মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা, রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলাগুলো ছাড়া দেশের বাকি সব অঞ্চলে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত এক অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। সভা […]

চট্টগ্রাম বোর্ড ছাড়া সারা দেশে চলবে এইচএসসি পরীক্ষা, রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৭:২৯

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জেলাগুলো ছাড়া দেশের বাকি সব অঞ্চলে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে আয়োজিত এক অনলাইন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

সভা শেষে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় পরীক্ষা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন পাঁচ জেলার পরীক্ষা আপাতত স্থগিত থাকবে।

এদিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার মধ্যেও পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং শিক্ষামন্ত্রীর একটি মন্তব্যের প্রতিবাদে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ করেছেন একদল শিক্ষার্থী।

মঙ্গলবার সায়েন্সল্যাব, উত্তরা বিএনএস সেন্টার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং পরীক্ষা স্থগিতের আহ্বান জানান।

নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আইয়ুব বলেন, সায়েন্সল্যাব এলাকায় শিক্ষার্থীরা কিছু সময় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। তাদের সঙ্গে আলোচনা করার চেষ্টা করেছে পুলিশ।

উত্তরা পশ্চিম থানার ডিউটি অফিসার শাহীন আলম জানান, উত্তরা বিএনএস সেন্টারের সামনে বিক্ষোভের কারণে আব্দুল্লাহপুর পর্যন্ত সড়কে যানজট সৃষ্টি হয়।

বিক্ষোভের সময় শিক্ষার্থীরা ‘দফা এক, দাবি এক—মিলনের পদত্যাগ’, ‘ভোগান্তির দায় নিতে হবে’ এবং ‘বন্যা-জলাবদ্ধতায় পরীক্ষা নয়’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার্থীরা চরম দুর্ভোগে পড়লেও সেই বাস্তবতা বিবেচনায় না নিয়েই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অনেককে দীর্ঘ যানজট, জলাবদ্ধতা কিংবা বিকল্প উপায়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। তারা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করার এবং এ বিষয়ে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান।

বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।