সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুবর্ণচরে অবৈধ মাটি কাটা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যকে প্রাণনাশের হুমকি

মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর) প্রতিনিধি; নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নে সরকারি খালের পাড় ও রাস্তা কেটে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির প্রতিবাদে ফেসবুকে পোস্ট করায় এক যুবকের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে।  স্থানীয় এক প্রভাবশালী চক্র ও তার সহযোগীরা সামাজিক সংগঠক ফরহাদ হোসেনের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তাঁর নববিবাহিত স্ত্রী এবং বৃদ্ধা দাদিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, হেনস্তা ও প্রাণনাশের হুমকি […]

সুবর্ণচরে অবৈধ মাটি কাটা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যকে প্রাণনাশের হুমকি

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ০১:০২

মোঃ তাজুল ইসলাম, (সুবর্ণচর) প্রতিনিধি;

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নে সরকারি খালের পাড় ও রাস্তা কেটে অবৈধভাবে মাটি বিক্রির প্রতিবাদে ফেসবুকে পোস্ট করায় এক যুবকের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। 

স্থানীয় এক প্রভাবশালী চক্র ও তার সহযোগীরা সামাজিক সংগঠক ফরহাদ হোসেনের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে তাঁর নববিবাহিত স্ত্রী এবং বৃদ্ধা দাদিকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, হেনস্তা ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে চরজব্বার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন— একই এলাকার মো. মানিক (২৬) এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৫/৬ জন সন্ত্রাসী।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সুবর্ণচর উপজেলার ৩নং চরক্লার্ক ইউনিয়নের কেরামতপুর এলাকার সরকারি খালের পাড় এবং সরকারি জায়গা থেকে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র (ভেকু) মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রির রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছিল। অবাধে মাটি কাটার ফলে খালের পাড় ভেঙে পড়ছে এবং সংলগ্ন সরকারি রাস্তাটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া দিন-রাত মাটি বহনকারী পাওয়ার টিলার ও ট্রাক্টর চলাচলের কারণে পুরো রাস্তা জুড়েই বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, যা সামান্য বৃষ্টিতেই কাদা-পানিতে একাকার হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

স্থানীয় ‘সুবর্ণ ইয়ুথ অর্গানাইজেশন’-এর সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন জনস্বার্থে ও পরিবেশ রক্ষার্থে এই অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে গত ১৭ মে তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট দেন।

ফেসবুক পোস্টের জেরে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১৮ মে (সোমবার) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে অভিযুক্ত মো. মানিক ও তার ৫/৬ জন সহযোগী দেশীয় অস্ত্রে সজ্জ্বিত হয়ে ফরহাদ হোসেনের বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে। ওই সময় ফরহাদ বাড়িতে ছিলেন না। সন্ত্রাসীরা তাঁর সদ্য বিবাহিত স্ত্রী নূর নাহার বেগম (১৯) এবং বৃদ্ধা দাদি রেশমা খাতুনকে (৬৫) ঘরের সামনে একা পেয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা ফরহাদ কেন ফেসবুক পোস্ট করেছে— তা নিয়ে চড়াও হয় এবং অবিলম্বে পোস্টটি ডিলিট করার জন্য প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে। যাওয়ার সময় তারা হুমকি দেয় যে, পোস্ট ডিলিট না করলে এবং ভবিষ্যতে এই বিষয়ে পুনরায় কোনো পোস্ট বা প্রতিবাদ করলে ফরহাদকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই মারধর ও প্রাণে মেরে ফেলা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, অবৈধভাবে মাটি কাটার ফলে বর্ষা মৌসুমে এলাকাটিতে ব্যাপক জলাবদ্ধতা ও খাল ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রাস্তাটি বেহাল হওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ, নারী ও শিশুদের যাতায়াত অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। প্রায়ই সেখানে মানুষ পিছলে পড়ে আহত হচ্ছে এবং ছোট-বড় যানবাহন দুর্ঘটনা ঘটছে। এছাড়া এলাকার কৃষিজমি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।

নিরাপত্তাহীনতায় ভোগা ভুক্তভোগী ফরহাদ হোসেন ঘটনার পর পরই এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সাক্ষীদের (মো. তারেক রহমান ও সামিম ওসমানসহ অন্যান্যদের) সাথে পরামর্শ করে চরজব্বার থানায় হাজির হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মানিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি আমি বাড়িতে গিয়েছি তাকে পাইনি, সরকারি খাস জায়গার মাটি কাটা অপরাধের কথা বললে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, সবাই খালের মাটি কাটে তাই আমিও কাটি। তবে তার বিগত দিনের অপরাধের কারণে তিনি শাস্তি পেয়েছেন সেটা স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে চরজব্বার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানান, অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে সরকারি সম্পত্তি বিনষ্টকারী এবং বাড়িতে ঢুকে হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।