আমজাদ শিবলু: নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সেনবাগে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্কুলছাত্র মো. আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৫) হত্যা মামলায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার রাতে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতারা হলেন মামলার চার নম্বর আসামি মো. মমিন উল্লাহ (৫০) ও পাঁচ নম্বর আসামি মো. জাহাঙ্গীর (২৪)। প্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে রাত ১২টার দিকে তাদের সেনবাগ থানায় আনা হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম সরকার স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, এ হত্যা মামলার প্রধান আসামি হারুনুর রশিদকে ঘটনার পরপরই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ওসি আরও জানান, সর্বশেষ দুইজনকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত তিন আসামি এখন পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় নারায়ণগঞ্জ থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। উল্লেখ্য, গত ১০ জুন রাতে সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের দেবীশিংপুর গ্রামে নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে ফাহিম। অভিযোগ রয়েছে, এলাকায় মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে একদল দুর্বৃত্ত তাকে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর নিহতের পরিবার বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।