শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

‘নির্বাচনে হারিনি, জোর করে জয় কেড়ে নেওয়া হয়েছে, আমি আবারও রাজপথেই থাকব’ : মমতা

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে গত ১৫ বছর ধরে একটি অলিখিত নিয়ম যেন প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল—যেকোনো পরিস্থিতিতেই টিকে থাকার পথ খুঁজে নেবেন মমতা ব্যানার্জি ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে গত সোমবার সেই নিয়মের অবসান ঘটল। ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে এই জনমোহিনী নেত্রীর হার তার টানা চতুর্থবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছে। জয়ী হলে […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ মে ২০২৬, ২২:১৫

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে গত ১৫ বছর ধরে একটি অলিখিত নিয়ম যেন প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল—যেকোনো পরিস্থিতিতেই টিকে থাকার পথ খুঁজে নেবেন মমতা ব্যানার্জি ও তার দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে গত সোমবার সেই নিয়মের অবসান ঘটল।

ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) কাছে এই জনমোহিনী নেত্রীর হার তার টানা চতুর্থবারের মতো মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছে। জয়ী হলে তিনি জ্যোতি বসু কিংবা নবীন পট্টনায়কের মতো দীর্ঘমেয়াদী আঞ্চলিক মহীরুহদের পাশে নিজের নাম লেখাতে পারতেন।

মমতার এ পরাজয় সমসাময়িক ভারতের অন্যতম বর্ণাঢ্য এক রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিল। যে রাজনীতির শুরু হয়েছিল রাজপথের আন্দোলন দিয়ে, তার পরিণতি হলো নিজের গড়া রাজনৈতিক দুর্গের পতনের মধ্য দিয়ে।

সুতি শাড়ি আর সাধারণ রবারের চটি পরা ছোটখাটো গড়নের মমতাকে দেখে একসময় কল্পনাও করা যায়নি যে, তিনি বিশ্বের দীর্ঘতম গণতান্ত্রিক বাম শাসনের পতন ঘটাবেন। কিন্তু ২০১১ সালে টানা ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনের অবসান ঘটিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দেন। সে সময় নিউইয়র্ক টাইমস তাকে ‘বার্লিন দেয়াল গুঁড়িয়ে দেওয়া হাতুড়ি’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল। আর টাইম ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দিয়েছিল।

কলকাতার এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া মমতা ছাত্রাবস্থাতেই কংগ্রেসের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। নব্বইয়ের দশকে তিনি পশ্চিমবঙ্গের রাজপথে বাম-বিরোধী আন্দোলনের প্রধান মুখ হয়ে ওঠেন। ১৯৯০ সালে এক মিছিলে সিপিএম ক্যাডারদের হামলায় তার মাথার খুলি ফেটে গিয়েছিল। ওই ঘটনা মমতাকে একজন ‘লড়াকু’ ও ‘ত্যাগী’ নেত্রীর ইমেজ দেয়, যা তিনি ক্ষমতার শীর্ষে থেকেও ধরে রেখেছিলেন।

২০০৭ সালে সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রামে জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে মমতা কৃষকদের মসিহা হয়ে ওঠেন। সাধারণ মানুষ তাকে ভালোবেসে ডাকতে শুরু করে ‘দিদি’। ভারতের অন্যান্য প্রভাবশালী নারী নেত্রীদের মতো তার পেছনে কোনো রাজনৈতিক বংশপরিচয় বা গডফাদার ছিল না। একক শক্তিতেই তিনি তিন মেয়াদে ক্ষমতা ধরে রেখেছিলেন।

মমতার ক্যারিশমা, নারীদের জন্য কল্যাণমুখী প্রকল্প এবং বাঙালি আঞ্চলিকতাবাদ দীর্ঘদিন তাকে দুর্নীতির অভিযোগ ও বিজেপির উত্থানের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করেছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দিয়ে একটি রাজনৈতিক কাঠামো আজীবন টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়।

তৃণমূলের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ ছিল এর ‘ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেল’। রাজনৈতিক বিশ্লেষক দ্বৈপায়ন ভট্টাচার্য বলেছিলেন, মমতার দলে স্থানীয় প্রভাবশালী ও নিচুতলার নেতাদের আনুগত্যের বিনিময়ে একচেটিয়া প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এই নেতাদের সীমাহীন দুর্নীতির আকাঙ্ক্ষা এবং আর্থিক লাভের তাড়না তৃণমূলের নৈতিক রাজনীতির ভিত দুর্বল করে দেয়।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছিল রাজ্যের তীব্র আর্থিক সংকট। শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে তোলাবাজি এবং নারী নিরাপত্তা নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া ক্ষোভ শেষ পর্যন্ত মমতার সরকারের ভিত নাড়িয়ে দেয়।

পরাজয়ের পর মমতার সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দল ধরে রাখা। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির ইতিহাস বলে, শাসক দল হারলে নেতা-কর্মীরা দ্রুত ক্ষমতার নতুন কেন্দ্রের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেন। বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের বড় একটি অংশ বিজেপির দিকে চলে যেতে পারে, যা দলের অভ্যন্তরে ভাঙন ধরাতে পারে।

৭১ বছর বয়সী এই নেত্রীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনই শেষ কথা বলা হয়তো ঠিক হবে না। তবে তার জন্য সামনে এক কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক সায়ন্তন ঘোষ বলেন, ‘আটের দশকের শেষ দিক থেকে মমতা কখনো ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব ছাড়া থাকেননি। ক্ষমতা ছাড়া মমতা—এটি বাংলার রাজনীতিতে বিরল দৃশ্য।’

পরাজয়ের পর গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আগের সেই মেজাজেই দেখা গেছে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি এখন মুক্ত বিহঙ্গ, একজন সাধারণ মানুষ। আমার আর কোনো চেয়ার নেই।’

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে হারিনি। আমাদের কাছ থেকে জোর করে জয় কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আমি যেকোনো জায়গায় যেতে পারি, যেকোনো জায়গায় লড়াই করতে পারি। আমি আবারও রাজপথেই থাকব।’

মমতার এ বক্তব্যই ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, তিনি আবারও হয়তো সেই পুরনো চেহারায় ফিরবেন—যিনি রাজপথের লড়াই দিয়েই এক সময় বাংলার মানুষের মন জয় করেছিলেন। তবে তিনি কি পারবেন নতুন করে নিজেকে প্রমাণ করতে, নাকি ইতিহাসের পাতায় এক পুরনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার অবশিষ্টাংশ হিসেবে রয়ে যাবেন—সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

সূত্র: বিবিসি

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দেওয়া দেশকে ‘শত্রু’ বিবেচনা করবে ইরান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:২৪

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞায় কোনো দেশ যোগ দিলে তাকে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান মোহসেন রেজাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বক্তব্যে এ সতর্কবার্তা দেন।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে যে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালাচ্ছে, কোনো দেশেরই তাতে অংশ নেওয়া উচিত নয়। কোনো দেশ ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা করলে তাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ইরানের এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মিত্র কিংবা অন্য কোনো দেশ সহযোগিতা করলে তেহরান তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর অবস্থান নিতে পারে।

এর আগে ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া সতর্ক করে বলেন, ইরানের ওপর কোনো হামলা হলে এবার তার জবাব আগের তুলনায় আরও বড় পরিসরে দেওয়া হবে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলোর অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার সামরিক কৌশলে পরিবর্তন আনছে। দীর্ঘদিন দেশটির সামরিক নীতি মূলত প্রতিরক্ষামূলক থাকলেও এখন তা ধীরে ধীরে আরও আক্রমণাত্মক অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।

তবে আকরামিনিয়া স্পষ্ট করেছেন, এর অর্থ ইরান আগাম হামলা চালানোর নীতি গ্রহণ করছে না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ওপর কোনো আগ্রাসন হলে তাৎক্ষণিকভাবে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে এবং সেই প্রতিক্রিয়ার পরিসর মূল হামলার চেয়েও বড় হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, […]

তীব্র হচ্ছে দিল্লির বিক্ষোভ, সকাল সকাল বিশেষ ঘোষণা দিলেন মোদি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৮

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের জেরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে বিক্ষোভ আরও তীব্র হচ্ছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ব্যানারে হওয়া এই আন্দোলনে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করা হচ্ছে। তিনি এখনো পদত্যাগ না করায় আন্দোলনও বেগবান হচ্ছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল সকাল নতুন ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, যারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং এ বিচার হবে দ্রুত বিচার আদালতে।

ফেসবুকে মোদি লিখেছেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না! প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ সুরক্ষায় নেওয়া ধারাবাহিক উদ্যোগগুলোরই অংশ এটি।”

“যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যতের ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”

এদিকে বিক্ষোভকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্ষমা চাইতে বলেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১

আন্তর্জাতিক

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ […]

নেপালে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৬২,নিখোঁজ প্রায় ৪ হাজার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০০

ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত নেপালে ক্রমেই বাড়ছে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৯৬২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন চার হাজারের বেশি মানুষ

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে নুয়াকোটের বেত্রাবতী এলাকার একটি বাড়ি থেকে ২৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকারীরা। একই সময়ে ভারতের গণ্ডক নদী থেকেও আরও ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহগুলো নেপাল কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

এদিকে, রাসুয়ার উত্তরগয়া গ্রামের একটি সরকারি বিদ্যালয়ের প্রায় ৩৫০ শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

অব্যাহত দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ত্রিশুলির থ্রি-এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্ধার অভিযান টানা ষষ্ঠ দিনের মতো স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা। অন্যদিকে, ত্রিশুলি থ্রি-বি প্রকল্পের অন্তত ১১৮ জন শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ধসে পড়া সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দুর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান এবং দুর্গতদের কাছে জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিতে উদ্ধারকারীদের ব্যাপক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১৩১