট। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের বিষয়ে সরকারের ভেতরে জোর আলোচনা চলছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং ভাবমূর্তির মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও […]

মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়তে পারেন অনেকেই, নতুন করে আলোচনায় যেসব নাম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ আগস্ট ২০২৬, ১১:৫৯

বিএনপি সরকারের প্রথম ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে আগামী ১৬ আগস্ট। এ সময়কে সামনে রেখে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের বিষয়ে সরকারের ভেতরে জোর আলোচনা চলছে। সরকার ও দলীয় সূত্রের দাবি, কর্মদক্ষতা, প্রশাসনিক সক্ষমতা, জনসম্পৃক্ততা এবং ভাবমূর্তির মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এতে কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বাদ পড়ার পাশাপাশি নতুন মুখ যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গত ছয় মাসে মন্ত্রীদের কার্যক্রম নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন করছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি, প্রশাসনিক দক্ষতা, জনসেবামূলক কার্যক্রম এবং সরকারের ভাবমূর্তি রক্ষায় ভূমিকা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব মন্ত্রী বিতর্কে জড়িয়েছেন বা প্রত্যাশিত কর্মদক্ষতা দেখাতে পারেননি, তাদের বিষয়ে আলাদা করে আলোচনা চলছে।

সূত্রগুলো জানায়, বর্তমানে ২৪ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হচ্ছে। সেই মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতেই মন্ত্রিসভায় রদবদলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পুনর্বণ্টন এবং প্রয়োজনে মন্ত্রিসভার আকারও বাড়ানো হতে পারে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ে টেকনোক্র্যাট, অতিরিক্ত উপদেষ্টা এবং অভিজ্ঞ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়েও আলোচনা রয়েছে। একই সঙ্গে দলের ত্যাগী ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতাদের পাশাপাশি তরুণ সংসদ সদস্যদেরও মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

রাজনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি বা স্পিকার পদে নতুন নিয়োগ না হলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান এবং সেলিমা রহমানের নাম সম্ভাব্য মন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।

এ ছাড়া নতুন মুখ হিসেবে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান এবং রকিবুল ইসলাম বকুলের নামও বিভিন্ন মহলে আলোচিত হচ্ছে।

সরকারের শরিক ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর কয়েকজন নেতাকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার আলোচনা রয়েছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, শাহাদাত হোসেন সেলিম এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম বিভিন্ন সূত্রে উঠে এসেছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে কিছু মন্ত্রণালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করছে সরকার। সে কারণেই দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।

সরকারি সূত্রগুলোর ভাষ্য, মন্ত্রীদের মূল্যায়নে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অগ্রগতি, প্রশাসনিক জটিলতা নিরসন, জনদুর্ভোগ কমাতে নেওয়া উদ্যোগ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং জাতীয় সংসদে সক্রিয় অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রিসভায় থাকা বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, কয়েকজন মন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। অন্যদিকে, কিছু প্রতিমন্ত্রী তুলনামূলক ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে তাদের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি সংসদ সদস্য, বিএনপি এবং সমমনা রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতাও টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় যুক্ত হতে পারেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী।