সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রোগী-স্বজনদের ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার, কুষ্টিয়া মেডিকেলের সামনে ওভারব্রিজের দাবি

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখা। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত হাসপাতালের সামনে কুষ্টিয়া-দৌলতদিয়া মহাসড়কের পাশে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষও অংঅবস্থানকারীরা জানান, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে দিয়ে কুষ্টিয়া-দৌলতদিয়া মহাসড়ক হওয়ায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক […]

রোগী-স্বজনদের ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার, কুষ্টিয়া মেডিকেলের সামনে ওভারব্রিজের দাবি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ১৮:২২

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে জাতীয় ছাত্র শক্তি, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখা। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত হাসপাতালের সামনে কুষ্টিয়া-দৌলতদিয়া মহাসড়কের পাশে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় সাধারণ মানুষও অংঅবস্থানকারীরা জানান, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে দিয়ে কুষ্টিয়া-দৌলতদিয়া মহাসড়ক হওয়ায় প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যানবাহন চলাচল করে।

হাসপাতালের সামনে প্রায় সময়ই যানবাহনের চাপ ও ভিড় লেগে থাকে। ফলে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনদের মহাসড়ক পার হতে গিয়ে ঝুঁকির মধ্যহাসপাতালের ঠিক বিপরীত পাশে রয়েছে ওষুধের ফার্মেসি।

হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের স্বজনদের জরুরি প্রয়োজনে ওষুধ কিনতে প্রায়ই মহাসড়ক পার হয়ে ফার্মেসিতে যেতে হয়। ব্যস্ত এই সড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের কারণে রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘহাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ও স্বজন বলেন, রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকলে প্রয়োজনীয় ওষুধ কিনতে বারবার বাইরে যেতে হয়। কিন্তু ফার্মেসিগুলো সড়কের বিপরীত পাশে হওয়ায় প্রতিবারই ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হতে হয়। অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে রাস্তা পার হতে হয়।

এর মধ্যে দ্রুতগতির যানবাহন চলাচল করায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘতাদের দাবি, হাসপাতালের সামনে একটি ওভারব্রিজ নির্মাণ করা হলে রোগী, রোগীর স্বজন, চিকিৎসক, নার্সসহ সাধারণ পথচারীদের নিরাপদে সড়ক পারাপার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

পাশাপাশি হাসপাতালের সামনে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানান তাজাতীয় ছাত্র শক্তি, কুষ্টিয়া সদর উপজেলা শাখার নেতারা বলেন, কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কুষ্টিয়াবাসীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চিকিৎসাকেন্দ্র।

কুষ্টিয়াসহ আশপাশের কয়েকটি জেলার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এখানে চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। কিন্তু হাসপাতালের সামনে ব্যস্ত মহাসড়ক পারাপারের সময় রোগী ও স্বজনদের প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে দ্রুত একটি ওভারব্রিজ নির্মাণের দাবিতে তারা এই অবস্থান কর্মসূচি পালনএদিকে বিষয়টি নিয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. আনোয়ারুল কবীর জানান, হাসপাতালের সামনে ওভারব্রিজ নির্মাণের বিষয়টি মূলত সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধীন।

তিনি বলেন, নির্ধারিত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে এবং হাসপাতালের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। শুধু ওভারব্রিজ নয়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে সাইনবোর্ড স্থাপনসহ মানুষকে বিভিন্নভাবে সতর্ক করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্যও সংশ্লিষ্টদের জাতিনি আরও জানান, হাসপাতালের সামনে রোগী ও সাধারণ মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (XEN)-এর বক্তব্য জানতে কয়েকবার তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। ফলে এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পরিকল্পনা বা পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা, রোগী ও স্বজনদের দাবি, হাসপাতালের সামনে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষের চলাচল এবং যানবাহনের চাপ বিবেচনায় দ্রুত একটি ওভারব্রিজ নির্মাণ করা প্রয়োজন।

একই সঙ্গে ওভারব্রিজ নির্মাণের আগ পর্যন্ত হাসপাতালের সামনে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড ও অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।