যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসে গত তিনদিনে ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। জ্বর, মাথাব্যথা, বমি, ডায়রিয়া ও শারীরিক দুর্বলতাসহ বিভিন্ন উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তবে অসুস্থ হলেও মেডিকেলে কোনো চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা পাচ্ছেন না তারা।
জানা যায়, ১০ তারিখ (বুধবার) বিকাল থেকে হলে অবস্থানরত অধিকাংশ শিক্ষার্থী পর্যায়ক্রমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার থাকলেও সেখানে কোনো ডাক্তার পাওয়া যায়নি। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
এছাড়া, জরুরি পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহনের জন্য নেই কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা। ফলে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অন্য যানবাহনে করে সদর হাসপাতালে নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্থায়ী ক্যাম্পাসে ন্যূনতম চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকা উচিত। আমাদের মেডিকেল সেন্টার আছে, কিন্তু অজ্ঞাত কারণে এখানে এখনো কোনো ডাক্তার নিয়োগ দেয়া হয়নি। কেউ অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে ছুটতে হয়। অসুস্থদের জরুরি পরিবহনের জন্য নেই কোনো অ্যাম্বুলেন্স সেবা। আমরা চাই প্রশাসন আমাদের দিকেও নজর দিক। চিকিৎসাসেবা পাওয়া আমাদের মৌলিক অধিকার।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যবিপ্রবির চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. দীপক কুমার বলেন, আমার চোখের অপারেশনের কারণে গত ১০ জুন পর্যন্ত আমি ছুটিতে ছিলাম। অপারেশনের পর অসুস্থতার কারণে আমি সব কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলাম। তাই শিক্ষার্থীদের এ অসুস্থতার বিষয়ে আমি অবগত নই। আমি শিগগিরই এই বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি।
এছাড়া এ বিষয়ে জানতে ওই সময় চিফ মেডিকেল অফিসারের দায়িত্বে থাকা ডা. মাসুমা নুরজাহানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।